০৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়ে না দেওয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা!

কুষ্টিয়ায় বিয়ে না দেওয়ায় আশিক (১৭) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে। আজ সোমবার সকালের দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এ কিশোর। আশিক সদর উপজেলার নগর মোহাম্মদপুরের আব্বাস আলীর ছেলে।
অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, নিহত কিশোর কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ গ্রামে একটি মোটর গ্যারেজ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। গত কয়েকদিন ধরে পরিবারের সদস্যকে তার বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তার বয়স অল্প হওয়ার কারণে কিছুদিন পরে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে সে রাগান্তিত হয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ৭ তার কর্মস্থল শিলাইদহে ঘাস মারা বিষ পান করে। পরে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় স্থানীয় লোকজন তার পরিবারকে খবর দেয় এবং রাতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে দায়িত্ব চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা শেষে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। ঐ কিশোরের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হলে গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। পরেরদিন (শনিবার) তার অবস্থা পুনরায় খারাপের দিকে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালের দিকে সে মারা যায়।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই) হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় কিশোরের মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কমিশনার সংকটে বেরোবির প্রথম ব্রাকসু নির্বাচনে অনিশ্চয়তা

বিয়ে না দেওয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা!

আপডেট সময় : ০৬:১৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
কুষ্টিয়ায় বিয়ে না দেওয়ায় আশিক (১৭) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে। আজ সোমবার সকালের দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এ কিশোর। আশিক সদর উপজেলার নগর মোহাম্মদপুরের আব্বাস আলীর ছেলে।
অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, নিহত কিশোর কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ গ্রামে একটি মোটর গ্যারেজ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। গত কয়েকদিন ধরে পরিবারের সদস্যকে তার বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তার বয়স অল্প হওয়ার কারণে কিছুদিন পরে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে সে রাগান্তিত হয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ৭ তার কর্মস্থল শিলাইদহে ঘাস মারা বিষ পান করে। পরে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় স্থানীয় লোকজন তার পরিবারকে খবর দেয় এবং রাতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে দায়িত্ব চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা শেষে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। ঐ কিশোরের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হলে গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। পরেরদিন (শনিবার) তার অবস্থা পুনরায় খারাপের দিকে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালের দিকে সে মারা যায়।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই) হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় কিশোরের মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।