০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী সহিংসতায় মুন্সিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুর.

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুরের অভিযোগ।শনিবার ২৩ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।ভবেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদ মোহাম্মদ লিটন বলেল,কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র পার্থী ফয়সাল বিপ্লব নিজে পার্টি অফিসে ঢুকে তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে এ হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।এবং ৩ ছাত্রলীগ নেতাকে নৌকার পক্ষে স্পিকার বাজানোর কারনে হামলা করে আহত করে।সে সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক জন নৌকার পক্ষের কর্মীর বুকে পিস্তল ঠেকায় বলে অভিযোগ করেন।আরো বলেন, ফয়সাল বিপ্লব তাদের বাজে ভাষায় গালমন্দ করে।
জানাযায়,৭ জানুয়ারি ২০২৪ এর আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে আজ বিকেলে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের কাঁচি প্রতীকের  স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব গজারিয়া উপজেলায় গণসংযোগ করে।গণসংযোগের এক পর্যায়ে ভবেরচর বাজারে আসছে দেখতে পান উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নৌকার পক্ষে স্পিকারের মাধ্যমে উচ্চ আওয়াজে স্লোগান বা গান বাজাচ্ছে। তখন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব সহ তার অনুসারীরা বিতরে প্রবেশ মিক্সসার মেশিন সহ চেয়ার ভাংচুর করে বলে জানায় প্রতক্ষদর্শী।
সাবেক ভবেরচর  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি লোকমান হোসেন সরকার  বলেল।২০ বছর যাবতকাল এখানে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়। ২০ বছরে ও এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি, যে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলার।তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য কে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জ-৩, মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়ায় বর্তমান সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস এমপি’র নৌকার পক্ষে এবং স্বতন্ত্র পার্থী ফয়সাল বিপ্লবের পক্ষে কাজ করতেছে কর্মীসমর্থকরা।তবে জানতে পারলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব সহ তার অনুসারীরা এ ভাংচুর চালায়।
হামলায় ভিকটিম ছাত্রলীগ নেতা জানায়,স্বতন্ত্র পার্থী ফয়সাল বিপ্লব কার্যালয়ে প্রবেশ করেই স্পিকারে মেশিন মিক্সসার ভেঙে ফেলে।এবং তার সাথে থাকা গজারিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আক্তার আখি এবং তার ভাই মিলন উগ্র ব্যবহার করে।এবং আরেক জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক তাদের বুকে অস্ত্র ঠেকায়।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের কাঁচি প্রতীকের  পার্থী ফয়সাল বিপ্লবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানায় বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুর এর বিষয় জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি আরো জানায়,এ কার্যালয়টি আমাদের হাতেই তৈরি।এ কার্যালয়টি ভাঙ্গার কোনো প্রশ্নই উঠেনা।মারামারি এবং নৌকার প্রতীকের পার্থীর সমর্থকেরা তারা নিজেরাই কিছু ঘটনা ঘটিয়ে তার বিরোধে মিথ্যা অভিযোগ রটিয়ে,তাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে দুরে সরিয়ে রাখতে ঘোর পরিকল্পনা চালাচ্ছে।তিনি এ বিষয় টি  প্রশাসনকে সঠিক তদন্তের আহ্বান জানায়।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজিব খান জানান,তারা তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি,অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী সহিংসতায় মুন্সিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুর.

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুরের অভিযোগ।শনিবার ২৩ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।ভবেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদ মোহাম্মদ লিটন বলেল,কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র পার্থী ফয়সাল বিপ্লব নিজে পার্টি অফিসে ঢুকে তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে এ হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।এবং ৩ ছাত্রলীগ নেতাকে নৌকার পক্ষে স্পিকার বাজানোর কারনে হামলা করে আহত করে।সে সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক জন নৌকার পক্ষের কর্মীর বুকে পিস্তল ঠেকায় বলে অভিযোগ করেন।আরো বলেন, ফয়সাল বিপ্লব তাদের বাজে ভাষায় গালমন্দ করে।
জানাযায়,৭ জানুয়ারি ২০২৪ এর আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে আজ বিকেলে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের কাঁচি প্রতীকের  স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব গজারিয়া উপজেলায় গণসংযোগ করে।গণসংযোগের এক পর্যায়ে ভবেরচর বাজারে আসছে দেখতে পান উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নৌকার পক্ষে স্পিকারের মাধ্যমে উচ্চ আওয়াজে স্লোগান বা গান বাজাচ্ছে। তখন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব সহ তার অনুসারীরা বিতরে প্রবেশ মিক্সসার মেশিন সহ চেয়ার ভাংচুর করে বলে জানায় প্রতক্ষদর্শী।
সাবেক ভবেরচর  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি লোকমান হোসেন সরকার  বলেল।২০ বছর যাবতকাল এখানে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়। ২০ বছরে ও এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি, যে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলার।তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য কে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জ-৩, মুন্সিগঞ্জ সদর ও গজারিয়ায় বর্তমান সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস এমপি’র নৌকার পক্ষে এবং স্বতন্ত্র পার্থী ফয়সাল বিপ্লবের পক্ষে কাজ করতেছে কর্মীসমর্থকরা।তবে জানতে পারলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব সহ তার অনুসারীরা এ ভাংচুর চালায়।
হামলায় ভিকটিম ছাত্রলীগ নেতা জানায়,স্বতন্ত্র পার্থী ফয়সাল বিপ্লব কার্যালয়ে প্রবেশ করেই স্পিকারে মেশিন মিক্সসার ভেঙে ফেলে।এবং তার সাথে থাকা গজারিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আক্তার আখি এবং তার ভাই মিলন উগ্র ব্যবহার করে।এবং আরেক জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক তাদের বুকে অস্ত্র ঠেকায়।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের কাঁচি প্রতীকের  পার্থী ফয়সাল বিপ্লবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানায় বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুর এর বিষয় জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি আরো জানায়,এ কার্যালয়টি আমাদের হাতেই তৈরি।এ কার্যালয়টি ভাঙ্গার কোনো প্রশ্নই উঠেনা।মারামারি এবং নৌকার প্রতীকের পার্থীর সমর্থকেরা তারা নিজেরাই কিছু ঘটনা ঘটিয়ে তার বিরোধে মিথ্যা অভিযোগ রটিয়ে,তাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে দুরে সরিয়ে রাখতে ঘোর পরিকল্পনা চালাচ্ছে।তিনি এ বিষয় টি  প্রশাসনকে সঠিক তদন্তের আহ্বান জানায়।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজিব খান জানান,তারা তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি,অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।