০৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধান ফটকে তালা দিয়ে চবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়(চবি) ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সাইন্স বিভাগের  একাডেমিক জট নিরসন ও স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান  ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলন করতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।
১৭-১৮ সেশনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রবিউল আউয়াল আমাদের বিভাগের যাত্রা শুরু হয়েছে আজ থেকে আট বছর আগে কিন্তু এখন পর্যন্ত  বিভাগ থেকে একটা ব্যাচও বের হতে পারে নাই। এছাড়াও আমাদের কোন স্থায়ী ভবন নেই, শিক্ষক নিয়োগ নেই। আমাদের বর্তমানে ভাসমান ভাবে ক্লাস এবং পরীক্ষা দিতে হয়। আমরা অনতিবিলম্বে এগুলোর অবসান চাই।
১৯-২০ সেশনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অন্জন শাহা তন্ময় এ সম্পর্কে বলেন, আমাদের একটা ভবিষ্যৎ আছে। ছয় বছরে মাত্র দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করছি। অথচ এখন পর্যন্ত আমরা বিভাগের জট নিয়ে পড়ে আছি। বর্তমানে এমন একটা অবস্থা হয়েছে যে আমরা এখানেই জীবনটা কাটিয়ে দিচ্ছি। তারা কি আমাদের চাকরির বয়স বাড়িয়ে দিবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধান ফটকে তালা দিয়ে চবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন 

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়(চবি) ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সাইন্স বিভাগের  একাডেমিক জট নিরসন ও স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান  ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলন করতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।
১৭-১৮ সেশনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রবিউল আউয়াল আমাদের বিভাগের যাত্রা শুরু হয়েছে আজ থেকে আট বছর আগে কিন্তু এখন পর্যন্ত  বিভাগ থেকে একটা ব্যাচও বের হতে পারে নাই। এছাড়াও আমাদের কোন স্থায়ী ভবন নেই, শিক্ষক নিয়োগ নেই। আমাদের বর্তমানে ভাসমান ভাবে ক্লাস এবং পরীক্ষা দিতে হয়। আমরা অনতিবিলম্বে এগুলোর অবসান চাই।
১৯-২০ সেশনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অন্জন শাহা তন্ময় এ সম্পর্কে বলেন, আমাদের একটা ভবিষ্যৎ আছে। ছয় বছরে মাত্র দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করছি। অথচ এখন পর্যন্ত আমরা বিভাগের জট নিয়ে পড়ে আছি। বর্তমানে এমন একটা অবস্থা হয়েছে যে আমরা এখানেই জীবনটা কাটিয়ে দিচ্ছি। তারা কি আমাদের চাকরির বয়স বাড়িয়ে দিবে।