০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছুটির দিনে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

 

 

 

 

 

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে রাজধানীর ঈদের বাজার। পরিবার-পরিজনের জন্য নতুন জামা কাপড় কিনতে ছোট-বড় মার্কেট, বিভিন্ন ব্রান্ডের আউটলেট, শপিং মলে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। নিম্নআয়ের লোকদের কেনাকাটার একমাত্র ভরসা হচ্ছে ফুটপাত। ঈদের আগে পিছিয়ে নেই ফুটপাতের বেচাকেনাও। সাধারণত দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বিশেষ করে নিম্নআয়ের লোকেরা ফুটপাতে ভিড় জমান। সব বয়সের নারী-পুরুষের উপযোগী পোশাক রয়েছে দোকানগুলোতে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রোজার প্রথম থেকেই কেনাকাটা শুরু করেছেন ক্রেতারা। আর বেচাবিক্রিতে সন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরাও।

 

 

শনিবার দুপুরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার কয়েকটি মার্কেট ও গুলিস্তান এলাকার ফুটপাত ঘুরে ক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। এসব এলাকায় মানুষের ভিড়ে ঠিকমতো হাঁটার জায়গাও পাওয়া যাচ্ছে না। গুলিস্তানের ফুটপাতে ছোট চকি ও ভ্যানে পাঞ্জাবি-পায়জামা, শার্ট-প্যান্ট, টিশার্ট, জুতা, ছোট বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি আশেপাশের মার্কেটে পাঞ্জাবি-পায়জামা পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

অপরদিকে নিউমার্কেট এলাকায়ও একই অবস্থা। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভিড় থাকছে ক্রেতাদের। এক এলাকায় বিভিন্ন মার্কেটে চাহিদা অনুযায়ী সবধরনের পোশাক, ক্রোকারিজসহ বিভিন্ন পণ্য থাকার কারণে কাছের দূরের মানুষজন ভিড় করেন এখানে।

 

সরেজমিনে নিউমার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, নূর ম্যানশন মার্কেট, ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি মার্কেটেই ব্যাপক ক্রেতার সমাগম। বিক্রেতাদের হাঁক-ডাক আর ক্রেতাদের দামাদামি চলছে মার্কেটের ভেতর। এর মধ্যে নিউমার্কেটের শাড়ির দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। তবে মার্কেটের ভেতরের পোশাকের দাম বাড়তি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।

 

 

ফুটপাতের অধিকাংশ দোকানে ছেলেদের পোশাক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রি হচ্ছে প্যান্ট, শার্ট, টিশার্ট ও পাঞ্জাবি। বিক্রি হচ্ছে মেয়েদের পোশাকও।
সাধারণত ফুতপাতের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, একেকটি প্যান্ট ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঞ্জাবি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শার্ট ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের টিশার্ট ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর বাচ্চাদের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে শার্ট, টিশার্ট, জিন্স, প্যান্ট ও জুতা পাওয়া যাচ্ছে। এসব পণ্য ৫০ থেকে শুরু ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

 

শফিকুল ইসলাম ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। এবারের ঈদে অফিস ছুটি দেবে কি না এখনো নিশ্চিত নয়। তার ঈদ করতে বাড়িতে যাওয়া হোক বা না হোক সন্তানদের জন্য নতুন জামাতো পাঠাতেই হবে। তাই রাজধানীর গুলিস্থান ফুটপাতের একটি দোকান থেকে মেয়ে রাইসার জন্য জামা দরদাম করছিলেন।

 

তিনি বলেন, মেয়েটার জন্য নতুন জামা কিনতে আইছি। বাড়িতে যাইতে না পারলেও কারো কাছে মেয়েটার জন্য জামা পাঠাইয়া দিমু। কয়েকটা দোকান দেখছি, দাম বেশি চায়।

 

শপিং মার্কেটগুলোতে দাম বেশি বলছেন। মো. আরমান নামের এক ক্রেতা তিনি বলেন, নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত দাম চাওয়ার অভ্যাস অনেক আগে থেকেই রয়েছে। একটি সাধারণ কাজ করা পাঞ্জাবি দাম চেয়েছে ৫ হাজার টাকা। যা সবশেষ এক হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। ঈদের জন্য অনেক কালেকশন। কিন্তু বিক্রেতারা দাম ধরে রেখেছে। তারা জানে ঈদের সময় এখানকার অধিকাংশ ক্রেতাই বাইরে থেকে মার্কেট করতে আসেন। সেজন্য শুরুতেই গলাকাটা দাম বলে দেন।

 

সুরাইয়া হোসনা নামের আরেক ক্রেতা বলেন, শাড়ি ও থ্রি পিস কিনেছি। ম্যাক্সিমাম দোকানদারই ফিক্সড প্রাইস লিখে রেখেছেন। অথচ সবশেষ সেগুলো দামাদামি করেই কিনতে হচ্ছে। দূরদুরান্ত থেকে আমরা যারা মার্কেট করতে আসি তারা একদিনেই সব কাপড় কিনে নিয়ে যাই। এটা ব্যবসায়ীরা ভালো করেই জানে। সেজন্য দামটাও একটু বেশি চেয়ে বসে থাকে।

 

অপরদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ বিল, দোকান ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় তার সবকিছুই যুক্ত করতে হচ্ছে কাপড়ের দামে। সেজন্য অন্য বছরের তুলনায় এবার দাম বেশি রাখতে হচ্ছে। তবে স্বল্পলাভে অধিক বিক্রির জন্য তারা চেষ্টা করছেন বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

 

দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি নিয়ে নিউ মার্কেটে একটি শার্ট-প্যান্টের দোকানের বিক্রয় কর্মী আলমগীর বলেন, রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত মানুষ দোকানে আসে। রোজার শুরু থেকেই এমন অবস্থা। বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে। রোজার শেষ দশ দিনে আরো জমজমাট বিক্রি হবে। ঈদ উপলক্ষ্যে দোকানে কালেকশন বাড়ানো হয়েছে। এবার যেহেতু কিছুটা গরম সেজন্য পাতলা কাপড়ের টিশার্ট, হাফহাতা শার্ট রাখা হয়েছে।

 

শাড়ি ব্যবসায়ী মো. ওসমান বলেন, ঈদের সময় মানুষজন তাদের পরিবার-পরিজনের জন্য শাড়ি নিয়ে যায়। সেজন্য আমরা সব বয়সি মহিলাদের ব্যবহার উপযোগী শাড়িই রাখি। বেচাকেনা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে ঈদের আগে আরো বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। ব্যবসাতো রোজার ঈদেই হয়। কোরবানির ঈদে তেমন কাপড়-চোপড় কিনে না।

 

এছাড়া সাধারণ মানুষ যেন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিউ মার্কেটে শপিং করতে আসেন। এসব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আমরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা বিভাগ সক্রিয় রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। আমরা আশা করি শেষ সময় পর্যন্ত সুন্দর পরিবেশে বজায় থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছুটির দিনে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

 

 

 

 

 

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে রাজধানীর ঈদের বাজার। পরিবার-পরিজনের জন্য নতুন জামা কাপড় কিনতে ছোট-বড় মার্কেট, বিভিন্ন ব্রান্ডের আউটলেট, শপিং মলে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। নিম্নআয়ের লোকদের কেনাকাটার একমাত্র ভরসা হচ্ছে ফুটপাত। ঈদের আগে পিছিয়ে নেই ফুটপাতের বেচাকেনাও। সাধারণত দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বিশেষ করে নিম্নআয়ের লোকেরা ফুটপাতে ভিড় জমান। সব বয়সের নারী-পুরুষের উপযোগী পোশাক রয়েছে দোকানগুলোতে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রোজার প্রথম থেকেই কেনাকাটা শুরু করেছেন ক্রেতারা। আর বেচাবিক্রিতে সন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরাও।

 

 

শনিবার দুপুরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার কয়েকটি মার্কেট ও গুলিস্তান এলাকার ফুটপাত ঘুরে ক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। এসব এলাকায় মানুষের ভিড়ে ঠিকমতো হাঁটার জায়গাও পাওয়া যাচ্ছে না। গুলিস্তানের ফুটপাতে ছোট চকি ও ভ্যানে পাঞ্জাবি-পায়জামা, শার্ট-প্যান্ট, টিশার্ট, জুতা, ছোট বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি আশেপাশের মার্কেটে পাঞ্জাবি-পায়জামা পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

অপরদিকে নিউমার্কেট এলাকায়ও একই অবস্থা। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভিড় থাকছে ক্রেতাদের। এক এলাকায় বিভিন্ন মার্কেটে চাহিদা অনুযায়ী সবধরনের পোশাক, ক্রোকারিজসহ বিভিন্ন পণ্য থাকার কারণে কাছের দূরের মানুষজন ভিড় করেন এখানে।

 

সরেজমিনে নিউমার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, নূর ম্যানশন মার্কেট, ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি মার্কেটেই ব্যাপক ক্রেতার সমাগম। বিক্রেতাদের হাঁক-ডাক আর ক্রেতাদের দামাদামি চলছে মার্কেটের ভেতর। এর মধ্যে নিউমার্কেটের শাড়ির দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। তবে মার্কেটের ভেতরের পোশাকের দাম বাড়তি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।

 

 

ফুটপাতের অধিকাংশ দোকানে ছেলেদের পোশাক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রি হচ্ছে প্যান্ট, শার্ট, টিশার্ট ও পাঞ্জাবি। বিক্রি হচ্ছে মেয়েদের পোশাকও।
সাধারণত ফুতপাতের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, একেকটি প্যান্ট ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঞ্জাবি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শার্ট ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের টিশার্ট ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর বাচ্চাদের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে শার্ট, টিশার্ট, জিন্স, প্যান্ট ও জুতা পাওয়া যাচ্ছে। এসব পণ্য ৫০ থেকে শুরু ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

 

শফিকুল ইসলাম ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। এবারের ঈদে অফিস ছুটি দেবে কি না এখনো নিশ্চিত নয়। তার ঈদ করতে বাড়িতে যাওয়া হোক বা না হোক সন্তানদের জন্য নতুন জামাতো পাঠাতেই হবে। তাই রাজধানীর গুলিস্থান ফুটপাতের একটি দোকান থেকে মেয়ে রাইসার জন্য জামা দরদাম করছিলেন।

 

তিনি বলেন, মেয়েটার জন্য নতুন জামা কিনতে আইছি। বাড়িতে যাইতে না পারলেও কারো কাছে মেয়েটার জন্য জামা পাঠাইয়া দিমু। কয়েকটা দোকান দেখছি, দাম বেশি চায়।

 

শপিং মার্কেটগুলোতে দাম বেশি বলছেন। মো. আরমান নামের এক ক্রেতা তিনি বলেন, নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত দাম চাওয়ার অভ্যাস অনেক আগে থেকেই রয়েছে। একটি সাধারণ কাজ করা পাঞ্জাবি দাম চেয়েছে ৫ হাজার টাকা। যা সবশেষ এক হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। ঈদের জন্য অনেক কালেকশন। কিন্তু বিক্রেতারা দাম ধরে রেখেছে। তারা জানে ঈদের সময় এখানকার অধিকাংশ ক্রেতাই বাইরে থেকে মার্কেট করতে আসেন। সেজন্য শুরুতেই গলাকাটা দাম বলে দেন।

 

সুরাইয়া হোসনা নামের আরেক ক্রেতা বলেন, শাড়ি ও থ্রি পিস কিনেছি। ম্যাক্সিমাম দোকানদারই ফিক্সড প্রাইস লিখে রেখেছেন। অথচ সবশেষ সেগুলো দামাদামি করেই কিনতে হচ্ছে। দূরদুরান্ত থেকে আমরা যারা মার্কেট করতে আসি তারা একদিনেই সব কাপড় কিনে নিয়ে যাই। এটা ব্যবসায়ীরা ভালো করেই জানে। সেজন্য দামটাও একটু বেশি চেয়ে বসে থাকে।

 

অপরদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ বিল, দোকান ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় তার সবকিছুই যুক্ত করতে হচ্ছে কাপড়ের দামে। সেজন্য অন্য বছরের তুলনায় এবার দাম বেশি রাখতে হচ্ছে। তবে স্বল্পলাভে অধিক বিক্রির জন্য তারা চেষ্টা করছেন বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

 

দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি নিয়ে নিউ মার্কেটে একটি শার্ট-প্যান্টের দোকানের বিক্রয় কর্মী আলমগীর বলেন, রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত মানুষ দোকানে আসে। রোজার শুরু থেকেই এমন অবস্থা। বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে। রোজার শেষ দশ দিনে আরো জমজমাট বিক্রি হবে। ঈদ উপলক্ষ্যে দোকানে কালেকশন বাড়ানো হয়েছে। এবার যেহেতু কিছুটা গরম সেজন্য পাতলা কাপড়ের টিশার্ট, হাফহাতা শার্ট রাখা হয়েছে।

 

শাড়ি ব্যবসায়ী মো. ওসমান বলেন, ঈদের সময় মানুষজন তাদের পরিবার-পরিজনের জন্য শাড়ি নিয়ে যায়। সেজন্য আমরা সব বয়সি মহিলাদের ব্যবহার উপযোগী শাড়িই রাখি। বেচাকেনা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে ঈদের আগে আরো বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। ব্যবসাতো রোজার ঈদেই হয়। কোরবানির ঈদে তেমন কাপড়-চোপড় কিনে না।

 

এছাড়া সাধারণ মানুষ যেন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিউ মার্কেটে শপিং করতে আসেন। এসব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আমরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা বিভাগ সক্রিয় রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। আমরা আশা করি শেষ সময় পর্যন্ত সুন্দর পরিবেশে বজায় থাকবে।