০৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পোড়া চিনিতে

এস আলম সুগার মিলের আগুনে পুড়ে যাওয়া চিনি ও কেমিক্যাল নালা দিয়ে সরাসরি ফেলা হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এর ফলে বিষক্রিয়ায় মারা যাচ্ছে কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। কর্ণফুলী নদীর পানির কালার তামাটে হয়ে গেছে। যেসব এলাকায় পোড়া চিনি, কেমিক্যাল নদীতে ফেলা হয়েছে, সেইসব এলাকায় মাছ মরে যাচ্ছে।

গতকাল বুধবার (৬ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ইছানগর কর্ণফুলী নদীর বাংলাবাজার ঘাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এতে করে নদীর পানি তামাটে রং ধারণ করেছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, কারখানার বর্জ্যগুলো একই কারাখানার সীমানা প্রাচীরের (দেওয়াল) বিভিন্ন ফুটো দিয়ে সরাসরি রাস্তার নালা দিয়ে যাচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এতে নদীর পানির রং পরিবর্তনের পাশাপাশি মারা যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়াসহ নানা ধরনের জলজ প্রাণী।

স্থানীয় জেলেরা জানান, গতরাত থেকে নদীতে মরা মাছ ভেসে আসছে। এছাড়া নানা জাতের মাছ কূলে আসছে, এলাকার মানুষ তা সংগ্রহ করছে। জসিম উদ্দিন নামের এক জেলে জানান, নদীতে মাছ ভেসে আসার খবরে এখানে এসেছি। এখানে কেউ জাল দিয়ে আবার কেউ হাতেই মাছ ধরছে। চিনি কলের বর্জ্যে নদীর পানির রং নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক মাছ এরই মধ্যেই মারা গেছে। কিছু দুর্বল হয়ে জালে আসছে।আরেক জেলে মো. ফোরকান জানান, নদীতে মাছ ধরতে এসেছি। কেমিক্যালের কারণে মাছ মারা যাচ্ছে শুনে নদীতে আসা। অনেকেই মাছ ধরছে নদীতে। এক ঘণ্টায় এক কেজির কাছাকাছি মাছ পেয়েছি। মাছ পেয়ে আমরা খুশি।

এই বিষয়ে কর্ণফুলী উপজেলা মৎস্য অফিসার স্বপন চন্দ্র দে বলেন, আমি যা দেখেছি অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে মাছগুলো মারা যাচ্ছে। মাছ গুলো খাওয়া যাবে কিনা এই মূহুর্তে পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। এদিকে বুধবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে এস আলমের চিনি কলে সাংবাদিকদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগ, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে তিন আসামি গ্রেপ্তার

পোড়া চিনিতে

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

এস আলম সুগার মিলের আগুনে পুড়ে যাওয়া চিনি ও কেমিক্যাল নালা দিয়ে সরাসরি ফেলা হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এর ফলে বিষক্রিয়ায় মারা যাচ্ছে কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। কর্ণফুলী নদীর পানির কালার তামাটে হয়ে গেছে। যেসব এলাকায় পোড়া চিনি, কেমিক্যাল নদীতে ফেলা হয়েছে, সেইসব এলাকায় মাছ মরে যাচ্ছে।

গতকাল বুধবার (৬ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ইছানগর কর্ণফুলী নদীর বাংলাবাজার ঘাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এতে করে নদীর পানি তামাটে রং ধারণ করেছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, কারখানার বর্জ্যগুলো একই কারাখানার সীমানা প্রাচীরের (দেওয়াল) বিভিন্ন ফুটো দিয়ে সরাসরি রাস্তার নালা দিয়ে যাচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এতে নদীর পানির রং পরিবর্তনের পাশাপাশি মারা যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়াসহ নানা ধরনের জলজ প্রাণী।

স্থানীয় জেলেরা জানান, গতরাত থেকে নদীতে মরা মাছ ভেসে আসছে। এছাড়া নানা জাতের মাছ কূলে আসছে, এলাকার মানুষ তা সংগ্রহ করছে। জসিম উদ্দিন নামের এক জেলে জানান, নদীতে মাছ ভেসে আসার খবরে এখানে এসেছি। এখানে কেউ জাল দিয়ে আবার কেউ হাতেই মাছ ধরছে। চিনি কলের বর্জ্যে নদীর পানির রং নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক মাছ এরই মধ্যেই মারা গেছে। কিছু দুর্বল হয়ে জালে আসছে।আরেক জেলে মো. ফোরকান জানান, নদীতে মাছ ধরতে এসেছি। কেমিক্যালের কারণে মাছ মারা যাচ্ছে শুনে নদীতে আসা। অনেকেই মাছ ধরছে নদীতে। এক ঘণ্টায় এক কেজির কাছাকাছি মাছ পেয়েছি। মাছ পেয়ে আমরা খুশি।

এই বিষয়ে কর্ণফুলী উপজেলা মৎস্য অফিসার স্বপন চন্দ্র দে বলেন, আমি যা দেখেছি অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে মাছগুলো মারা যাচ্ছে। মাছ গুলো খাওয়া যাবে কিনা এই মূহুর্তে পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। এদিকে বুধবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে এস আলমের চিনি কলে সাংবাদিকদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।