০৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী পোস্টার দীর্ঘস্থায়ী রাখতে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করছেন প্রার্থীরা 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলাতে নির্বাচনের পোস্টার পলিথিনে মোড়ানো হচ্ছে।বৃষ্টিতে ভিজে পোস্টার নষ্ট না হওয়া ঠেকাতে এটি করা হচ্ছে।নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রার্থীদের এ ধরনের কাজ নির্বাচন কমিশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা যেন দেখেও না দেখার ভান করছেন।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলার ১টি পৌরসভা ৯টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, চেয়ারম্যান,পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান  পদপ্রার্থী তাঁদের নির্বাচনী পোস্টার দীর্ঘস্থায়ী রাখতে নিষিদ্ধ পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে টাঙিয়েছেন এবং  নির্বাচনে বাসাবাড়ি, দোকানসহ যত্রতত্র দেয়ালে প্রার্থীরা পোস্টার লাগাচ্ছেন। উপজেলার ডাকবাংলার  সামনে আনারস মার্কার পলিথিন মোড়ানো পোস্টার দেখা গেছে। এই নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।কৈ মাছ প্রতীক ও মোটরসাইকেল প্রতীক দেওয়ালে পোস্টার লাগিয়েছে। এই বিষয়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের উপজেলার চেয়ারম্যান  প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু  বলেন,দেওয়ালে গুলোতে  ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছেন, তারা ভুল করেছেন। আমি তাদের সরিয়ে ফেলতে বলেছি।এছাড়া পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনা করে সরকার বহু আগে পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে।
দেয়ালে পোস্টার লাগানো নিষেধ করা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কোন প্রার্থীকেই। বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার টানানো যাবে না। কোন যানবাহন পোস্টার লাগানো যাবে না।উপজেলা ছোট বড় সব প্রার্থীই এই কাজটি করছেন।
প্রতিদিনই বাড়ছে পোষ্টার লাগানো যানবাহনের চলাচল। প্রচারে বিভিন্ন যানবাহনের শোভাযাত্রাও নিষেধ।তারপরেও রাতভর মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করতেছেন,এই বিষয় চেয়ারম্যান পদে আনারস মার্কা প্রার্থী এমদাদুল হক জুটন কে ফোন করে পাওয়া যায়নি। কিশোরগঞ্জ রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকেন, তবে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিল্লাল হোসেন  বলেন, ‘নির্বাচনী কাজে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের কথাটি গণমাধ্যমে জানতে পেরেছি। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের এ ব্যাপার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেব।

ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত

নির্বাচনী পোস্টার দীর্ঘস্থায়ী রাখতে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করছেন প্রার্থীরা 

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলাতে নির্বাচনের পোস্টার পলিথিনে মোড়ানো হচ্ছে।বৃষ্টিতে ভিজে পোস্টার নষ্ট না হওয়া ঠেকাতে এটি করা হচ্ছে।নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রার্থীদের এ ধরনের কাজ নির্বাচন কমিশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা যেন দেখেও না দেখার ভান করছেন।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলার ১টি পৌরসভা ৯টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, চেয়ারম্যান,পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান  পদপ্রার্থী তাঁদের নির্বাচনী পোস্টার দীর্ঘস্থায়ী রাখতে নিষিদ্ধ পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে টাঙিয়েছেন এবং  নির্বাচনে বাসাবাড়ি, দোকানসহ যত্রতত্র দেয়ালে প্রার্থীরা পোস্টার লাগাচ্ছেন। উপজেলার ডাকবাংলার  সামনে আনারস মার্কার পলিথিন মোড়ানো পোস্টার দেখা গেছে। এই নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।কৈ মাছ প্রতীক ও মোটরসাইকেল প্রতীক দেওয়ালে পোস্টার লাগিয়েছে। এই বিষয়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের উপজেলার চেয়ারম্যান  প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু  বলেন,দেওয়ালে গুলোতে  ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছেন, তারা ভুল করেছেন। আমি তাদের সরিয়ে ফেলতে বলেছি।এছাড়া পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনা করে সরকার বহু আগে পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে।
দেয়ালে পোস্টার লাগানো নিষেধ করা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কোন প্রার্থীকেই। বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার টানানো যাবে না। কোন যানবাহন পোস্টার লাগানো যাবে না।উপজেলা ছোট বড় সব প্রার্থীই এই কাজটি করছেন।
প্রতিদিনই বাড়ছে পোষ্টার লাগানো যানবাহনের চলাচল। প্রচারে বিভিন্ন যানবাহনের শোভাযাত্রাও নিষেধ।তারপরেও রাতভর মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করতেছেন,এই বিষয় চেয়ারম্যান পদে আনারস মার্কা প্রার্থী এমদাদুল হক জুটন কে ফোন করে পাওয়া যায়নি। কিশোরগঞ্জ রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকেন, তবে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিল্লাল হোসেন  বলেন, ‘নির্বাচনী কাজে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের কথাটি গণমাধ্যমে জানতে পেরেছি। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের এ ব্যাপার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেব।