০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোরবানি মৌসুমে বড় ক্ষতির শঙ্কায় গরুর খামারিরা

  • কমেছে গরুর ওজন, বেড়েছে খরচ
  • দুধের উৎপাদন কমেছে ২৫ শতাংশ
  • লালনপালনের খরচ বেড়েছে ২০ শতাংশ
  • গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন রোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা
  • ঘাসজাতীয় খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের
  • ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খামারিদের জন্য খুব কঠিন -সভাপতি, খামার মালিক সমিতি

সারা দেশে চলছে তীব্র তাপদাহ। চলমান তাপদাহে নাকাল জনজীবন এমন আবহাওয়ায় অতিষ্ঠ পশু-পাখিও। সারা দেশে প্রতিবছর কোরবানি উপলক্ষে গরু-মহিষ লালন-পালন করে থাকে খামারিরা। কিন্তু এ বছর কোরবানির আগে অতিরিক্ত গরমের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গরুর খামারে। তাপদাহে খামারের পশুকে দিনে দুইবার গোসল করানোসহ বেশ কয়েকবার পানি ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না। তীব্র গরমের কারণে মারা যাচ্ছে গরু, কমছে গরুর ওজন। তীব্র গরমের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালে গবাদিপশুর থ্রি ডেস সিকনেস নামক জ্বর এবং লাম্পি স্কিন ডিজিস নামের এক ধরনের পক্স হয়। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে নিয়েও চিন্তিত তারা। খামারিরা বলছেন, অত্যধিক গরমে দুধের উৎপাদন কমেছে ২৫ শতাংশ। গরু সুস্থ রাখতে খামারগুলোতে লালন-পালনের খরচ বেড়েছে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।

সিরাজগঞ্জের খামারি মো. ওসমান বলেন, এখন বিদ্যুৎ খরচ বেশি। এ ছাড়া যে তাপ উঠেছে, এতে গরু হাঁফিয়ে যাচ্ছে বা অন্যান্য অসুখ দেখা যাচ্ছে। গরমে আমাদের প্রায় ৪ থেকে ৬ লিটার দুধ কমে গেছে। এরই মধ্যে আমার একটি গরু গরমে স্ট্রোক করে মারা গেছে। গরুর খাওয়াও কমে গেছে। গরুর খাওয়া কম হওয়ার কারণে গরুর ওজন কমে যাচ্ছে এতে করে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শুধুমাত্র মো. ওসমান না তার মতো সারা দেশে হাজার হাজার খামারী অতিরিক্ত গরমের কারণে বিপাকে। স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রেকে মারা যাচ্ছে গরু, কমছে গরুর ওজন, বেড়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় উৎপাদন খরচ।অধিকাংশ খামারি বলছেন, অতিরিক্ত গরমের কারণে গরুকে ঠান্ডা রাখার জন্য ২-৩ বার করে গোসল করাতে হয়। এখন যে পরিমাণ গরম পড়তেছে তাতে স্বাভাবিকের তুলনায় গোসলের পরিমাণ আরো বাড়াতে হচ্ছে তা না হলে যে কোন সময় গরু মারা যেতে পারে। গোসল করাতে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। সেই সঙ্গে গরুকে গ্লোকোজ খাওয়াচ্ছি, যাতে ভেতরটা ঠান্ডা থাকে। ২৪ ঘণ্টা গরুর জন্য ফ্যান দিয়ে রাখি। শুধু গরমের ভোগান্তিই নয় গ্রীষ্মকালে গবাদিপশুর থ্রি ডেস সিকনেস নামক জ্বর এবং লাম্পি স্কিন ডিজিস নামের এক ধরনের পক্স হয়। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে নিয়েও চিন্তিত তারা। তাপদাহে সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ অনেক এলাকায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে গরু। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে একটি গরু ২০ থেকে ২৫ লিটার দুধ দিত, এখন ১৮ থেকে ২০ লিটারের বেশি মিলছে না। পশুকে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত পানি, স্যালাইন ও খাবার। গোসল করাতে হচ্ছে কয়েকবার। এতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি শ্রমিক লাগছে। তাই বাড়ছে লালন-পালনের খরচ। এমন অবস্থায় আসছে কোরবানিতে বড় লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা। পাবনার একজন খামারি আজিজ বলেন, কুরবানির ঈদের সময় প্রতিবছর বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গরু লালন পালন করি। কিন্তু এ বছর বিদ্যুৎ খরচ বেশি পাশাপাশি, আছে লোডশোডিংয়ের যন্ত্রণা। দেশের খামারিদের বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) এর তথ্য অনুযায়ী, এ বছর কোরবানি ঘিরে সারাদেশে ১ কোটি ২০ লাখের মতো পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত গরমের কারণে ১৫ দিনের ব্যবধানে ৯৯ শতাংশেরও বেশি পশুর ওজন কমে গেছে। প্রতিটি গরুর থেকে দুধের উৎপাদন কমেছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ।

গরু সুস্থ রাখতে খামারগুলোতে খরচ বেড়েছে অন্তত ২০ শতাংশ। খামার মালিক সমিতির সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, ঈদ ঘিরে সব খামারি গরু মোটাতাজা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অথচ গরমের তীব্রতায় গরু-মহিষ খাবার কমিয়ে দিয়েছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। সাধারণত খামারে আমরা যে জাতগুলো লালন পালন করি, এগুলো বেসিক্যালি হিট টলারেন্ট ব্রিড না। এর জন্য আপনি দেখবেন সারা দেশে ঢালাওভাবে প্রায় ২৫ ভাগ দুধের প্রোডাকশন কমে গেছে। যেহেতু এটা তাপ সহিষ্ণু জাত না, এজন্য অতিরিক্ত তাপের এই স্ট্রেস তারা নিতে পারছে না। এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খামারিদের জন্য খুব কঠিন। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঈদের আগে যে ক’দিন সময় আছে, তাতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে বলে মনে করছেন তিনি। তাপদাহ মোকাবিলায় দানাদারের চেয়ে বেশি ঘাস জাতীয় খাবার খাওয়ানোসহ নানা পরামর্শের কথা বলছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। খামারিদের সহায়তায় মোবাইল ভেটেরিনারি টিম কাজ করছে বলেও দাবি তাদের।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক এ বি এম খালেদুজ্জামান বলেন, আমাদের গবাদিপশুর যে খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং তার যে পরিচর্যা এটা যদি আমরা সঠিকভাবে পালন করতে পারি, আমরা খামারিদের যে পরামর্শগুলো দিই সেগুলো যদি তারা পালন করে এটা খুবই মিনিমাম পর্যায়ে চলে আসবে। এটার ওই পরিমাণে প্রভাব পড়ে না। এর আগে গত রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী কোরবানির সময় গবাদিপশুর ঘাটতি নেই। এক কোটি ৩০ লাখ গবাদিপশু জোগান নিশ্চিত করা হবে। গত বছর (কোরবানির ঈদে) আমাদের এক কোটি ২৫ লাখ গবাদি পশুর আমদানি ছিল। এর মধ্যে অবিক্রীত ছিল ১৯ লাখ। এবার কোরবানির সময় এক কোটি ৩০ লাখের বেশি গবাদিপশুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগামী কোরবানি ঈদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

জামালপুরে শিক্ষার্থী হত্যা ও গুম করার উদ্দেশ্য : শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

কোরবানি মৌসুমে বড় ক্ষতির শঙ্কায় গরুর খামারিরা

আপডেট সময় : ০৭:৪০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০২৪
  • কমেছে গরুর ওজন, বেড়েছে খরচ
  • দুধের উৎপাদন কমেছে ২৫ শতাংশ
  • লালনপালনের খরচ বেড়েছে ২০ শতাংশ
  • গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন রোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা
  • ঘাসজাতীয় খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের
  • ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খামারিদের জন্য খুব কঠিন -সভাপতি, খামার মালিক সমিতি

সারা দেশে চলছে তীব্র তাপদাহ। চলমান তাপদাহে নাকাল জনজীবন এমন আবহাওয়ায় অতিষ্ঠ পশু-পাখিও। সারা দেশে প্রতিবছর কোরবানি উপলক্ষে গরু-মহিষ লালন-পালন করে থাকে খামারিরা। কিন্তু এ বছর কোরবানির আগে অতিরিক্ত গরমের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গরুর খামারে। তাপদাহে খামারের পশুকে দিনে দুইবার গোসল করানোসহ বেশ কয়েকবার পানি ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না। তীব্র গরমের কারণে মারা যাচ্ছে গরু, কমছে গরুর ওজন। তীব্র গরমের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালে গবাদিপশুর থ্রি ডেস সিকনেস নামক জ্বর এবং লাম্পি স্কিন ডিজিস নামের এক ধরনের পক্স হয়। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে নিয়েও চিন্তিত তারা। খামারিরা বলছেন, অত্যধিক গরমে দুধের উৎপাদন কমেছে ২৫ শতাংশ। গরু সুস্থ রাখতে খামারগুলোতে লালন-পালনের খরচ বেড়েছে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।

সিরাজগঞ্জের খামারি মো. ওসমান বলেন, এখন বিদ্যুৎ খরচ বেশি। এ ছাড়া যে তাপ উঠেছে, এতে গরু হাঁফিয়ে যাচ্ছে বা অন্যান্য অসুখ দেখা যাচ্ছে। গরমে আমাদের প্রায় ৪ থেকে ৬ লিটার দুধ কমে গেছে। এরই মধ্যে আমার একটি গরু গরমে স্ট্রোক করে মারা গেছে। গরুর খাওয়াও কমে গেছে। গরুর খাওয়া কম হওয়ার কারণে গরুর ওজন কমে যাচ্ছে এতে করে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শুধুমাত্র মো. ওসমান না তার মতো সারা দেশে হাজার হাজার খামারী অতিরিক্ত গরমের কারণে বিপাকে। স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রেকে মারা যাচ্ছে গরু, কমছে গরুর ওজন, বেড়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় উৎপাদন খরচ।অধিকাংশ খামারি বলছেন, অতিরিক্ত গরমের কারণে গরুকে ঠান্ডা রাখার জন্য ২-৩ বার করে গোসল করাতে হয়। এখন যে পরিমাণ গরম পড়তেছে তাতে স্বাভাবিকের তুলনায় গোসলের পরিমাণ আরো বাড়াতে হচ্ছে তা না হলে যে কোন সময় গরু মারা যেতে পারে। গোসল করাতে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। সেই সঙ্গে গরুকে গ্লোকোজ খাওয়াচ্ছি, যাতে ভেতরটা ঠান্ডা থাকে। ২৪ ঘণ্টা গরুর জন্য ফ্যান দিয়ে রাখি। শুধু গরমের ভোগান্তিই নয় গ্রীষ্মকালে গবাদিপশুর থ্রি ডেস সিকনেস নামক জ্বর এবং লাম্পি স্কিন ডিজিস নামের এক ধরনের পক্স হয়। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে নিয়েও চিন্তিত তারা। তাপদাহে সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ অনেক এলাকায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে গরু। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে একটি গরু ২০ থেকে ২৫ লিটার দুধ দিত, এখন ১৮ থেকে ২০ লিটারের বেশি মিলছে না। পশুকে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত পানি, স্যালাইন ও খাবার। গোসল করাতে হচ্ছে কয়েকবার। এতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি শ্রমিক লাগছে। তাই বাড়ছে লালন-পালনের খরচ। এমন অবস্থায় আসছে কোরবানিতে বড় লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা। পাবনার একজন খামারি আজিজ বলেন, কুরবানির ঈদের সময় প্রতিবছর বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গরু লালন পালন করি। কিন্তু এ বছর বিদ্যুৎ খরচ বেশি পাশাপাশি, আছে লোডশোডিংয়ের যন্ত্রণা। দেশের খামারিদের বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) এর তথ্য অনুযায়ী, এ বছর কোরবানি ঘিরে সারাদেশে ১ কোটি ২০ লাখের মতো পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত গরমের কারণে ১৫ দিনের ব্যবধানে ৯৯ শতাংশেরও বেশি পশুর ওজন কমে গেছে। প্রতিটি গরুর থেকে দুধের উৎপাদন কমেছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ।

গরু সুস্থ রাখতে খামারগুলোতে খরচ বেড়েছে অন্তত ২০ শতাংশ। খামার মালিক সমিতির সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, ঈদ ঘিরে সব খামারি গরু মোটাতাজা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অথচ গরমের তীব্রতায় গরু-মহিষ খাবার কমিয়ে দিয়েছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। সাধারণত খামারে আমরা যে জাতগুলো লালন পালন করি, এগুলো বেসিক্যালি হিট টলারেন্ট ব্রিড না। এর জন্য আপনি দেখবেন সারা দেশে ঢালাওভাবে প্রায় ২৫ ভাগ দুধের প্রোডাকশন কমে গেছে। যেহেতু এটা তাপ সহিষ্ণু জাত না, এজন্য অতিরিক্ত তাপের এই স্ট্রেস তারা নিতে পারছে না। এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খামারিদের জন্য খুব কঠিন। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঈদের আগে যে ক’দিন সময় আছে, তাতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে বলে মনে করছেন তিনি। তাপদাহ মোকাবিলায় দানাদারের চেয়ে বেশি ঘাস জাতীয় খাবার খাওয়ানোসহ নানা পরামর্শের কথা বলছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। খামারিদের সহায়তায় মোবাইল ভেটেরিনারি টিম কাজ করছে বলেও দাবি তাদের।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক এ বি এম খালেদুজ্জামান বলেন, আমাদের গবাদিপশুর যে খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং তার যে পরিচর্যা এটা যদি আমরা সঠিকভাবে পালন করতে পারি, আমরা খামারিদের যে পরামর্শগুলো দিই সেগুলো যদি তারা পালন করে এটা খুবই মিনিমাম পর্যায়ে চলে আসবে। এটার ওই পরিমাণে প্রভাব পড়ে না। এর আগে গত রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী কোরবানির সময় গবাদিপশুর ঘাটতি নেই। এক কোটি ৩০ লাখ গবাদিপশু জোগান নিশ্চিত করা হবে। গত বছর (কোরবানির ঈদে) আমাদের এক কোটি ২৫ লাখ গবাদি পশুর আমদানি ছিল। এর মধ্যে অবিক্রীত ছিল ১৯ লাখ। এবার কোরবানির সময় এক কোটি ৩০ লাখের বেশি গবাদিপশুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগামী কোরবানি ঈদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।