ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচিত সেই মিজানুর রহমান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর প্রার্থিতাও বহাল থাকলো।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে এমন রায় দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ঢাকা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেছিলেন, দৈবচয়নের ভিত্তিতে তারা যে ১০ জন ভোটারের তথ্য যাচাই-বাছাই করেন, তার মধ্যে ছয় জনের ঠিকানা সঠিক পাওয়া যায়নি এবং চারজনের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে মাত্র একজনকে ভেরিফাই করতে পেরেছেন। আমরা তাদের খুঁজে না পাওয়া প্রত্যেককেই সশরীরে হাজির করেছি এবং এফিডেভিট দিয়ে বলেছি যে তারা আসলে তাকে সমর্থন দিয়েছেন। তার প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। এটা শুনে কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
এর ফলে তার নির্বাচন করতে কোনো রকমের বাধা নেই।
প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে মিজানুর রহমান বলেন, এখনো সমাজ থেকে ভয় ডর কেটে যায় নাই। মানুষের মধ্যে এক ধরনের উৎসাহ যেমন পেয়েছি আবার এটাও সত্য নির্বাচনে মানুষের মধ্যে অনীহা কাজ করছে। কেন কাজ করছে সেটা আমরা বুঝতে পারছি না।
তবে আমরা নির্বাচনে আসছি ঢাকা-৪ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নত করার আশায়। আমরা মাঠে নেমেছি, আপনাদের সবার সহায়তা এবং শুভকামনা প্রত্যাশা করছি।
২০১৯ সালে ওয়াসার তৎকালীন এমডিকে শরবত খাওয়ানোর জন্য ওয়াসার পানি নিয়ে কারওয়ান বাজারে তার দপ্তরে এসে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন মিজানুর রহমান।
এদিকে টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনটি খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। ফলে তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে কোনো বাধা নেই।
তার মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে আপিল করেছিলেন একই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী।
নিষিদ্ধ দলের (আওয়ামী লীগ) নেতা হওয়ায় তিনি ভোটে অংশ নিতে পারেন না বলে লিয়াকত আলীর আইনজীবী যুক্তি দেখালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, দল নিষিদ্ধ, ব্যক্তিতো আর নিষিদ্ধ নয়। এরপর তার মনোনয়নপত্র বহাল রাখে কমিশন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এমআর/সবা


























