০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায়  পুকুর খননকালে মিলল ‘অবিস্ফোরিত গ্রেনেড’

নেত্রকোনায় কেন্দুয়া উপজেলা  পুকুর থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি খননের সময় পুকুরে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড পাওয়া গেছে। পুকুরে খনন কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা এই গ্রেনেডটি পায়।
বুধবার(১ মে) দুপুরে জেলার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের ইমরান খানের এর ফিশারী পুকুরটি ড্রেজার দিয়ে খনন করার সময় এই গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। ইমরান খান রামনগর গ্রামের আব্দুল হেলিমের ছেলে।
স্থানীয় লোকজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে ইমরান মিয়ার ফিশারী পুকুর থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলে অন্য একটি পুকুরে নেয়া হচ্ছে। প্রতিদিনের মতো আজকেও শ্রমিকরা ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলছিল, এসময় হঠাৎ ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা মেশিনের পাইপ খোলে পাইপ থেকে মাটি, বালু সরানোর সময় হঠাৎ মাটির সাথে গ্রেনেডটি চলে আসে হাতে মধ্যে। প্রথমে শ্রমিকরা মাটিযুক্ত অবস্থা শক্ত দেখে বিষয়টি তাদের মালিক ইমরান মিয়াকে জানায়। পরে ইমরান মিয়া এসে বলে যে এটি একটি গ্রেনেটের মত দেখতে। তারপর ইমরান মিয়া পুলিশকে খবর দেয়।
ইমরান খান জানান, আমাদের এই পুকুরটি ব্রিটিশ আমলের। তখন থেকেই পুকুরটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছুদিন যাবৎ আমি পুকুরটিতে মাছ চাষ করে আসছি। পুকুরটির গভীরতা কমে যাওয়ায় এবছর ড্রেজার দিয়ে পুকুরটি খননের উদ্যোগ নেই। কয়েকদিন ধরে শ্রমিকরা পুকুরে কাজ করছে। আজ সকাল থেকেই কাজ শুরু করে। শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ করে মেশিনটি বন্ধ হয়ে যায়। তখন তারা আমাকে ফোন করে জানায় ড্রেজার মেশিনের পাইপ দিয়ে লোহার একটি জিনিস মেশিনে আটকে যাওয়া কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। লোহার জিনিসটি পাইপ থেকে বের করেছে শ্রমিকরা কিন্তু জিনিসটি তারা চিনেনা। এই সময় আমি রামপুর বাজারে অবস্থান করছিলাম। তাদের কথা শুনে মুহুর্তে আমি পুকুরের কাছে আসি এবং জিনিসটিকে পানিতে নিয়ে পরিষ্কার সহ করার সময় বুঝতে পারি এটি একটি গ্রেনেড। তখন আমি বিষয়টা কেন্দুয়া থানায় ফোন দিয়ে জানাই।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি এনামুল হক ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা সংবাদ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত বস্তুটি জেনেটিক হিসেবে শনাক্ত করি। এটি দেখে মনে হচ্ছে এটি এখনো অবিস্ফোরিত। তাই ঘটনাস্থলে গ্রেনেডটিকে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। দেখে মনে হয়েছে এটি অনেক পুরনো। তবে এটি কত দিনের পুরনো কিংবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিংবা বিশেষজ্ঞ দল বলতে পারবে। ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যে নির্দেশনা দিবেন ঐই ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

কেন্দুয়ায়  পুকুর খননকালে মিলল ‘অবিস্ফোরিত গ্রেনেড’

আপডেট সময় : ০২:৩৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪
নেত্রকোনায় কেন্দুয়া উপজেলা  পুকুর থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি খননের সময় পুকুরে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড পাওয়া গেছে। পুকুরে খনন কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা এই গ্রেনেডটি পায়।
বুধবার(১ মে) দুপুরে জেলার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের ইমরান খানের এর ফিশারী পুকুরটি ড্রেজার দিয়ে খনন করার সময় এই গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। ইমরান খান রামনগর গ্রামের আব্দুল হেলিমের ছেলে।
স্থানীয় লোকজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে ইমরান মিয়ার ফিশারী পুকুর থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলে অন্য একটি পুকুরে নেয়া হচ্ছে। প্রতিদিনের মতো আজকেও শ্রমিকরা ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলছিল, এসময় হঠাৎ ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা মেশিনের পাইপ খোলে পাইপ থেকে মাটি, বালু সরানোর সময় হঠাৎ মাটির সাথে গ্রেনেডটি চলে আসে হাতে মধ্যে। প্রথমে শ্রমিকরা মাটিযুক্ত অবস্থা শক্ত দেখে বিষয়টি তাদের মালিক ইমরান মিয়াকে জানায়। পরে ইমরান মিয়া এসে বলে যে এটি একটি গ্রেনেটের মত দেখতে। তারপর ইমরান মিয়া পুলিশকে খবর দেয়।
ইমরান খান জানান, আমাদের এই পুকুরটি ব্রিটিশ আমলের। তখন থেকেই পুকুরটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছুদিন যাবৎ আমি পুকুরটিতে মাছ চাষ করে আসছি। পুকুরটির গভীরতা কমে যাওয়ায় এবছর ড্রেজার দিয়ে পুকুরটি খননের উদ্যোগ নেই। কয়েকদিন ধরে শ্রমিকরা পুকুরে কাজ করছে। আজ সকাল থেকেই কাজ শুরু করে। শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ করে মেশিনটি বন্ধ হয়ে যায়। তখন তারা আমাকে ফোন করে জানায় ড্রেজার মেশিনের পাইপ দিয়ে লোহার একটি জিনিস মেশিনে আটকে যাওয়া কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। লোহার জিনিসটি পাইপ থেকে বের করেছে শ্রমিকরা কিন্তু জিনিসটি তারা চিনেনা। এই সময় আমি রামপুর বাজারে অবস্থান করছিলাম। তাদের কথা শুনে মুহুর্তে আমি পুকুরের কাছে আসি এবং জিনিসটিকে পানিতে নিয়ে পরিষ্কার সহ করার সময় বুঝতে পারি এটি একটি গ্রেনেড। তখন আমি বিষয়টা কেন্দুয়া থানায় ফোন দিয়ে জানাই।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি এনামুল হক ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা সংবাদ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত বস্তুটি জেনেটিক হিসেবে শনাক্ত করি। এটি দেখে মনে হচ্ছে এটি এখনো অবিস্ফোরিত। তাই ঘটনাস্থলে গ্রেনেডটিকে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। দেখে মনে হয়েছে এটি অনেক পুরনো। তবে এটি কত দিনের পুরনো কিংবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিংবা বিশেষজ্ঞ দল বলতে পারবে। ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যে নির্দেশনা দিবেন ঐই ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।