০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মসজিদসহ বিভিন্ন ভবনে হামলায় নিহত ৭১

⏺ শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা পেন্টাগনের
⏺ ইসরাইলকে ফের অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
⏺ আরব রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে : বাইডেন
⏺ইসরাইলের ওপর যুদ্ধবিরতির চাপ দিচ্ছে তুরস্ক : এরদোগান

 

 

 

 

 

গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত বর্বর হামলায় আরো ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১১২ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের হামলা থেকে আবাসিক ভবন ও মসজিদসহ কিছুই বাদ যাচ্ছে না। এ নিয়ে উপত্যকাটিতে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩২ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার শিশু এবং নয় হাজার নারী রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আট হাজারের বেশি শিশু এবং ছয় হাজারের বেশি নারীসহ কমপক্ষে ৭৫ হাজার ৯২ জন ফিলিস্তিনি। তাদের মধ্যে প্রায় ১১ হাজার মানুষের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

 

 

 

 

গাজার পার্শ্ববর্তী এলাকা সুজাইয়ার একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজা উপত্যকা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, পুলিশ স্টেশনে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলের এই অপরাধের জন্য আমরা মার্কিন প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়ী করছি। গাজার উপত্যকার স্পোর্টস সেন্টারে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের কাছে অবস্থিত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস মসজিদে বোমা হামলায় অনেকে নিহত হয়েছে। এখনো অনেক ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছে। ইসরায়েলের অবিরত বিমান ও স্থল হামলার কারণে অনেক জায়গায় অ্যাম্বুলেন্সগুলো পৌঁছাতে না পারায় এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ রয়েছে বলেও জানায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রায় ছয় মাস ধরে ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে, যা গত ৭৫ বছরে ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক সংঘর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। জাতিসংঘের মতে, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা ইসরায়েলি আক্রমণে বাস্তুচ্যুত এবং তাদের সকলেই খাদ্য নিরাপত্তাহীন। অন্যদিকে গাজায় ত্রাণ সরবরাহ কমেছে প্রায় অর্ধেক।

 

 

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। বাইডেন আবারও গাজা যুদ্ধপরবর্তী পরিকল্পনার কথা বলেন। তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ওপর জোর দেন। বাইডেন গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার ওপর জোর দেন। বাইডেন বলেন, আমি বিস্তারিত বলব না, তবে আমি সৌদি আরব এবং অন্যদের সঙ্গে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করছি। হয়ত এই ঘটনা আজকেই ঘটবে না। তবে এক্ষেত্রে অনেক আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন এ কথা বললেও ইসরায়েল এই প্রস্তাবে রাজি হবে কি না সেটাই দেখার বিষয়। কারণ ২০০২ সাল থেকেই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা আছে।

 

 

অন্যদিকে গত শুক্রবার ইস্তানবুলের সানকাকটেপে জেলায় এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে চলার জন্য ইসরাইলকে চাপ দেওয়ার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে তুরস্ক। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তের’ পর আমরা ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাধীনতা ও দখলকৃত ভূমি পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত আমরা থামব না। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিজেদের সামর্থের মধ্যে তুরস্ক সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

 

 

 

 

এদিকে গাজায় একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিকল্পনায় এখনই গাজায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং পেন্টাগন একটি বহুজাতিক বা ফিলিস্তিনি শান্তিরক্ষা মিশনের সম্ভাবনার দিকে নজর দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পেন্টাগনের সংশ্লিষ্ট চার কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পলিটিকো নিউজ।
গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা আলোচনার কথা স্বীকার করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সংকট কেটে গেলে গাজায় অন্তর্বর্তীকালীন শাসন ও নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি।

 

 

অন্যদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা অব্যাহত রাখতে দখলদার ইসরাইলকে আবারও অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই প্যাকেজে দুই হাজার পাউন্ডের বেশি বোমা ও ২৫টি এফ-থার্টি ফাইভ/এ যুদ্ধবিমান সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। তবে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে হোয়াইট হাউস এবং ওয়াশিংটনে ইসরাইলি দূতাবাস। এদিকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার অন্তত কিছু এলাকায় দুর্ভিক্ষ চলছে বলে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ইসরাইলি অবরোধের কারণে ত্রাণ বাহিনী ট্রাকের প্রবেশে বাধা ঘনবসতিপূর্ণ ছিটমহলে আরো সাহায্য পাওয়ার ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। আমরা যেমন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় দুর্ভিক্ষের চরম ঝুঁকি রয়েছে। উত্তর গাজায় এর ঝুঁকি ও উপস্থিতি উভয়ই রয়েছে। সম্ভবত অন্তত কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদসহ বিভিন্ন ভবনে হামলায় নিহত ৭১

আপডেট সময় : ০৭:২০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

⏺ শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা পেন্টাগনের
⏺ ইসরাইলকে ফের অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
⏺ আরব রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে : বাইডেন
⏺ইসরাইলের ওপর যুদ্ধবিরতির চাপ দিচ্ছে তুরস্ক : এরদোগান

 

 

 

 

 

গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত বর্বর হামলায় আরো ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১১২ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের হামলা থেকে আবাসিক ভবন ও মসজিদসহ কিছুই বাদ যাচ্ছে না। এ নিয়ে উপত্যকাটিতে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩২ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার শিশু এবং নয় হাজার নারী রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আট হাজারের বেশি শিশু এবং ছয় হাজারের বেশি নারীসহ কমপক্ষে ৭৫ হাজার ৯২ জন ফিলিস্তিনি। তাদের মধ্যে প্রায় ১১ হাজার মানুষের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

 

 

 

 

গাজার পার্শ্ববর্তী এলাকা সুজাইয়ার একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজা উপত্যকা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, পুলিশ স্টেশনে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলের এই অপরাধের জন্য আমরা মার্কিন প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়ী করছি। গাজার উপত্যকার স্পোর্টস সেন্টারে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের কাছে অবস্থিত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস মসজিদে বোমা হামলায় অনেকে নিহত হয়েছে। এখনো অনেক ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছে। ইসরায়েলের অবিরত বিমান ও স্থল হামলার কারণে অনেক জায়গায় অ্যাম্বুলেন্সগুলো পৌঁছাতে না পারায় এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ রয়েছে বলেও জানায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রায় ছয় মাস ধরে ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে, যা গত ৭৫ বছরে ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক সংঘর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। জাতিসংঘের মতে, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা ইসরায়েলি আক্রমণে বাস্তুচ্যুত এবং তাদের সকলেই খাদ্য নিরাপত্তাহীন। অন্যদিকে গাজায় ত্রাণ সরবরাহ কমেছে প্রায় অর্ধেক।

 

 

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। বাইডেন আবারও গাজা যুদ্ধপরবর্তী পরিকল্পনার কথা বলেন। তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ওপর জোর দেন। বাইডেন গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার ওপর জোর দেন। বাইডেন বলেন, আমি বিস্তারিত বলব না, তবে আমি সৌদি আরব এবং অন্যদের সঙ্গে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করছি। হয়ত এই ঘটনা আজকেই ঘটবে না। তবে এক্ষেত্রে অনেক আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন এ কথা বললেও ইসরায়েল এই প্রস্তাবে রাজি হবে কি না সেটাই দেখার বিষয়। কারণ ২০০২ সাল থেকেই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা আছে।

 

 

অন্যদিকে গত শুক্রবার ইস্তানবুলের সানকাকটেপে জেলায় এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে চলার জন্য ইসরাইলকে চাপ দেওয়ার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে তুরস্ক। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তের’ পর আমরা ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাধীনতা ও দখলকৃত ভূমি পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত আমরা থামব না। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিজেদের সামর্থের মধ্যে তুরস্ক সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

 

 

 

 

এদিকে গাজায় একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিকল্পনায় এখনই গাজায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং পেন্টাগন একটি বহুজাতিক বা ফিলিস্তিনি শান্তিরক্ষা মিশনের সম্ভাবনার দিকে নজর দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পেন্টাগনের সংশ্লিষ্ট চার কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পলিটিকো নিউজ।
গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা আলোচনার কথা স্বীকার করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সংকট কেটে গেলে গাজায় অন্তর্বর্তীকালীন শাসন ও নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি।

 

 

অন্যদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা অব্যাহত রাখতে দখলদার ইসরাইলকে আবারও অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই প্যাকেজে দুই হাজার পাউন্ডের বেশি বোমা ও ২৫টি এফ-থার্টি ফাইভ/এ যুদ্ধবিমান সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। তবে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে হোয়াইট হাউস এবং ওয়াশিংটনে ইসরাইলি দূতাবাস। এদিকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার অন্তত কিছু এলাকায় দুর্ভিক্ষ চলছে বলে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ইসরাইলি অবরোধের কারণে ত্রাণ বাহিনী ট্রাকের প্রবেশে বাধা ঘনবসতিপূর্ণ ছিটমহলে আরো সাহায্য পাওয়ার ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। আমরা যেমন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় দুর্ভিক্ষের চরম ঝুঁকি রয়েছে। উত্তর গাজায় এর ঝুঁকি ও উপস্থিতি উভয়ই রয়েছে। সম্ভবত অন্তত কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ রয়েছে।