০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁতে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা

নওগাঁ জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম দশটি নির্দেশনা দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। বিজ্ঞপ্তিটি জেলা প্রশাসকের ফেইসবুক আইডিতে মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে:

  1. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস চলাকালীন সময়ে কোনো শিক্ষক কোচিং দিতে পারবেন না।

  2. শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করতে পারবে না। তবে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবে, স্কুল প্রধানের অনুমতিতে।

  3. শিক্ষক কোনো বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত বা মালিক হতে পারবেন না।

  4. শিক্ষার্থীকে কোচিং করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা যাবে না, বিজ্ঞাপনেও তাদের নাম ব্যবহার করা যাবে না।

  5. পরিচালনা কমিটি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য রোধে নজরদারি করবে এবং ঘটনা প্রশাসনকে জানাবে।

  6. প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় ও প্রচারণা করবেন।

  7. কোচিং বন্ধে প্রয়োজনীয় খরচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহন করবে।

  8. বাসায় ভাড়া নিয়ে কোচিং পরিচালনা করা যাবে না।

  9. ক্লাস চলাকালীন শিক্ষার্থী কোচিংতে অংশ নিতে পারবে না।

  10. বৈধ কোচিং সেন্টারের সময়সূচি নির্ধারণে স্কুলের শিফট বিবেচনা করতে হবে। জেলা মনিটরিং কমিটি এ বিষয় নিশ্চিত করবে।

 

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই নির্দেশনাগুলো কার্যকর করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

নওগাঁতে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁ জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম দশটি নির্দেশনা দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। বিজ্ঞপ্তিটি জেলা প্রশাসকের ফেইসবুক আইডিতে মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে:

  1. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস চলাকালীন সময়ে কোনো শিক্ষক কোচিং দিতে পারবেন না।

  2. শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করতে পারবে না। তবে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবে, স্কুল প্রধানের অনুমতিতে।

  3. শিক্ষক কোনো বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত বা মালিক হতে পারবেন না।

  4. শিক্ষার্থীকে কোচিং করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা যাবে না, বিজ্ঞাপনেও তাদের নাম ব্যবহার করা যাবে না।

  5. পরিচালনা কমিটি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য রোধে নজরদারি করবে এবং ঘটনা প্রশাসনকে জানাবে।

  6. প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় ও প্রচারণা করবেন।

  7. কোচিং বন্ধে প্রয়োজনীয় খরচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহন করবে।

  8. বাসায় ভাড়া নিয়ে কোচিং পরিচালনা করা যাবে না।

  9. ক্লাস চলাকালীন শিক্ষার্থী কোচিংতে অংশ নিতে পারবে না।

  10. বৈধ কোচিং সেন্টারের সময়সূচি নির্ধারণে স্কুলের শিফট বিবেচনা করতে হবে। জেলা মনিটরিং কমিটি এ বিষয় নিশ্চিত করবে।

 

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই নির্দেশনাগুলো কার্যকর করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শু/সবা