০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বেরোবির সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে, সমালোচনার ঝড় 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের সংগঠন সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদ একটি সাম্প্রদায়িক ও বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।
ওই ব্যানার সহ পোস্টে লেখা হয়, আপনার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে এবং নিজেকে চিন্তা মুক্ত রাখতে অবশ্যই সনাতনী টিউটর দিন। নিজে নিশ্চিন্তে থাকুন,সন্তানকে নিরাপদে রাখুন।  ব্যানারে লেখা হয়,এসো ঋত-ঋদির পথে রংপুরে সবর্ত্র বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় শিক্ষায় বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ সনাতনী গৃহ শিক্ষক-শিক্ষিকা দিচ্ছি, নিচ্ছি।
মোঃ হাফিজ নামে এক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন,একটি দল দিল্লির রাজত্ব কায়েম করতে বদ্ধপরিকর, আর একটি দল মনে মনে আফগানিস্তান হতে বদ্ধ পরিকর।
মাঝখানে আমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। নিজ দেশ, নিজ সংস্কৃতি,নিজেদের চিন্তা ভাবনা ভুলে অন্যের গোলামিকে আমরা বেশি প্রাধন্য দিচ্চি।।যা আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করসে এবং এর ভবিষ্যত সূদুর অন্ধকার।
নোমান মাহমুদ সুইট নামে আরেক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ কে একটি পরিচ্ছন্ন ধর্মীয় সংগঠন বলে জানতাম।নেতৃত্বে সংকীর্ণ মানসিকতার মানুষ প্রবেশ করেছে হয়তো।আমরা ধর্মের অজুহাতে মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি করে ফেলছি!
তারেকুল ইসলাম নামে আরেক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, কোন ব্যক্তি পোস্ট করলেও ভাবতাম যে না বুঝার ফলে ভুল করেছে। কোন সংগঠনের ব্যানারে যখন এমন সাম্প্রদায়িকতা ফুটে ওঠে তাতে মনে নানা প্রশ্ন জাগে যে আসলে তাদের মতলব টা কি!!! এই প্রশ্নের উত্তর কারো জানা থাকলে জানাবেন।
সনাতনী শিক্ষার্থী সূর্য মহন রায় মন্তব্য করেন,সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদ,বেরোবি কখনো এমন ভাবধারা বহন করে না ,শুধু বেরোবির শাখাটি নয় ,কোনো শাখা এমন ভাবধারা বহন করে না। যে এই পোস্টটি সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ এর পেজ থেকে করেছে  ,সেটা তার অজ্ঞতা বা সবিস সম্পর্কে ভুল ধারণার ফল ,  তাই অনুরোধ করবো আপনারা এটার জন্য পুরো সংগঠনকে সরাসরি দায়ী করবেন না।
আকাশ রায় নামে আরেক সনাতনী শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন,সংগঠনের  সমস্যা নাই। সমস্যা হলো নেতৃত্ব প্রদানকারীর!
অনুরক্ত রয় নামে আরেক সনাতনী শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, সনাতনী শিক্ষক/ শিক্ষিকা এই পর্যন্ত ঠিক আছে  কিন্তু সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে সনাতনী হতে হবে এইরকম সাম্প্রদায়িক কৌশল মাথায় আসে কিভাবে।।
সভাপতি পপ্পু বলেন,আমাদের ফেসবুক পেইজের এডমিন থাক এক ছোট ভাই ভুলবশত পোস্টটি করেছে। আমাদের নেত্রী স্থানীয় বর্গদের চোখে পোস্টটি পড়ার পর আমরা তা সরিয়ে নি। আমরা শীঘ্রই প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দিব।
জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবির সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে, সমালোচনার ঝড় 

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের সংগঠন সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদ একটি সাম্প্রদায়িক ও বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।
ওই ব্যানার সহ পোস্টে লেখা হয়, আপনার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে এবং নিজেকে চিন্তা মুক্ত রাখতে অবশ্যই সনাতনী টিউটর দিন। নিজে নিশ্চিন্তে থাকুন,সন্তানকে নিরাপদে রাখুন।  ব্যানারে লেখা হয়,এসো ঋত-ঋদির পথে রংপুরে সবর্ত্র বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় শিক্ষায় বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ সনাতনী গৃহ শিক্ষক-শিক্ষিকা দিচ্ছি, নিচ্ছি।
মোঃ হাফিজ নামে এক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন,একটি দল দিল্লির রাজত্ব কায়েম করতে বদ্ধপরিকর, আর একটি দল মনে মনে আফগানিস্তান হতে বদ্ধ পরিকর।
মাঝখানে আমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। নিজ দেশ, নিজ সংস্কৃতি,নিজেদের চিন্তা ভাবনা ভুলে অন্যের গোলামিকে আমরা বেশি প্রাধন্য দিচ্চি।।যা আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করসে এবং এর ভবিষ্যত সূদুর অন্ধকার।
নোমান মাহমুদ সুইট নামে আরেক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ কে একটি পরিচ্ছন্ন ধর্মীয় সংগঠন বলে জানতাম।নেতৃত্বে সংকীর্ণ মানসিকতার মানুষ প্রবেশ করেছে হয়তো।আমরা ধর্মের অজুহাতে মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি করে ফেলছি!
তারেকুল ইসলাম নামে আরেক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, কোন ব্যক্তি পোস্ট করলেও ভাবতাম যে না বুঝার ফলে ভুল করেছে। কোন সংগঠনের ব্যানারে যখন এমন সাম্প্রদায়িকতা ফুটে ওঠে তাতে মনে নানা প্রশ্ন জাগে যে আসলে তাদের মতলব টা কি!!! এই প্রশ্নের উত্তর কারো জানা থাকলে জানাবেন।
সনাতনী শিক্ষার্থী সূর্য মহন রায় মন্তব্য করেন,সনাতনী বিদ্যার্থী সংসদ,বেরোবি কখনো এমন ভাবধারা বহন করে না ,শুধু বেরোবির শাখাটি নয় ,কোনো শাখা এমন ভাবধারা বহন করে না। যে এই পোস্টটি সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ এর পেজ থেকে করেছে  ,সেটা তার অজ্ঞতা বা সবিস সম্পর্কে ভুল ধারণার ফল ,  তাই অনুরোধ করবো আপনারা এটার জন্য পুরো সংগঠনকে সরাসরি দায়ী করবেন না।
আকাশ রায় নামে আরেক সনাতনী শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন,সংগঠনের  সমস্যা নাই। সমস্যা হলো নেতৃত্ব প্রদানকারীর!
অনুরক্ত রয় নামে আরেক সনাতনী শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, সনাতনী শিক্ষক/ শিক্ষিকা এই পর্যন্ত ঠিক আছে  কিন্তু সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে সনাতনী হতে হবে এইরকম সাম্প্রদায়িক কৌশল মাথায় আসে কিভাবে।।
সভাপতি পপ্পু বলেন,আমাদের ফেসবুক পেইজের এডমিন থাক এক ছোট ভাই ভুলবশত পোস্টটি করেছে। আমাদের নেত্রী স্থানীয় বর্গদের চোখে পোস্টটি পড়ার পর আমরা তা সরিয়ে নি। আমরা শীঘ্রই প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দিব।