০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তৃণমূলে শৃঙ্খলা ফেরাতে চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ

উপজেলা ভোট

⦿নির্দেশনা না মানা এমপি-মন্ত্রীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
⦿কার্যনির্বাহী বৈঠকে গুরুত্ব পাবে দলীয় শৃঙ্খলা
⦿সংসদীয় কমিটির সঙ্গে ২ মে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

 

 

 

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ে বিভক্তি তত প্রকাশ্য হচ্ছে। দলের পক্ষ থেকে এমপি-মন্ত্রীদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশনা থাকলেও তা গুরুত্ব পায়নি। এলাকাভেদে কোথাও নিজের স্বজন, কোথাও ‘মাইম্যান’কে নির্বাচনে প্রার্থী করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন যোগাচ্ছেন স্ব-স্ব আসনের এমপি-মন্ত্রীরা। দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে স্বজনদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কঠোর বার্তা দেওয়া হলেও তা আমলে নেননি তারা। সবমিলিয়ে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের তৃণমূল পর্যায়ে এমন বিশৃঙ্খলায় চিন্তার ভাঁজ তৈরি করছে ক্ষমতাসীন দলটির নীতি-নির্ধারণী ফোরামের সদস্যদের কপালেও।

 

 

উপজেলা নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে ১৫০টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপের নির্বাচনে অন্তÍত ১৪ জন এমপি-মন্ত্রীর স্বজন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে অন্তত অর্ধশতাধিক উপজেলায় মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে মাঠে রয়েছেন। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনদের উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর দলের সাধারণ সম্পাদক বেশ কয়েকবার কঠোর হওয়ার বার্তা দেন তাদের। দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা গত এক সপ্তাহ ফোনে তাগাদা দেন তাদের। এতকিছুর পরও দলীয় নিদের্শনা উপেক্ষা করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তারা। এমনকি স্বজনদের পক্ষেই নানান অজুহাতে সাফাই গাইছেন এমপি-মন্ত্রীরাও। তাদের এহেন কর্মকাণ্ডে বিব্রত ও ক্ষুব্ধ দলের নীতি-নির্ধারণী ফোরাম সদস্যরাও।

 

 

 

এমন পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক। গণভবনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের বৈঠকে এক ডজনের বেশি এজেন্ডা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অত্যধিক গুরুত্ব পাবে উপজেলা নির্বাচন ইস্যু।
দলীয় সূত্র বলছে, বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকরা তাদের বিভাগ অনুযায়ী প্রতিবেদন দেবেন। প্রতিবেদনে কোন কোন বিভাগে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন এবং কোন প্রেক্ষাপটে তারা প্রার্থী হয়েছেন সেসব বিষয়াবলি উল্লেখ থাকবে। প্রতিবেদন সাপেক্ষে বৈঠকে অভিযুক্ত মন্ত্রী-এমপিদের প্রাথমিক শোকজ করা হতে পারে। পরে শোকজে তাদের জবাব অনুযায়ী সতর্ক করা বা সাংগঠনিক শাস্তি হিসেবে দলীয় পদ-পদবি থেকে ইস্তফা দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও প্রার্থী হওয়া স্বজনদের দলীয় পদ-পদবি থেকে ইস্তফা দেওয়া হতে পারে।

 

 

অপর একটি সূত্র বলছে, বাস্তবতা বিবেচনায় মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে না। অভিযুক্ত মন্ত্রী-এমপিদের বহিষ্কার না করা হলেও বিষয়টি ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মূলত আওয়ামী লীগ ঢালাও বহিষ্কার বা একটি সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করলেই তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করার নীতিতে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ এক্ষেত্রে সংযত ও গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমুন্নত রাখার নীতি অনুসরণ করে।

 

 

কার্যনির্বাহী সভার পর আগামী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় সংসদ ভবনের লেভেল ৯-এ সরকারি দলের সভাকক্ষে সভাটির আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সংসদীয় দলের সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী দলীয় এমপিদের যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

 

দলের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, কার্যনির্বাহী বৈঠকে শোকজ করা হতে পারে। এরপর সংসদীয় দলের সভায় নেত্রী হয়ত কঠোর বার্তা দিবেন সবাইকে।
দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্ল্যাহ বলেন, উপজেলা নির্বাচনে যেসব এমপি-মন্ত্রীর সন্তান ও স্বজনরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি, তাদের বিরুদ্ধে দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে। সেটি এমপি-মন্ত্রী বা তাদের স্বজন উভয়ের বিরুদ্ধেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। কারণ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল। এই নির্দেশনা যারা অমান্য করেছেন দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, তিনি যত বড়ই এমপি-মন্ত্রী বা নেতা হন।

 

 

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অভিযুক্ত মন্ত্রী এবং দলীয় এমপিকে শোকজ করা হতে পারে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য করতে হবে। সবাই একসঙ্গে হয়ে অপশক্তির মোকাবিলা করতে হবে। নেত্রী কারো ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না। দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটা আমি যদি মানি মানবো, না হয় দল করবো না। কিন্তু আপনি দলও করবেন, নেত্রীর জন্য জানও দিয়ে দিবেন কিন্তু নেত্রীর সিদ্ধান্ত মানবেন না, তা হওয়া উচিত নয়।

তৃণমূলে শৃঙ্খলা ফেরাতে চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪

⦿নির্দেশনা না মানা এমপি-মন্ত্রীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
⦿কার্যনির্বাহী বৈঠকে গুরুত্ব পাবে দলীয় শৃঙ্খলা
⦿সংসদীয় কমিটির সঙ্গে ২ মে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

 

 

 

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ে বিভক্তি তত প্রকাশ্য হচ্ছে। দলের পক্ষ থেকে এমপি-মন্ত্রীদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশনা থাকলেও তা গুরুত্ব পায়নি। এলাকাভেদে কোথাও নিজের স্বজন, কোথাও ‘মাইম্যান’কে নির্বাচনে প্রার্থী করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন যোগাচ্ছেন স্ব-স্ব আসনের এমপি-মন্ত্রীরা। দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে স্বজনদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কঠোর বার্তা দেওয়া হলেও তা আমলে নেননি তারা। সবমিলিয়ে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের তৃণমূল পর্যায়ে এমন বিশৃঙ্খলায় চিন্তার ভাঁজ তৈরি করছে ক্ষমতাসীন দলটির নীতি-নির্ধারণী ফোরামের সদস্যদের কপালেও।

 

 

উপজেলা নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে ১৫০টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপের নির্বাচনে অন্তÍত ১৪ জন এমপি-মন্ত্রীর স্বজন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে অন্তত অর্ধশতাধিক উপজেলায় মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে মাঠে রয়েছেন। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনদের উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর দলের সাধারণ সম্পাদক বেশ কয়েকবার কঠোর হওয়ার বার্তা দেন তাদের। দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা গত এক সপ্তাহ ফোনে তাগাদা দেন তাদের। এতকিছুর পরও দলীয় নিদের্শনা উপেক্ষা করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তারা। এমনকি স্বজনদের পক্ষেই নানান অজুহাতে সাফাই গাইছেন এমপি-মন্ত্রীরাও। তাদের এহেন কর্মকাণ্ডে বিব্রত ও ক্ষুব্ধ দলের নীতি-নির্ধারণী ফোরাম সদস্যরাও।

 

 

 

এমন পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক। গণভবনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের বৈঠকে এক ডজনের বেশি এজেন্ডা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অত্যধিক গুরুত্ব পাবে উপজেলা নির্বাচন ইস্যু।
দলীয় সূত্র বলছে, বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকরা তাদের বিভাগ অনুযায়ী প্রতিবেদন দেবেন। প্রতিবেদনে কোন কোন বিভাগে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন এবং কোন প্রেক্ষাপটে তারা প্রার্থী হয়েছেন সেসব বিষয়াবলি উল্লেখ থাকবে। প্রতিবেদন সাপেক্ষে বৈঠকে অভিযুক্ত মন্ত্রী-এমপিদের প্রাথমিক শোকজ করা হতে পারে। পরে শোকজে তাদের জবাব অনুযায়ী সতর্ক করা বা সাংগঠনিক শাস্তি হিসেবে দলীয় পদ-পদবি থেকে ইস্তফা দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও প্রার্থী হওয়া স্বজনদের দলীয় পদ-পদবি থেকে ইস্তফা দেওয়া হতে পারে।

 

 

অপর একটি সূত্র বলছে, বাস্তবতা বিবেচনায় মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে না। অভিযুক্ত মন্ত্রী-এমপিদের বহিষ্কার না করা হলেও বিষয়টি ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মূলত আওয়ামী লীগ ঢালাও বহিষ্কার বা একটি সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করলেই তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করার নীতিতে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ এক্ষেত্রে সংযত ও গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমুন্নত রাখার নীতি অনুসরণ করে।

 

 

কার্যনির্বাহী সভার পর আগামী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় সংসদ ভবনের লেভেল ৯-এ সরকারি দলের সভাকক্ষে সভাটির আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সংসদীয় দলের সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী দলীয় এমপিদের যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

 

দলের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, কার্যনির্বাহী বৈঠকে শোকজ করা হতে পারে। এরপর সংসদীয় দলের সভায় নেত্রী হয়ত কঠোর বার্তা দিবেন সবাইকে।
দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্ল্যাহ বলেন, উপজেলা নির্বাচনে যেসব এমপি-মন্ত্রীর সন্তান ও স্বজনরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি, তাদের বিরুদ্ধে দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে। সেটি এমপি-মন্ত্রী বা তাদের স্বজন উভয়ের বিরুদ্ধেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। কারণ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল। এই নির্দেশনা যারা অমান্য করেছেন দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, তিনি যত বড়ই এমপি-মন্ত্রী বা নেতা হন।

 

 

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অভিযুক্ত মন্ত্রী এবং দলীয় এমপিকে শোকজ করা হতে পারে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য করতে হবে। সবাই একসঙ্গে হয়ে অপশক্তির মোকাবিলা করতে হবে। নেত্রী কারো ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না। দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটা আমি যদি মানি মানবো, না হয় দল করবো না। কিন্তু আপনি দলও করবেন, নেত্রীর জন্য জানও দিয়ে দিবেন কিন্তু নেত্রীর সিদ্ধান্ত মানবেন না, তা হওয়া উচিত নয়।