১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোকসভা নির্বাচন বিজেপি ‘বাংলাবিরোধী’ : মমতা

◉দুর্নীতিবাজদের রেহাই নেই : মোদি

 

পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুটি পৃথক জনসভায় যোগ দেন। দুপুরে কোচবিহারের মাথাভাঙ্গার গুমানিরহাট উচ্চবিদ্যালয় ময়দানে জনসভা করেন মমতা। আর বিকালে কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এবার এ রাজ্যে এজেন্সি দিয়ে নির্বাচন করাতে চায়। আপনারা রুখে দাঁড়ান। আমরা মানছি না নির্বাচন নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় এজেন্সি সিবিআই, ইডি, আইটি এবং এনআইএর পাঁয়তারাকে। রুখে দাঁড়াতে হবে আপনাদের। মাথানত করবেন না এজেন্সির কাছে।

 

বিজেপি বলছে- ‘ভোট দাও, এজেন্সি থেকে মুক্তি পাও’। তারা সংবিধান মানে না। আইন মানে না। তারা বাংলাবিরোধী। তারা চায় এক দেশ এক দল। বিজেপি এই কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি, সিবিআই, আইটি এবং এনআইএ দ্বারা হেনস্তা করছে। তাই তাদের কাছে মাথানত করবেন না। তাদের শিক্ষা দিন। রুখে দাঁড়ান। সেই ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা অত্যাচার চালাচ্ছে রাজ্যব্যাপী। আমরা সিএএ, এনআরসি মানছি না। এ রাজ্যেও কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। আপনারা তো এ রাজ্যেরই নাগরিক। আবার কিসের নাগরিকত্ব? ওই নাগরিকত্বের ফরম পূরণ করলেই আপনারা ফের বাংলাদেশি হয়ে যাবেন। আর এ রাজ্যের কোনো আর্থিক কর্মসূচির আওতায় থাকতে পারবেন না। পাবেন না লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে এ রাজ্যের কোনো সুযোগ-সুবিধা। আপনারা হারাবেন নাগরিকত্ব।

 

অন্যদিকে সভায় মোদি বলেন, সন্দেশখালীর দোষী ব্যক্তিরা শাস্তি পাবেনই। সারা জীবন জেলে কাটাতে হবে তাদের। মানুষের অর্থ যারা লুট করেছে, তারা রেহাই পাবে না, সাজা দেবই। দুর্নীতিবাজদের রেহাই নেই। দুর্নীতিবাজদের আমি পশ্চিমবঙ্গ থেকে হটাবই। এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আগামী পাঁচ বছর আমাদের লড়াই থাকবে।

 

তৃণমূল ভোটদানে বাধা দিলে রুখে দাঁড়ান। মানুষ আপনাদের পাশে আছে। মনে রাখবেন, তারা চাঁদাবাজি, দুর্নীতি আর খুনের রাজনীতি করে। তাই তো তাদের ঘরে ঘরে টাকার পাহাড়। দুর্নীতিমুক্ত আন্দোলন জারি থাকবে। বিজেপি সরকার ১০ বছরে ৩২ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করেছে, জনতার সেবক হয়ে আমি ১৪০ কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। অর্থনীতিতে দেশকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে আনতে হলে ১৪০ কোটি ভারতবাসীকে একটি শক্তিশালী ও মজবুত সরকার গড়তে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। এবারই আমরা এক শক্তিশালী সরকার গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১৪০ কোটি মানুষের স্বপ্ন আমরা পূরণ করব।

জনপ্রিয় সংবাদ

লোকসভা নির্বাচন বিজেপি ‘বাংলাবিরোধী’ : মমতা

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

◉দুর্নীতিবাজদের রেহাই নেই : মোদি

 

পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুটি পৃথক জনসভায় যোগ দেন। দুপুরে কোচবিহারের মাথাভাঙ্গার গুমানিরহাট উচ্চবিদ্যালয় ময়দানে জনসভা করেন মমতা। আর বিকালে কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এবার এ রাজ্যে এজেন্সি দিয়ে নির্বাচন করাতে চায়। আপনারা রুখে দাঁড়ান। আমরা মানছি না নির্বাচন নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় এজেন্সি সিবিআই, ইডি, আইটি এবং এনআইএর পাঁয়তারাকে। রুখে দাঁড়াতে হবে আপনাদের। মাথানত করবেন না এজেন্সির কাছে।

 

বিজেপি বলছে- ‘ভোট দাও, এজেন্সি থেকে মুক্তি পাও’। তারা সংবিধান মানে না। আইন মানে না। তারা বাংলাবিরোধী। তারা চায় এক দেশ এক দল। বিজেপি এই কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি, সিবিআই, আইটি এবং এনআইএ দ্বারা হেনস্তা করছে। তাই তাদের কাছে মাথানত করবেন না। তাদের শিক্ষা দিন। রুখে দাঁড়ান। সেই ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা অত্যাচার চালাচ্ছে রাজ্যব্যাপী। আমরা সিএএ, এনআরসি মানছি না। এ রাজ্যেও কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। আপনারা তো এ রাজ্যেরই নাগরিক। আবার কিসের নাগরিকত্ব? ওই নাগরিকত্বের ফরম পূরণ করলেই আপনারা ফের বাংলাদেশি হয়ে যাবেন। আর এ রাজ্যের কোনো আর্থিক কর্মসূচির আওতায় থাকতে পারবেন না। পাবেন না লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে এ রাজ্যের কোনো সুযোগ-সুবিধা। আপনারা হারাবেন নাগরিকত্ব।

 

অন্যদিকে সভায় মোদি বলেন, সন্দেশখালীর দোষী ব্যক্তিরা শাস্তি পাবেনই। সারা জীবন জেলে কাটাতে হবে তাদের। মানুষের অর্থ যারা লুট করেছে, তারা রেহাই পাবে না, সাজা দেবই। দুর্নীতিবাজদের রেহাই নেই। দুর্নীতিবাজদের আমি পশ্চিমবঙ্গ থেকে হটাবই। এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আগামী পাঁচ বছর আমাদের লড়াই থাকবে।

 

তৃণমূল ভোটদানে বাধা দিলে রুখে দাঁড়ান। মানুষ আপনাদের পাশে আছে। মনে রাখবেন, তারা চাঁদাবাজি, দুর্নীতি আর খুনের রাজনীতি করে। তাই তো তাদের ঘরে ঘরে টাকার পাহাড়। দুর্নীতিমুক্ত আন্দোলন জারি থাকবে। বিজেপি সরকার ১০ বছরে ৩২ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করেছে, জনতার সেবক হয়ে আমি ১৪০ কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। অর্থনীতিতে দেশকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে আনতে হলে ১৪০ কোটি ভারতবাসীকে একটি শক্তিশালী ও মজবুত সরকার গড়তে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। এবারই আমরা এক শক্তিশালী সরকার গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১৪০ কোটি মানুষের স্বপ্ন আমরা পূরণ করব।