০৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে স্বস্তির বৃষ্টি বজ্রপাতে আটটি গরুর মৃত্যু

দীর্ঘ তাপপ্রবাহের পরে রাজশাহীতে স্বস্তির বৃষ্টি ঝরেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটা থেকে ভোর পাঁচটা ৪টা পর্যন্ত বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায সময় রাজশাহীর আকাশে মেঘ থাকছে এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে মানবকুলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়, শিলাবৃষ্টি না থাকলেও বজ্রপাতে আটটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই বৃষ্টিতে আমসহ অন্যান্য ফসলের জন্য আশির্বাদ বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্ঠরা।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. রহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন তাপপ্রবাহের পর বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় তেমন ঝোড়ো বাতাস থাকছে না। এদিকে টানা তাপপ্রবাহে জনজীবন অস্বস্তির মধ্যে পড়েছিল। বৃষ্টির অভাবে টিউবওয়েলগুলোতে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়। খেতখামার শুকিয়ে ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আম-লিচুর, খরায় ঝরে গেছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোছা. উম্মে ছালমা বলেন, আম, লিচুসহ সব ফসলের জন্যই এই বৃষ্টি ভালো। বৃষ্টির অভাবে অনেক শাকসবজি কৃষক ফলাতে পারেননি। তবে খেতে থাকা ধানের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। বৃষ্টির কারণে হয়তও ১-২ দিন একটু ধান তুলতে সমস্যা হবে।
অপরদিকে, জেলার পবায় বজ্রপাতের আটটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত গরুগুলো মাটিতে পুতে ও নদীতে ভাসিয়ে দেয় রাখালেরা। মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টিপাতের সময় বিকট শব্দে বজ্রপাত হচ্ছিল। এতে চরের খোলা আকাশের নিচে থাকা শত শত গরুর মধ্যে আটটি গরু মারা গেছে। এরমধ্যে দুইটা ষাড় ও ছয়টা গাভী জাতের গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় কয়েকটি গরু আহত হয়েছে।

গরুর মালিক সফিকুল ইসলাম জানায়, চরের সব গরু খোলা আকাশের নিচে থাকে। প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার দিবাগত রাতেও ছিল। গভীর রাতে বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রপাতের কারণে আটটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে বজ্রপাতে কারও ক্ষতি হলে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করলে ক্ষতিপূরণে ব্যবস্থা করা হয়।

রাজশাহীতে স্বস্তির বৃষ্টি বজ্রপাতে আটটি গরুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:১৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

দীর্ঘ তাপপ্রবাহের পরে রাজশাহীতে স্বস্তির বৃষ্টি ঝরেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটা থেকে ভোর পাঁচটা ৪টা পর্যন্ত বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায সময় রাজশাহীর আকাশে মেঘ থাকছে এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে মানবকুলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়, শিলাবৃষ্টি না থাকলেও বজ্রপাতে আটটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই বৃষ্টিতে আমসহ অন্যান্য ফসলের জন্য আশির্বাদ বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্ঠরা।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. রহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন তাপপ্রবাহের পর বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় তেমন ঝোড়ো বাতাস থাকছে না। এদিকে টানা তাপপ্রবাহে জনজীবন অস্বস্তির মধ্যে পড়েছিল। বৃষ্টির অভাবে টিউবওয়েলগুলোতে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়। খেতখামার শুকিয়ে ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আম-লিচুর, খরায় ঝরে গেছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোছা. উম্মে ছালমা বলেন, আম, লিচুসহ সব ফসলের জন্যই এই বৃষ্টি ভালো। বৃষ্টির অভাবে অনেক শাকসবজি কৃষক ফলাতে পারেননি। তবে খেতে থাকা ধানের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। বৃষ্টির কারণে হয়তও ১-২ দিন একটু ধান তুলতে সমস্যা হবে।
অপরদিকে, জেলার পবায় বজ্রপাতের আটটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত গরুগুলো মাটিতে পুতে ও নদীতে ভাসিয়ে দেয় রাখালেরা। মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টিপাতের সময় বিকট শব্দে বজ্রপাত হচ্ছিল। এতে চরের খোলা আকাশের নিচে থাকা শত শত গরুর মধ্যে আটটি গরু মারা গেছে। এরমধ্যে দুইটা ষাড় ও ছয়টা গাভী জাতের গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় কয়েকটি গরু আহত হয়েছে।

গরুর মালিক সফিকুল ইসলাম জানায়, চরের সব গরু খোলা আকাশের নিচে থাকে। প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার দিবাগত রাতেও ছিল। গভীর রাতে বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রপাতের কারণে আটটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে বজ্রপাতে কারও ক্ষতি হলে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করলে ক্ষতিপূরণে ব্যবস্থা করা হয়।