০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

 

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে লঞ্চ যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার। উচ্ছেদকৃত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩টি খাবার হোটেল, কনফেশনারী, মুদি দোকানসহ ৩০টি স্থাপনা।
এর আগে চাঁদপুর আধুনিক নৌবন্দর নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পূর্বে লঞ্চঘাটে এলোমেলোভাবে গড়ে ওঠা  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্ছেদ করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণের অর্থ দেয়া হয়। এরপরেও এসব ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে লঞ্চঘাটের আশপাশে জায়গা দখল করে খাবারের একাধিক দোকান গড়ে তুলে
ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. শাহদাত হোসেন বলেন, ৬৮ শতাংশ সম্পত্তির উপর ৩০ টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি পাকা স্থাপনা রয়েছে। বন্দরের সম্পত্তিতে কোন অবৈধ স্থাপনা থাকবে না। পর্যায়ক্রমে সবগুলো উচ্ছেদ করা হবে। নির্মাণাধীন আধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল ভবন নির্মাণ কাজের সুবিধার্থে এবং  ঈদ যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আমাদের এই উচ্ছেদ অভিযান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

 

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে লঞ্চ যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার। উচ্ছেদকৃত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩টি খাবার হোটেল, কনফেশনারী, মুদি দোকানসহ ৩০টি স্থাপনা।
এর আগে চাঁদপুর আধুনিক নৌবন্দর নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পূর্বে লঞ্চঘাটে এলোমেলোভাবে গড়ে ওঠা  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্ছেদ করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণের অর্থ দেয়া হয়। এরপরেও এসব ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে লঞ্চঘাটের আশপাশে জায়গা দখল করে খাবারের একাধিক দোকান গড়ে তুলে
ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. শাহদাত হোসেন বলেন, ৬৮ শতাংশ সম্পত্তির উপর ৩০ টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি পাকা স্থাপনা রয়েছে। বন্দরের সম্পত্তিতে কোন অবৈধ স্থাপনা থাকবে না। পর্যায়ক্রমে সবগুলো উচ্ছেদ করা হবে। নির্মাণাধীন আধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল ভবন নির্মাণ কাজের সুবিধার্থে এবং  ঈদ যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আমাদের এই উচ্ছেদ অভিযান।