প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে গিয়ে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করছেন। এই জনপথে প্রথম উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করছেন এডভোকেট হাফিজুর রহমান স্বপন। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। পরপর তিনবার উপজেলার ইটাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। ইউপি চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা স্বপন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছেন।
উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভা ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সৎ-পরিচ্ছন্ন, স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবে চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট হাফিজুর রহমান স্বপনের উপজেলায় রয়েছে ব্যপক গ্রহণ যোগ্যতা। বয়োজ্যেষ্ঠ, তরুণ ও নতুন ভোটারদের কাছে স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবে জনপ্রিয়তা রয়েছে তার। জয় নিশ্চত করার লক্ষে প্রতিদিন হাট, মাঠ-ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন এই কাপ-পিরিচ প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুর রহমান স্বপন।
রানাগাছা ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুস সেলিম বলেন, স্বপন ভাই খুব স্বজ্জন ব্যক্তি এবং ভাল মানুষ। তাই আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের ভোট তিনিই পাবেন। নির্বাচিত হয়ে তিনি এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখবেন এব্যপারে নিশ্চিত। তাই অধিকাংশ ভোটার তাকেই ভোট দিবেন। এছাড়া তার বিকল্প কেউ নেই।
শহরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, স্বপন ভাই পরপর তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। এবং সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি খুবই যোগ্য মানুষ। চেয়ারম্যান হলে সাধারন মানুষ তার সাথে কথা বলতে পারবে। খুবই মৃদুভাষী এবং স্বজ্জন ব্যক্তি স্বপন ভাই। ফেয়ার নির্বাচন হলে আমি শতভাগ নিশ্চিত এডভোকেট হাফিজুর রহমান স্বপন ভাই পাস করবে। উপজেলায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন তিনি।
তার নিজ ইউনিয়ন ইটাইলের সাধারন জনগন বলেন, স্বপন যখন ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন তখন আমরা সাধারন মানুষ অনেক সুযোগ-সুবিধা পেয়েছি। তিনি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। ইউনিয়নের দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ কোন সমস্যা হলেই তাদেরকে সহযোগিতা করেছেন এবং পাশে থেকেছেন। আমাদের এলাকার সন্তান হাফিজুর রহমান স্বপন উপজেলার চেয়ারম্যান হোক এই চেষ্টাই আমরা সবসময় করতেছি। এলাকায় তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা ও সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তি।
জেলা আওয়ামী লীগের নেতা আজিজুর রহমান ডল বলেন, স্বপন সদরে খুব জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি। তিনি দলেও খুব প্রিয় এবং আস্থাভাজন একজন নেতা। তবে, নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু বিজন কুমার চন্দ এবং সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাফিজুর রহমান স্বপনের মধ্যেই মূল লাড়াইটা হবে। দুই সাধারণ সম্পাদকের মধ্যেই লড়াই জমে উঠেছে সদরে। আমি জরিপ করে দেখলাম নির্বাচনে কাপ-পিরিচ প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুর রহমান স্বপনের জেতার সম্ভাবনা খুবই বেশি।
কাপ-পিরিচ প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট হাফিজুর রহমান স্বপন বলেন, সদরে ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন করছে। এরমধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু বিজন কুমার চন্দ নির্বাচন করছেন। ইতিপূর্বে তিনি একবার উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। খুব অভিজ্ঞ মানুষ। তার সাথে আমি প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছি। এছাড়া জয়ের ক্ষেত্রে আমার তেমন কোন বাধা নেই। অনেক আগে থেকেই আমি জানিয়ে আসতেছি যে আমি উপজেলা নির্বাচন করবো। সবসময় মানুষের এবং দলের নেতা-কর্মীদের সাড়াও পেয়েছি। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরাই আমার শক্তি। আমি নির্বাচিত হলে সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের অন্যতম একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।


























