রাজগঞ্জ সদর উপজেলার শহীদ আহসান উল-হাবীব উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে প্রার্থী মো: আবু হানিফের উপর হামলা ও পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ এনে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় সাধারন ডায়রী করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারী) রাতে মো: আবু হানিফ শহীদ আহসান উল-হাবীব উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মাসুদ রানা মুন্সি, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন, সহায়ক পদে অপর প্রার্থী তারিকুল ইসলাম, ওমর ফারুক (রেজাউল) এবং পরিচ্ছন্ন কর্মী পদে প্রার্থী শামীম রেজার নাম উল্লেখ করে সাধারন ডায়রী করেন। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মাসুদ রানা মুন্সি হামলার বিষযটি অস্বীকার করেছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ডিউটি অফিসার ইয়ামিন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাধারন ডায়রীতে উল্লেখ করেছেন, আমি মো: আবু হানিফ সদর উপজেলার পাঁচ ঠাকুরী গ্রামের বাসিন্দা। শহীদ আহসান উল-হাবীব উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নকর্মী পদে নিয়োগের জন্য ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। উক্ত নিয়োগ পরীক্ষার জন্য লিখিত পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারী দিন ধার্য্য ছিলো।
সেই মোতাবেক আমি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য কেন্দ্রে হাজির হলে শহীদ আহসান উল-হাবীব উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মাসুদ রানা মুন্সি, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন, সহায়ক পদে অপর প্রার্থী তারিকুল ইসলাম, ওমর ফারুক (রেজাউল) এবং পরিচ্ছন্ন কর্মী পদে প্রার্থী শামীম রেজা সহ অজ্ঞত লোক আমাকে প্রশাসনিক ভবনের বারান্দা থেকে ডেকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে জখম করে এবং আমার প্রবেশ পত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। পরে ঘটনার স্বাক্ষীরা এগিয়ে এসে আমাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রসঙ্গত, ৩০ লাখ ঘুষের বিনিময়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শহীদ আহসান উল-হাবীব উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি পদে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিচ্ছেন বলে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযো দেন অফিস সহায়ক পদে প্রার্থী মো: আবু হানিফ। এই অভিযোগ দেয়ার কারনে তার উপর হামলার ঘটনা ঘটে এবং তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে মারপিট করা হয়।
এবিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সালেহা ইসহাক সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত তিনটি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ আমার কাছে এসেছিলো। আমি এগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তিনি যদি তা না করেন তাহলে বিষয়টি আমি দেখবো।

























