১০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হামাসের

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের ছাড়িয়ে নিতে নতুন চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এর অংশ হিসেবে রোববার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বৈঠক করেছেন ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের গোয়েন্দা প্রধানরা। উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রীও। বৈঠকে তারা জিম্মিদের মুক্তির জন্য এবং একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির কাঠামো নিয়ে একমতও হন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, ওই কাঠামো অনুযায়ী হামাস-ইসরায়েলের মধ্যে প্রাথমিক অবস্থায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতি হবে। ওই সময় নারী, শিশু ও বৃদ্ধ জিম্মিদের ছাড়বে হামাস। এর বদলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের নিজেদের কারাগার থেকে মুক্তি দেবে দখলদার ইসরায়েল। এরপর ইসরায়েলি সেনাদের মুক্তি দেবে হামাস। সে অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরো বাড়তে পারে।

তবে নতুন এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তারা এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো ধরনের বিরতির শর্ত হলো ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন থেকে সব সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এরপরই কেবল জিম্মিদের মুক্তির ব্যাপারে আলোচনা হবে।

হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাহের আল-নোনুউ বলেছেন, আমরা প্রথমে যা নিয়ে কথা বলছি সেটি হলো, একটি পূর্ণ এবং বিস্তীর্ণ যুদ্ধবিরতি। কোনো অস্থায়ী বা সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়। যখন হামলা বন্ধ হবে; জিম্মি মুক্তিসহ অন্য সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, নতুন জিম্মি চুক্তির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরাসরি হামাস এ বিবৃতি দিয়েছে কি না সেটি স্পষ্ট নয়। তবে এটি সত্যি যে, নতুন এ চুক্তির প্রস্তাবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়নি। আবার এটি পুরোপুরি বাদও দেওয়া হয়নি।

 

 

স/মিফা

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হামাসের

আপডেট সময় : ১২:০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের ছাড়িয়ে নিতে নতুন চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এর অংশ হিসেবে রোববার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বৈঠক করেছেন ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের গোয়েন্দা প্রধানরা। উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রীও। বৈঠকে তারা জিম্মিদের মুক্তির জন্য এবং একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির কাঠামো নিয়ে একমতও হন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, ওই কাঠামো অনুযায়ী হামাস-ইসরায়েলের মধ্যে প্রাথমিক অবস্থায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতি হবে। ওই সময় নারী, শিশু ও বৃদ্ধ জিম্মিদের ছাড়বে হামাস। এর বদলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের নিজেদের কারাগার থেকে মুক্তি দেবে দখলদার ইসরায়েল। এরপর ইসরায়েলি সেনাদের মুক্তি দেবে হামাস। সে অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরো বাড়তে পারে।

তবে নতুন এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তারা এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো ধরনের বিরতির শর্ত হলো ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন থেকে সব সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এরপরই কেবল জিম্মিদের মুক্তির ব্যাপারে আলোচনা হবে।

হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাহের আল-নোনুউ বলেছেন, আমরা প্রথমে যা নিয়ে কথা বলছি সেটি হলো, একটি পূর্ণ এবং বিস্তীর্ণ যুদ্ধবিরতি। কোনো অস্থায়ী বা সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়। যখন হামলা বন্ধ হবে; জিম্মি মুক্তিসহ অন্য সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, নতুন জিম্মি চুক্তির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরাসরি হামাস এ বিবৃতি দিয়েছে কি না সেটি স্পষ্ট নয়। তবে এটি সত্যি যে, নতুন এ চুক্তির প্রস্তাবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়নি। আবার এটি পুরোপুরি বাদও দেওয়া হয়নি।

 

 

স/মিফা