১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভিক্টোরিয়া পার্ক

ভিক্টোরিয়া পার্কটি রাজধানী পুরাতন ঢাকা সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ১৮৫৮ সালে রানী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করার পর এই ময়দানেই এ সংক্রান্ত একটি ঘোষণা পাঠ করে শোনান ঢাকা বিভাগের কমিশনার। সেই থেকে এই স্থানের নামকরণ হয় “ভিক্টোরিয়া পার্ক”। ১৯৫৭ সালের আগে পর্যন্ত পার্কটি ভিক্টোরিয়া পার্ক নামে পরিচিত ছিল।

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।১৯৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।

এই পার্কের স্মৃতিসৌধটি চারটি পিলার এর উপর দাঁড়ানো চারকোনা একটি কাঠামো। উপরে রয়েছে একটি ডোম।

এই বাহাদুর শাহ পার্ক (ভিক্টোরিয়া পার্ক)পার্কটি ব্যবহার করে থাকেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইস্কুল এর শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ এই পার্কটি ব্যবহার করে থাকেন।

যেহেতু ঢাকা শহরের মধ্যে প্রাচীনকাল থেকে সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে এলাকাটা খুবেই গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। এই এলাকার মানুষ এই পার্কটি ব্যবহার করে থাকেন। সদরঘাট এলাকার মধ্যে

অন্যতম একটা জায়গা হলো বাহাদুর শাহ  পার্কটি সাধারণ মানুষদের  কাছে স্বস্তির একটা জায়গা।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ মানুষ পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আড্ডায় থাকে এই বাহাদুর শাহ পার্কটি

(ভিক্টরিয়া পার্ক)।যেহেতু কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। পুরাতন ঢাকা মধ্য ঘনবসতি এলাকা। যেহেতু  ক্যাম্পাস গুলো ছোট্ট  হওয়ার কারণে তাদের নিজস্ব তেমন কোন মাঠ নেই।তাই ক্যাম্পাস গুলো শিক্ষার্থীরাদের বন্ধু-বান্ধব নিয়ে নিজেরদের জীবনের গল্প, পড়া লেখা আলোচনা, গানের আড্ডায় মেতে উঠে। শিক্ষার্থীদের একটা অংশ এই বাহাদুর শাহ পার্ক সময় কাটিয়ে থাকে তাদের বন্ধু বান্ধব নিয়ে। সাধারণ মানুষের একটা স্বস্তির একটা জায়গা হলো পার্কটি। সাধারণ মানুষ নিরাপদে এখানে একটু সুন্দর সময় কাটাতে পারে।

কালের বিবর্তনের হারিয়ে যাচ্ছে এই  ভিক্টরিয়া পার্ক

ইতিহাস ঐতিহ্যের যার কারণে মানুষ এই পার্কটি ব্যবহার করতে অনিরাপদ হয়ে পরেছে। টোকাই,ভিক্ষুক,হকারদের কারণে বিরক্ত বোধ হয়।সম্পাতিক সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত একটা ফুড কোর্ট বসানো হয়েছে। এই পার্কটি পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন না থাকার কারণে মানুষ  ব্যবহার এর অনুপযোগী হয়ে পরেছে।

ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভিক্টোরিয়া পার্ক

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভিক্টোরিয়া পার্কটি রাজধানী পুরাতন ঢাকা সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ১৮৫৮ সালে রানী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করার পর এই ময়দানেই এ সংক্রান্ত একটি ঘোষণা পাঠ করে শোনান ঢাকা বিভাগের কমিশনার। সেই থেকে এই স্থানের নামকরণ হয় “ভিক্টোরিয়া পার্ক”। ১৯৫৭ সালের আগে পর্যন্ত পার্কটি ভিক্টোরিয়া পার্ক নামে পরিচিত ছিল।

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।১৯৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।

এই পার্কের স্মৃতিসৌধটি চারটি পিলার এর উপর দাঁড়ানো চারকোনা একটি কাঠামো। উপরে রয়েছে একটি ডোম।

এই বাহাদুর শাহ পার্ক (ভিক্টোরিয়া পার্ক)পার্কটি ব্যবহার করে থাকেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইস্কুল এর শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ এই পার্কটি ব্যবহার করে থাকেন।

যেহেতু ঢাকা শহরের মধ্যে প্রাচীনকাল থেকে সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে এলাকাটা খুবেই গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। এই এলাকার মানুষ এই পার্কটি ব্যবহার করে থাকেন। সদরঘাট এলাকার মধ্যে

অন্যতম একটা জায়গা হলো বাহাদুর শাহ  পার্কটি সাধারণ মানুষদের  কাছে স্বস্তির একটা জায়গা।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ মানুষ পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আড্ডায় থাকে এই বাহাদুর শাহ পার্কটি

(ভিক্টরিয়া পার্ক)।যেহেতু কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। পুরাতন ঢাকা মধ্য ঘনবসতি এলাকা। যেহেতু  ক্যাম্পাস গুলো ছোট্ট  হওয়ার কারণে তাদের নিজস্ব তেমন কোন মাঠ নেই।তাই ক্যাম্পাস গুলো শিক্ষার্থীরাদের বন্ধু-বান্ধব নিয়ে নিজেরদের জীবনের গল্প, পড়া লেখা আলোচনা, গানের আড্ডায় মেতে উঠে। শিক্ষার্থীদের একটা অংশ এই বাহাদুর শাহ পার্ক সময় কাটিয়ে থাকে তাদের বন্ধু বান্ধব নিয়ে। সাধারণ মানুষের একটা স্বস্তির একটা জায়গা হলো পার্কটি। সাধারণ মানুষ নিরাপদে এখানে একটু সুন্দর সময় কাটাতে পারে।

কালের বিবর্তনের হারিয়ে যাচ্ছে এই  ভিক্টরিয়া পার্ক

ইতিহাস ঐতিহ্যের যার কারণে মানুষ এই পার্কটি ব্যবহার করতে অনিরাপদ হয়ে পরেছে। টোকাই,ভিক্ষুক,হকারদের কারণে বিরক্ত বোধ হয়।সম্পাতিক সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত একটা ফুড কোর্ট বসানো হয়েছে। এই পার্কটি পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন না থাকার কারণে মানুষ  ব্যবহার এর অনুপযোগী হয়ে পরেছে।