১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চবি উপাচার্যের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সাথে চট্টগ্রামের ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় তারা  বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষক সমিতির আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন।
বুধবার (৩১ জানুয়ারী) বেলা ১টার  দিকে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এই সময় মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টরের কমান্ডার আবুল কদর বলেন, আমরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। মাননীয় উপাচার্যও একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী এবং মেয়ে। আমরা বাহির থেকে যা শুনতেছি তা হলো  বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আন্দোলন করছে কিন্তু তাদের আন্দোলনের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ততা নেই।
আমরা চাচ্ছি উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির সাথে বসে সুরাহা করার জন্য। কিন্তু উপাচার্য বলছেন শিক্ষক সমিতির সাথে একাধিকবার সুরাহা করার জন্য তাদরকে আহ্বান করা হয়েছে কিন্তু তারা কর্ণপাত করেনি। ওরা কি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার জন্য আন্দোলন করতেছে নাকি নিজের এজেন্টা বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করতেছে?
তিনি আরও বলেন উপাচার্যকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উনার সাথে এগুলো করা মানি সরকারের সাথে চ্যালেঞ্জ করা। আমাদের কথা হলো অন্য কোন মানুষের এজেন্টা যেন বাস্তবায়ন করতে না পারে। আমরা নিজেরাও চাই নিরপেক্ষ ও দূর্নীতি মুক্ত প্রশাসন।
উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে বলেন, উপাচার্য এবং আমাকে নিয়োগ দিয়েছে মহামান্য রাষ্ট্রপতি। আমার এমন কোন অথরিটি নেই উনার বিরুদ্ধে কথা বলার। উনার বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কথা বলা।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক সমিতি দাবি করে আমি উপাচার্যের সহযোগী হিসেবে কাজ করছি কিন্তু না! আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছি। উপাচার্য আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি ৭৩ এর এ্যাক্টকে মেনে পালন করেছি। শিক্ষক সমিতি আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তার তালিকা দিক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূরুল আজিম সিকদার, ফলিত রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন
মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টর কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল হক চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজি নুরুল আবছার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.নূরউদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদন চন্দ্র বিশ্বাস প্রমূখ।

চবি উপাচার্যের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ 

আপডেট সময় : ০৩:০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সাথে চট্টগ্রামের ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় তারা  বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষক সমিতির আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন।
বুধবার (৩১ জানুয়ারী) বেলা ১টার  দিকে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এই সময় মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টরের কমান্ডার আবুল কদর বলেন, আমরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। মাননীয় উপাচার্যও একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী এবং মেয়ে। আমরা বাহির থেকে যা শুনতেছি তা হলো  বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আন্দোলন করছে কিন্তু তাদের আন্দোলনের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ততা নেই।
আমরা চাচ্ছি উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির সাথে বসে সুরাহা করার জন্য। কিন্তু উপাচার্য বলছেন শিক্ষক সমিতির সাথে একাধিকবার সুরাহা করার জন্য তাদরকে আহ্বান করা হয়েছে কিন্তু তারা কর্ণপাত করেনি। ওরা কি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার জন্য আন্দোলন করতেছে নাকি নিজের এজেন্টা বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করতেছে?
তিনি আরও বলেন উপাচার্যকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উনার সাথে এগুলো করা মানি সরকারের সাথে চ্যালেঞ্জ করা। আমাদের কথা হলো অন্য কোন মানুষের এজেন্টা যেন বাস্তবায়ন করতে না পারে। আমরা নিজেরাও চাই নিরপেক্ষ ও দূর্নীতি মুক্ত প্রশাসন।
উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে বলেন, উপাচার্য এবং আমাকে নিয়োগ দিয়েছে মহামান্য রাষ্ট্রপতি। আমার এমন কোন অথরিটি নেই উনার বিরুদ্ধে কথা বলার। উনার বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কথা বলা।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক সমিতি দাবি করে আমি উপাচার্যের সহযোগী হিসেবে কাজ করছি কিন্তু না! আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছি। উপাচার্য আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি ৭৩ এর এ্যাক্টকে মেনে পালন করেছি। শিক্ষক সমিতি আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তার তালিকা দিক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূরুল আজিম সিকদার, ফলিত রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন
মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টর কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল হক চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজি নুরুল আবছার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.নূরউদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদন চন্দ্র বিশ্বাস প্রমূখ।