১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

১ ফেব্রুয়ারি চরকিতে আসছে ‘টিকিট’

২০১৮ সাল! তখনও ভিকি জাহেদ আজকের মতো বিখ্যাত পরিচালক হয়ে যাননি। একটা শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছিলেন যার প্রধান চরিত্র ছেলেটা লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর বিশাল ফ্যান! এই ফিল্ম বানানোর সবচেয়ে বড় কারণ হলো-ভিকি জাহেদ নিজেও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর ফ্যান। এক লাফ দিয়ে আসা যাক ২০২৪-এ! ভিকি জাহেদ এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক। আর এখনও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর ভক্ত। ভাগ্যক্রমে এক হয়েছেন দুইজন। আর প্রিয় লেখকের গল্পে চরকি-র জন্য ভিকি নির্মাণ করছেন নতুন একটি সিরিজ ‘টিকিট’। প্রিয় লেখকের গল্প দর্শকের সামনে আনার উত্তেজনায় শুটিং-এর আগে নাকি তার ঘুর হারাম হওয়ার অবস্থা।

‘টিকিট’-এ অভিনয় শিল্পী ও কলাকুশলীসহ প্রায় ১৩০ জনের টিম কাজ করেছে। এতো বড় একটা টিম, এতো বড় আর্টিস্ট নিয়ে পুরো ১৫ দিনের শ্যুট হয়েছে রাতের বেলা। যেটা ছিল পুরো টিমের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।

সিরিজের প্রায় অর্ধেক অংশই গ্রিন স্ক্রিনে শুট করা হয়েছে। হলিউড, বলিউডে নিয়মিতভাবেই গ্রিন স্ক্রিনে শুট হলেও, বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিতে এমন শুটিং খুব একটা দেখা যায় না। তবে ‘টিকিট’ সিরিজের ক্ষেত্রে পরিচালক, সিনেমাটোগ্রাফার ও ভিএফএক্স আর্টিস্ট সবাই তাদের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। ‘টিকিট’-এর শুটিং-এ এতো এতো ঘটনা ঘটেছে যে সেই গল্প দিয়েই এখন নাকি নতুন একটা সিনেমা বানিয়ে ফেলা যাবে। এমনই বলছিলেন টিকিট-এর অভিনয়শিল্পীরা।

 

 

স/মিফা

১ ফেব্রুয়ারি চরকিতে আসছে ‘টিকিট’

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

২০১৮ সাল! তখনও ভিকি জাহেদ আজকের মতো বিখ্যাত পরিচালক হয়ে যাননি। একটা শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছিলেন যার প্রধান চরিত্র ছেলেটা লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর বিশাল ফ্যান! এই ফিল্ম বানানোর সবচেয়ে বড় কারণ হলো-ভিকি জাহেদ নিজেও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর ফ্যান। এক লাফ দিয়ে আসা যাক ২০২৪-এ! ভিকি জাহেদ এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক। আর এখনও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর ভক্ত। ভাগ্যক্রমে এক হয়েছেন দুইজন। আর প্রিয় লেখকের গল্পে চরকি-র জন্য ভিকি নির্মাণ করছেন নতুন একটি সিরিজ ‘টিকিট’। প্রিয় লেখকের গল্প দর্শকের সামনে আনার উত্তেজনায় শুটিং-এর আগে নাকি তার ঘুর হারাম হওয়ার অবস্থা।

‘টিকিট’-এ অভিনয় শিল্পী ও কলাকুশলীসহ প্রায় ১৩০ জনের টিম কাজ করেছে। এতো বড় একটা টিম, এতো বড় আর্টিস্ট নিয়ে পুরো ১৫ দিনের শ্যুট হয়েছে রাতের বেলা। যেটা ছিল পুরো টিমের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।

সিরিজের প্রায় অর্ধেক অংশই গ্রিন স্ক্রিনে শুট করা হয়েছে। হলিউড, বলিউডে নিয়মিতভাবেই গ্রিন স্ক্রিনে শুট হলেও, বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিতে এমন শুটিং খুব একটা দেখা যায় না। তবে ‘টিকিট’ সিরিজের ক্ষেত্রে পরিচালক, সিনেমাটোগ্রাফার ও ভিএফএক্স আর্টিস্ট সবাই তাদের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। ‘টিকিট’-এর শুটিং-এ এতো এতো ঘটনা ঘটেছে যে সেই গল্প দিয়েই এখন নাকি নতুন একটা সিনেমা বানিয়ে ফেলা যাবে। এমনই বলছিলেন টিকিট-এর অভিনয়শিল্পীরা।

 

 

স/মিফা