০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসকের অবহেলায় রাজশাহীর রয়েল হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

চিকিৎসসকের অবহেলায় রাজশাহীরবেসরকারী রয়েল হাসপাতালে ৫ বছর চার বয়স্ক এক শিশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার বিকেলে জিনিয়া জাবিন নামের ওই শিশুটি মারা যায়। তার বাবার নাম হিরা মণ্ডল। বাড়ি নওগাঁ সদরের পার নওগাঁ গ্রামে।
গত শুক্রবার পেটের ব্যাথার কারণে জিনিয়াকে রাজশাহীর রয়েল হাসপাতালে চিকিৎসক ইকবাল বারির আওতাধিন ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানান শিশুটির বাবা।
শিশুটির বাবা হিরা মণ্ডল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘পেটের ব্যাথার কারণে আমার মেয়েকে রয়েল হাসাপাতালে ভর্তি করার পর থেকে চিকিৎসক ইকবাল বারি চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। শনিবার থেকে মেয়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। আমি মেয়েকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে চাইলেও চিকিৎসক ইকবাল বারি সেটি করতে দেননি। চিকিৎসাসহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে ২০ হাজার টাকা খরচও হয়েছে আমার। তাও আমার মেয়েকে বাঁচানো গেলো না। শুধুমাত্র চিকি চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই আমার মেয়ে মারা গেছে। আমি এর বিচার চাই।’
হিরা মণ্ডল আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যার আগে রয়েল হাসপাতালের লোকজন জানায় শিশু জিনিয়া জাবিন মারা গেছে। অথচ এ হাসপাতালেই জিনিয়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে বলে বার বার আশ্বাস দিয়েছিলেন চিকিৎসকসহ কর্মচারীরা। মেয়েটি মারা যাওয়ার পরে তারা জানায়, শিশুটির অবস্থা ভালো ছিল না। তার উন্নত চিকিৎসার দরকার ছিল।
তবে বিষয়টি নিয়ে শিশু চিকিৎসক ইকবাল বারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে রাশিয়ান বিনিয়োগের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

চিকিৎসকের অবহেলায় রাজশাহীর রয়েল হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪
চিকিৎসসকের অবহেলায় রাজশাহীরবেসরকারী রয়েল হাসপাতালে ৫ বছর চার বয়স্ক এক শিশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার বিকেলে জিনিয়া জাবিন নামের ওই শিশুটি মারা যায়। তার বাবার নাম হিরা মণ্ডল। বাড়ি নওগাঁ সদরের পার নওগাঁ গ্রামে।
গত শুক্রবার পেটের ব্যাথার কারণে জিনিয়াকে রাজশাহীর রয়েল হাসপাতালে চিকিৎসক ইকবাল বারির আওতাধিন ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানান শিশুটির বাবা।
শিশুটির বাবা হিরা মণ্ডল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘পেটের ব্যাথার কারণে আমার মেয়েকে রয়েল হাসাপাতালে ভর্তি করার পর থেকে চিকিৎসক ইকবাল বারি চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। শনিবার থেকে মেয়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। আমি মেয়েকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে চাইলেও চিকিৎসক ইকবাল বারি সেটি করতে দেননি। চিকিৎসাসহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে ২০ হাজার টাকা খরচও হয়েছে আমার। তাও আমার মেয়েকে বাঁচানো গেলো না। শুধুমাত্র চিকি চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই আমার মেয়ে মারা গেছে। আমি এর বিচার চাই।’
হিরা মণ্ডল আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যার আগে রয়েল হাসপাতালের লোকজন জানায় শিশু জিনিয়া জাবিন মারা গেছে। অথচ এ হাসপাতালেই জিনিয়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে বলে বার বার আশ্বাস দিয়েছিলেন চিকিৎসকসহ কর্মচারীরা। মেয়েটি মারা যাওয়ার পরে তারা জানায়, শিশুটির অবস্থা ভালো ছিল না। তার উন্নত চিকিৎসার দরকার ছিল।
তবে বিষয়টি নিয়ে শিশু চিকিৎসক ইকবাল বারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।