০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষনার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে রূপগঞ্জের শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় প্রধান আসামী গ্রেফতার

র‍্যাব-১১, সিপিএসসি কোম্পানী, রূপগঞ্জ থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত প্রধান আসামী শাহিন (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব-১১)। বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১১’র আদমজীনগর সদর দপ্তরের মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়া জানান, শাহীনকে রূপগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০১৮ সালের শিশু জয়ন্তকে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসামিরা। শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০) রূপগঞ্জের বানিয়াদি এলাকার চৈতন্য চন্দ্র দাসের ছেলে। সে স্থানীয় শিশু মেলা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। ২০১৮ সালের ৬ই জুন মুক্তিপণের ৫ লাখ টাকা না পেয়ে শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০)কে শ্বাসরোধে হত্যা করে অপহরণকারীরা। অপহরণের পরদিন ৬ই জুন উপজেলার বানিয়াদি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় জয়ন্তের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এই ঘটনায় শিশু জয়ন্তোর বাবা চৈতন্য চন্দ্র দাস বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় একজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামী শাহিন (৩০) সহ বাকি দুই আসামী পলাতক ছিলো। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলো রূপগঞ্জের মঙ্গলকালী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে শাহীন (৩০), বলাইনগর এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে আলমগীর (২৭), বনিয়াদি এলাকার রাজকুমারের ছেলে অনিক চন্দ্র দাস (২৭) ও একই এলাকার সন্তোষ চন্দ্র দাসের ছেলে আশিক চন্দ্র দাস (৩০)। এদের মধ্যে অনিক চন্দ্র দাস রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলো।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরো জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক প্রধান আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সাথে তার অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাকত প্রধান আসামী শাহিন (৩০)কে সনাক্ত ও তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রূপগঞ্জ থানা এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষনার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে রূপগঞ্জের শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় প্রধান আসামী গ্রেফতার  স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
র‍্যাব-১১, সিপিএসসি কোম্পানী, রূপগঞ্জ থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত প্রধান আসামী শাহিন (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব-১১)। বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১১’র আদমজীনগর সদর দপ্তরের মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়া জানান, শাহীনকে রূপগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০১৮ সালের শিশু জয়ন্তকে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসামিরা। শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০) রূপগঞ্জের বানিয়াদি এলাকার চৈতন্য চন্দ্র দাসের ছেলে। সে স্থানীয় শিশু মেলা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। ২০১৮ সালের ৬ই জুন মুক্তিপণের ৫ লাখ টাকা না পেয়ে শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০)কে শ্বাসরোধে হত্যা করে অপহরণকারীরা। অপহরণের পরদিন ৬ই জুন উপজেলার বানিয়াদি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় জয়ন্তের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এই ঘটনায় শিশু জয়ন্তোর বাবা চৈতন্য চন্দ্র দাস বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় একজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামী শাহিন (৩০) সহ বাকি দুই আসামী পলাতক ছিলো। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলো রূপগঞ্জের মঙ্গলকালী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে শাহীন (৩০), বলাইনগর এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে আলমগীর (২৭), বনিয়াদি এলাকার রাজকুমারের ছেলে অনিক চন্দ্র দাস (২৭) ও একই এলাকার সন্তোষ চন্দ্র দাসের ছেলে আশিক চন্দ্র দাস (৩০)। এদের মধ্যে অনিক চন্দ্র দাস রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলো।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরো জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক প্রধান আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সাথে তার অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাকত প্রধান আসামী শাহিন (৩০)কে সনাক্ত ও তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রূপগঞ্জ থানা এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষনার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে রূপগঞ্জের শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় প্রধান আসামী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

র‍্যাব-১১, সিপিএসসি কোম্পানী, রূপগঞ্জ থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত প্রধান আসামী শাহিন (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব-১১)। বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১১’র আদমজীনগর সদর দপ্তরের মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়া জানান, শাহীনকে রূপগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০১৮ সালের শিশু জয়ন্তকে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসামিরা। শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০) রূপগঞ্জের বানিয়াদি এলাকার চৈতন্য চন্দ্র দাসের ছেলে। সে স্থানীয় শিশু মেলা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। ২০১৮ সালের ৬ই জুন মুক্তিপণের ৫ লাখ টাকা না পেয়ে শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০)কে শ্বাসরোধে হত্যা করে অপহরণকারীরা। অপহরণের পরদিন ৬ই জুন উপজেলার বানিয়াদি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় জয়ন্তের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এই ঘটনায় শিশু জয়ন্তোর বাবা চৈতন্য চন্দ্র দাস বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় একজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামী শাহিন (৩০) সহ বাকি দুই আসামী পলাতক ছিলো। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলো রূপগঞ্জের মঙ্গলকালী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে শাহীন (৩০), বলাইনগর এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে আলমগীর (২৭), বনিয়াদি এলাকার রাজকুমারের ছেলে অনিক চন্দ্র দাস (২৭) ও একই এলাকার সন্তোষ চন্দ্র দাসের ছেলে আশিক চন্দ্র দাস (৩০)। এদের মধ্যে অনিক চন্দ্র দাস রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলো।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরো জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক প্রধান আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সাথে তার অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাকত প্রধান আসামী শাহিন (৩০)কে সনাক্ত ও তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রূপগঞ্জ থানা এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষনার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে রূপগঞ্জের শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় প্রধান আসামী গ্রেফতার  স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
র‍্যাব-১১, সিপিএসসি কোম্পানী, রূপগঞ্জ থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু জয়ন্ত হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত প্রধান আসামী শাহিন (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব-১১)। বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১১’র আদমজীনগর সদর দপ্তরের মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়া জানান, শাহীনকে রূপগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০১৮ সালের শিশু জয়ন্তকে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসামিরা। শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০) রূপগঞ্জের বানিয়াদি এলাকার চৈতন্য চন্দ্র দাসের ছেলে। সে স্থানীয় শিশু মেলা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। ২০১৮ সালের ৬ই জুন মুক্তিপণের ৫ লাখ টাকা না পেয়ে শিশু জয়ন্ত চন্দ্র দাস (১০)কে শ্বাসরোধে হত্যা করে অপহরণকারীরা। অপহরণের পরদিন ৬ই জুন উপজেলার বানিয়াদি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় জয়ন্তের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এই ঘটনায় শিশু জয়ন্তোর বাবা চৈতন্য চন্দ্র দাস বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় একজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামী শাহিন (৩০) সহ বাকি দুই আসামী পলাতক ছিলো। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলো রূপগঞ্জের মঙ্গলকালী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে শাহীন (৩০), বলাইনগর এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে আলমগীর (২৭), বনিয়াদি এলাকার রাজকুমারের ছেলে অনিক চন্দ্র দাস (২৭) ও একই এলাকার সন্তোষ চন্দ্র দাসের ছেলে আশিক চন্দ্র দাস (৩০)। এদের মধ্যে অনিক চন্দ্র দাস রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলো।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরো জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক প্রধান আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সাথে তার অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডে জড়িত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাকত প্রধান আসামী শাহিন (৩০)কে সনাক্ত ও তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রূপগঞ্জ থানা এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।