সীমান্ত শান্ত হলেও জনমনে রয়েছে ভয় কাটেনি আতঙ্ক।
উপজেলার ঘুমধুম ইউপির তুমব্রু এলাকা থেকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া অবিস্ফোরিত আরও একটি মর্টার শেল উদ্ধার করেছে বিজিবি।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়া থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মর্টার শেলটি গত শুক্রবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর ও বিজিবির বোমা বিশেষজ্ঞ দল এসে উক্ত রকেট লাঞ্চারটি সফলতার সাথে নিষ্ক্রিয় করেছে।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্তের নাফনদীর ওপারে আবারও শোনা গেছে গুলি ও মর্টারশেলের বিকট আওয়াজ। তবে ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে নতুন করে কোনো গোলাগুলি শব্দ শোনা যায়নি।
এদিকে এস এস সি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে নতুন করে দেখা দিয়েছে উৎকন্ঠা।১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে ধোঁয়াশায় পড়ে ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকরা। আর ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সর্বদক্ষিণের সীমান্ত ঘেঁষা ৩১ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে। ওই কেন্দ্রের সচিব ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাইরুল বশর বলেন, কেন্দ্রেটিতে পরীক্ষার্থী সংখ্যা মোট ৫০২ জন। আর এই কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়-পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬৪ জন। কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয় ২৩৩ জন আর বালুখালী কাশেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৫ জন।
এমন অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারকে এই এলাকায় খুবই সতর্কতার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
বিজিবি’র হোয়াইক্যং বিওপির কোম্পানি কমান্ডার আবু জানান, গোলাগুলির শব্দ ও কয়েকটি বুলেট এপারে এসেছে বলে শুনেছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।





















