০৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবৈধ চালকে বাড়ছে দুর্ঘটনা

➤অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের হাতে গাড়ির স্টিয়ারিং
➤অদক্ষ চালকরাও পাচ্ছেন লাইসেন্স
➤৮৬ শতাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ চালকের বেপরোয়া গতি

গত এপ্রিলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনালে নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ঢুকে যায় রাইদা পরিবহন নামের একটি বাস। এতে বাসটির নিচে পড়ে মোটরসাইকেল চালক সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকী নিহত হন। এ ঘটনায় ঘাতক বাসের চালক হিমেলকে আটকের পর র‌্যাব জানায়, বাস চালানোর জন্য যথাযথ লাইসেন্স ছিল না তার। শুধু এই ঘটনা নয় প্রায় দুর্ঘটনার পর দেখা যায় চালকের ছিল না ড্রাইভিং লাইসেন্স। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে চার লাখের বেশি নিবন্ধনহীন অবৈধ চালক রয়েছে। যদিও সরকারি হিসেবে এ সংখ্যা আরো কম।

 

বাংলাদেশ সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত মোটরযান সংখ্যা প্রায় ৬১ লাখ। আর গত সেপ্টেম্বরে সংসদে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা চালকের সংখ্যা ৫৯ লাখ ৪৬ হাজার এবং নিবন্ধিত মোটরযান ৫৭ লাখ ৫২ হাজার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি তথ্যের বাইরেও অবৈধ চালক রয়েছেন। সরকারি হিসাবের মধ্যে দেশের বাইরে যাওয়া লাইসেন্সধারীরাও রয়েছে। ফলে বৈধ চালকের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রাজধানীসহ দেশের মহাসড়ক ও সড়কগুলোতে অপরিপক্ব চালকের পাশাপশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকরাও স্টিয়ারিংয়ে হাত রাখছেন। এর মধ্যে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ছাড়াও হিউম্যান হলার-লেগুনা, লক্কড়ঝক্কড় মাইক্রোবাস ও মেক্সি যাত্রী পরিবহন করছে। বিশেষ করে ঢাকার লেগুনার অধিকাংশ চালকই কিশোর। এছাড়ও নামে মাত্র শিখে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই চালকের আসনে বসছেন সিংহভাগ চালক। আবার কিশোর চালকদের হেলপার হিসেবেও যাত্রী উঠানো, নামানো ও ভাড়া আদায়ের কাজটি করছে শিশুরা। এসব কিশোর চালকের আনমনা স্বভাব প্রতিযোগিতা দিচ্ছে বড় যানবাহনের সঙ্গে। যখনতখন ব্রেক কষছে, আবার জোরে গাড়ি টান দিচ্ছে। মহাসড়কে অনভিজ্ঞ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই এ ধরনের যানবাহনের কিশোর চালকরা এখন আতঙ্কের আরেক নাম।

 

ওইসব যানবাহনের বেশক’জন মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মহাসড়ক থেকে সিএনজি অটোরিকশা তুলে দেয়ার পর অনেকেই পুরাতন মাইক্রোবাস কেটে লেগুনা আদলের গাড়ি তৈরি করে রাস্তায় নামিয়েছে। আবার কেউ কেউ মেক্সি, সুজকি কিনে যাত্রী পরিবহন ব্যবসা করছে। বর্তমানে মহাসড়কে স্বল্প দূরত্বে চাহিদা বাড়ায় এসব যানবাহনের কদর বেড়েছে, তাই কিশোর চালকের সংখ্যাও বাড়ছে। কিশোর চালক আর কিশোর হেলপারকে স্বল্প বেতনে সন্তুষ্ট রাখা যায়। তাই অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকের হাতে স্টিয়ারিং তুলে দেওয়া হচ্ছে। সড়কে লাইসেন্স নিয়ে সমস্যা হলে সারিয়ে নেন মালিক বা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা মালিকপক্ষের এজেন্টরা।

এছাড়াও চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীতে বাস চালকদের একটি অংশের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। তবে চালক সংকট থাকায় তাদের হাতে বাস তুলে দিচ্ছেন মালিক পক্ষ। এসব চালকের বেশিরভাগই বাসের হেল্পার থেকে চালকের আসনে বসেছেন। এছাড়াও মহাসড়কে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানগুলোতে চালকের আসনে বসছেন হেল্পাররা।

পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯০ দশমিক ৬৯ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী অদক্ষ চালক। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ও ট্রাফিক আইন না মানাই দুর্ঘটনার মূল কারণ। সারাদেশেই লাইসেন্সবিহীন চালক সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশের অভ্যন্তরীণ পরিসংখ্যান মতে, সারা দেশে ৮৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ চালকের বেপরোয়া গতি। ভুল ওভারটেকিংয়ের কারণে ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অদক্ষতার পাশাপাশি চালকের গোঁয়ার্তুমিও অন্যতম বড় কারণ। তাদের হতাহতের সংখ্যাও উদ্বেগজনক।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক ড্রাইভার না থাকায় লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালকরা গাড়ি চালায়। ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে অনেকে বিদেশে চলে গেছে, এই সংখ্যা নিয়েই মূলত লাইসেন্সধারী ড্রাইভার ৫৯ লাখ। এর বাইরেও ৪ লাখ লাইসেন্সবিহীন চালক রয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে চালকরা ওস্তাদনির্ভর, ফলে দক্ষ চালক তৈরি হয় না। এছাড়াও দেশে চালকের অভাব আছে। গাড়ি অনুযায়ী চালক নেই। প্রতিদিন যত গাড়ি নিবন্ধন হয় তত ড্রাইভার কিন্তু নেই। ফলে অপরিপক্ব চালকরা ড্রাইভিং করছে। দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে তারা।

বাংলাদশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন, আমাদের শুধু লাইসন্সেধারী চালক নয়, দক্ষ চালক দরকার। কিন্তু আমাদের দেশের লাইসেন্স প্রক্রিয়াটা স্টান্ডার্ড নয়। উন্নত দেশগুলোতে চাইলেই লাইসেন্স পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের দেশে একটি ড্রাইভিং স্কুলে কয়েকদিন শিখেই লাইসেন্স নেওয়া যায়। এভাবে দক্ষ চালক পাওয়া সম্ভব না। বিআরটিএকে একটি স্টান্ডার্ড প্রক্রিয়ায় আসতে হবে।

এবিষয়ে কথা বলতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার ও ড্রাইভিং লাইসেন্স শাখার উপ-পরিচালক মো. ইব্রাহীম খলিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে রাশিয়ান বিনিয়োগের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

অবৈধ চালকে বাড়ছে দুর্ঘটনা

আপডেট সময় : ০৭:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

➤অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের হাতে গাড়ির স্টিয়ারিং
➤অদক্ষ চালকরাও পাচ্ছেন লাইসেন্স
➤৮৬ শতাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ চালকের বেপরোয়া গতি

গত এপ্রিলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনালে নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ঢুকে যায় রাইদা পরিবহন নামের একটি বাস। এতে বাসটির নিচে পড়ে মোটরসাইকেল চালক সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকী নিহত হন। এ ঘটনায় ঘাতক বাসের চালক হিমেলকে আটকের পর র‌্যাব জানায়, বাস চালানোর জন্য যথাযথ লাইসেন্স ছিল না তার। শুধু এই ঘটনা নয় প্রায় দুর্ঘটনার পর দেখা যায় চালকের ছিল না ড্রাইভিং লাইসেন্স। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে চার লাখের বেশি নিবন্ধনহীন অবৈধ চালক রয়েছে। যদিও সরকারি হিসেবে এ সংখ্যা আরো কম।

 

বাংলাদেশ সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত মোটরযান সংখ্যা প্রায় ৬১ লাখ। আর গত সেপ্টেম্বরে সংসদে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা চালকের সংখ্যা ৫৯ লাখ ৪৬ হাজার এবং নিবন্ধিত মোটরযান ৫৭ লাখ ৫২ হাজার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি তথ্যের বাইরেও অবৈধ চালক রয়েছেন। সরকারি হিসাবের মধ্যে দেশের বাইরে যাওয়া লাইসেন্সধারীরাও রয়েছে। ফলে বৈধ চালকের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রাজধানীসহ দেশের মহাসড়ক ও সড়কগুলোতে অপরিপক্ব চালকের পাশাপশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকরাও স্টিয়ারিংয়ে হাত রাখছেন। এর মধ্যে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ছাড়াও হিউম্যান হলার-লেগুনা, লক্কড়ঝক্কড় মাইক্রোবাস ও মেক্সি যাত্রী পরিবহন করছে। বিশেষ করে ঢাকার লেগুনার অধিকাংশ চালকই কিশোর। এছাড়ও নামে মাত্র শিখে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই চালকের আসনে বসছেন সিংহভাগ চালক। আবার কিশোর চালকদের হেলপার হিসেবেও যাত্রী উঠানো, নামানো ও ভাড়া আদায়ের কাজটি করছে শিশুরা। এসব কিশোর চালকের আনমনা স্বভাব প্রতিযোগিতা দিচ্ছে বড় যানবাহনের সঙ্গে। যখনতখন ব্রেক কষছে, আবার জোরে গাড়ি টান দিচ্ছে। মহাসড়কে অনভিজ্ঞ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই এ ধরনের যানবাহনের কিশোর চালকরা এখন আতঙ্কের আরেক নাম।

 

ওইসব যানবাহনের বেশক’জন মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মহাসড়ক থেকে সিএনজি অটোরিকশা তুলে দেয়ার পর অনেকেই পুরাতন মাইক্রোবাস কেটে লেগুনা আদলের গাড়ি তৈরি করে রাস্তায় নামিয়েছে। আবার কেউ কেউ মেক্সি, সুজকি কিনে যাত্রী পরিবহন ব্যবসা করছে। বর্তমানে মহাসড়কে স্বল্প দূরত্বে চাহিদা বাড়ায় এসব যানবাহনের কদর বেড়েছে, তাই কিশোর চালকের সংখ্যাও বাড়ছে। কিশোর চালক আর কিশোর হেলপারকে স্বল্প বেতনে সন্তুষ্ট রাখা যায়। তাই অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকের হাতে স্টিয়ারিং তুলে দেওয়া হচ্ছে। সড়কে লাইসেন্স নিয়ে সমস্যা হলে সারিয়ে নেন মালিক বা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা মালিকপক্ষের এজেন্টরা।

এছাড়াও চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীতে বাস চালকদের একটি অংশের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। তবে চালক সংকট থাকায় তাদের হাতে বাস তুলে দিচ্ছেন মালিক পক্ষ। এসব চালকের বেশিরভাগই বাসের হেল্পার থেকে চালকের আসনে বসেছেন। এছাড়াও মহাসড়কে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানগুলোতে চালকের আসনে বসছেন হেল্পাররা।

পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯০ দশমিক ৬৯ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী অদক্ষ চালক। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ও ট্রাফিক আইন না মানাই দুর্ঘটনার মূল কারণ। সারাদেশেই লাইসেন্সবিহীন চালক সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশের অভ্যন্তরীণ পরিসংখ্যান মতে, সারা দেশে ৮৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ চালকের বেপরোয়া গতি। ভুল ওভারটেকিংয়ের কারণে ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অদক্ষতার পাশাপাশি চালকের গোঁয়ার্তুমিও অন্যতম বড় কারণ। তাদের হতাহতের সংখ্যাও উদ্বেগজনক।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক ড্রাইভার না থাকায় লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালকরা গাড়ি চালায়। ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে অনেকে বিদেশে চলে গেছে, এই সংখ্যা নিয়েই মূলত লাইসেন্সধারী ড্রাইভার ৫৯ লাখ। এর বাইরেও ৪ লাখ লাইসেন্সবিহীন চালক রয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে চালকরা ওস্তাদনির্ভর, ফলে দক্ষ চালক তৈরি হয় না। এছাড়াও দেশে চালকের অভাব আছে। গাড়ি অনুযায়ী চালক নেই। প্রতিদিন যত গাড়ি নিবন্ধন হয় তত ড্রাইভার কিন্তু নেই। ফলে অপরিপক্ব চালকরা ড্রাইভিং করছে। দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে তারা।

বাংলাদশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন, আমাদের শুধু লাইসন্সেধারী চালক নয়, দক্ষ চালক দরকার। কিন্তু আমাদের দেশের লাইসেন্স প্রক্রিয়াটা স্টান্ডার্ড নয়। উন্নত দেশগুলোতে চাইলেই লাইসেন্স পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের দেশে একটি ড্রাইভিং স্কুলে কয়েকদিন শিখেই লাইসেন্স নেওয়া যায়। এভাবে দক্ষ চালক পাওয়া সম্ভব না। বিআরটিএকে একটি স্টান্ডার্ড প্রক্রিয়ায় আসতে হবে।

এবিষয়ে কথা বলতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার ও ড্রাইভিং লাইসেন্স শাখার উপ-পরিচালক মো. ইব্রাহীম খলিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।