যৌতুক না পেয়ে স্বামীর বেধরক মারপিট আর অমানুষিক নির্যাতনে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ রত্না বেগমের মৃত্যু ঘটেছে।এঘটনায় গ্রেফতারকৃত ঘাতক স্বামী আব্দুল লতিফ(৪০)কে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। নিহতের স্বজন ও থানা সুত্র জানা যায় লালমবিরহাটের কালীগন্জ উপজেলার বৈরাতী গ্রানের জহুরুল ইসলামের মেয়ের সাথে বিয়ে ওই উপজেলার বান্দেরকুড়া এলাকার আব্দুল মালেকের মেয়ে রত্নার সাথে।
বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দেয়া শুরু করে স্বামী আব্দুল লতিফ। গরীব দিনমজুর বাবার পক্ষে দাবীকৃত টাকা দিতে না পারায় প্রায়শই নির্যাতননের শিকার হতো স্ত্রী রত্না।একপর্যায়ে শুক্রবার ১২ জানুয়ারী রাতে আবারো বামীর মারপিটে শিকার হয় রত্না।তার অবস্থা আশংকাজনক হলে স্বানীয় এক চিকিৎসকের চিকিৎসা নিতে থাকেন রত্না।এরই মধ্যে ওই রাতই ভোর রাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে গৃহবধূ রত্না। খবর পেলে কালীগন্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তার স্বামী আব্দুল লতিফকে গ্রেফতার করে।একই সাথে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে থানায়।
আজ বিকেলে এঘটনায় কালীগন্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন গৃহবধূর বাবা মোঃ জহুরুল ইসলাম।পুলিশ ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে লালমনিরহাট জেলা জজ আদালতে সোপর্দ করে।পর বিজ্ঞা আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কালীগন্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির বলেন লাশের ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।তিনি আরো জানান ময়নাতদন্তের পর লাশ লাফনের জন্য তার স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।


























