১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আরএফএলের ই-বাইক ‘দুরন্ত’ এখন বাজারে

ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে উন্নতমানের ইলেকট্রনিক বাইসাইকেল (ই-বাইক) ক্রেতার হাতে পৌঁছে দিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আরএফএল বাজারে এনেছে ইলেকট্রনিক বাইসাইকেল।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় দেশে প্রথমবারের মতো উৎপাদিত দুরন্ত ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক বাইসাইকেলের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে অবস্থিত আরএফএল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নিজস্ব কারখানায় এ ইলেকট্রনিক বাইসাইকেল উৎপাদন হচ্ছে। কারখানাটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫ হাজার ইউনিট।

অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, ট্র্যাডিশনাল বাইসাইকেল ও মোটরচালিত যানবাহনের চেয়ে ই-বাইক সুবিধাজনক এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে সারা পৃথিবীতে ক্রমাগত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এটি যাতায়াত, বিনোদন ও পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গে পরিণত হচ্ছে, যার ফলে কম শারীরিক পরিশ্রম ও পরিবহন খরচে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, পরিবহনের একটি টেকসই মাধ্যম হিসেবে অনেক দেশে ই-বাইকের ব্যবহার উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটিকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অনুষঙ্গ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা হ্রাসের অংশ হিসেবেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেরিতে হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং দেশের শহরাঞ্চলে ই-বাইক ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আর এন পাল বলেন, এসব প্রেক্ষাপট সামনে রেখে আরএফএল ই-বাইক ব্যবসা শুরু করলো। মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে উন্নতমানের পরিবেশবান্ধব এ পণ্য পৌঁছে দেওয়াই এ ব্যবসায়ে আসার প্রধান উদ্দেশ্য। আশা করছি, ক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা ব্যাপক সাড়া পাবো। এছাড়া দেশের চাহিদা মিটিয়ে ই-বাইক রপ্তানি করার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।

রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, দুরন্ত ই-বাইকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ বাইকে ৩৬ ভোল্টের লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা আমাদের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত। দুরন্ত ই-বাইক ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে। একবার চার্জ দিয়ে অনায়াসেই ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত চলা যাবে। ফুল চার্জ হতে সময় লাগবে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।

তিনি আরও বলেন, দুরন্ত ই-বাইক কিনলে ক্রেতারা বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশের জন্য ৬ মাসের ওয়ারেন্টি পাবেন। এছাড়া প্রথম ৬ মাসে একজন ক্রেতা চারবার ফ্রি সার্ভিসিং সুবিধা পাবেন।

শুরুর দিকে দুরন্ত ই-রাইডার ১০১ এবং দুরন্ত ই-রাইডার ২০১ নামে দুই মডেলের ই-বাইক বাজারে পাওয়া যাবে। দুরন্ত ই-রাইডার ১০১ মডেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে ৪২ হাজার টাকা এবং দুরন্ত ই-রাইডার ২০১ মডেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৫৫ হাজার টাকা। দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি ও অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে সারাদেশে দুরন্ত ই-বাইক পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং শরীফুল ইসলাম ও ব্র্যান্ড ম্যানেজার খন্দকার আরিফ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

স/ম

আরএফএলের ই-বাইক ‘দুরন্ত’ এখন বাজারে

আপডেট সময় : ০১:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে উন্নতমানের ইলেকট্রনিক বাইসাইকেল (ই-বাইক) ক্রেতার হাতে পৌঁছে দিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আরএফএল বাজারে এনেছে ইলেকট্রনিক বাইসাইকেল।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় দেশে প্রথমবারের মতো উৎপাদিত দুরন্ত ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক বাইসাইকেলের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে অবস্থিত আরএফএল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নিজস্ব কারখানায় এ ইলেকট্রনিক বাইসাইকেল উৎপাদন হচ্ছে। কারখানাটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫ হাজার ইউনিট।

অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, ট্র্যাডিশনাল বাইসাইকেল ও মোটরচালিত যানবাহনের চেয়ে ই-বাইক সুবিধাজনক এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে সারা পৃথিবীতে ক্রমাগত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এটি যাতায়াত, বিনোদন ও পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গে পরিণত হচ্ছে, যার ফলে কম শারীরিক পরিশ্রম ও পরিবহন খরচে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, পরিবহনের একটি টেকসই মাধ্যম হিসেবে অনেক দেশে ই-বাইকের ব্যবহার উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটিকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অনুষঙ্গ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা হ্রাসের অংশ হিসেবেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেরিতে হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং দেশের শহরাঞ্চলে ই-বাইক ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আর এন পাল বলেন, এসব প্রেক্ষাপট সামনে রেখে আরএফএল ই-বাইক ব্যবসা শুরু করলো। মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে উন্নতমানের পরিবেশবান্ধব এ পণ্য পৌঁছে দেওয়াই এ ব্যবসায়ে আসার প্রধান উদ্দেশ্য। আশা করছি, ক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা ব্যাপক সাড়া পাবো। এছাড়া দেশের চাহিদা মিটিয়ে ই-বাইক রপ্তানি করার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।

রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, দুরন্ত ই-বাইকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ বাইকে ৩৬ ভোল্টের লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা আমাদের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত। দুরন্ত ই-বাইক ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে। একবার চার্জ দিয়ে অনায়াসেই ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত চলা যাবে। ফুল চার্জ হতে সময় লাগবে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।

তিনি আরও বলেন, দুরন্ত ই-বাইক কিনলে ক্রেতারা বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশের জন্য ৬ মাসের ওয়ারেন্টি পাবেন। এছাড়া প্রথম ৬ মাসে একজন ক্রেতা চারবার ফ্রি সার্ভিসিং সুবিধা পাবেন।

শুরুর দিকে দুরন্ত ই-রাইডার ১০১ এবং দুরন্ত ই-রাইডার ২০১ নামে দুই মডেলের ই-বাইক বাজারে পাওয়া যাবে। দুরন্ত ই-রাইডার ১০১ মডেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে ৪২ হাজার টাকা এবং দুরন্ত ই-রাইডার ২০১ মডেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৫৫ হাজার টাকা। দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি ও অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে সারাদেশে দুরন্ত ই-বাইক পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং শরীফুল ইসলাম ও ব্র্যান্ড ম্যানেজার খন্দকার আরিফ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

স/ম