০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর ব্যস্ততম স্থান গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট মোড়

 

রাজধানীর অন্যতম একটা মোড় গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট মোড় আর এই জিরো পয়েন্টের পাশেই বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস, এর অন্যপাশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র।

 

আর জিরো পয়েন্ট মোড়ের একপাশে সচিবালয় অন্যপাশে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। এত ব্যস্ততম স্থান আর এই জিরো পয়েন্ট।

 

এই গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার দূরত্ব নিরূপণ করা হয়েছে।দূরত্বটা জিরো পয়েন্টে সুদৃশ্য স্থাপনায় খোদাই করে লেখা হয়েছে।যাতে করে সাধারণ মানুষ এই গুলিস্তান থেকে জেলার বিভিন্ন জায়গা দূরত্বটা সহজে বুঝতে পারে।

 

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে জিরো পয়েন্টের যে স্থাপনাটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গার দূরত্ব খোদাই করে লেখা আছে সেটি এখন আর সর্বসাধারণের চোখে পড়ার মতো অবস্থায় নেই । কেননা জিরো পয়েন্টের লেখাগুলিকে এমন ভাবে রং দেওয়া হয়েছে যাতে লেখাগুলো দূর থেকে পড়াই যায় না ।

 

এই লেখাগুলি অনেক মানুষই আগ্রহ করে দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু দূর থেকে দেখা যায় না তাই কেউ এটার কাছে এসে দেখার চেষ্টাও করে না। কিন্তু সেই সুযোগে বলতে গেলে এখানে নেইও।

 

জিরো পয়েন্টের এই দূরত্ব নির্দেশক লেখাগুলো অবশ্যই সর্বসাধারণের উপকারের জন্যই লিখা হয়েছে । কিন্তু লেখাগুলোর সুবিধা মানুষ পাচ্ছে না।তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।যাতে করে লেখাগুলি দেখার সাথে সাথে যাতে  মানুষ পড়তে পারে সেই ব্যবস্থা করা হোক । অন্যথায় জিরো পয়েন্ট এর এই স্থাপনাটি মানুষের কাজে লাগবে না।

রাজধানীর ব্যস্ততম স্থান গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট মোড়

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

 

রাজধানীর অন্যতম একটা মোড় গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট মোড় আর এই জিরো পয়েন্টের পাশেই বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস, এর অন্যপাশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র।

 

আর জিরো পয়েন্ট মোড়ের একপাশে সচিবালয় অন্যপাশে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। এত ব্যস্ততম স্থান আর এই জিরো পয়েন্ট।

 

এই গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার দূরত্ব নিরূপণ করা হয়েছে।দূরত্বটা জিরো পয়েন্টে সুদৃশ্য স্থাপনায় খোদাই করে লেখা হয়েছে।যাতে করে সাধারণ মানুষ এই গুলিস্তান থেকে জেলার বিভিন্ন জায়গা দূরত্বটা সহজে বুঝতে পারে।

 

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে জিরো পয়েন্টের যে স্থাপনাটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গার দূরত্ব খোদাই করে লেখা আছে সেটি এখন আর সর্বসাধারণের চোখে পড়ার মতো অবস্থায় নেই । কেননা জিরো পয়েন্টের লেখাগুলিকে এমন ভাবে রং দেওয়া হয়েছে যাতে লেখাগুলো দূর থেকে পড়াই যায় না ।

 

এই লেখাগুলি অনেক মানুষই আগ্রহ করে দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু দূর থেকে দেখা যায় না তাই কেউ এটার কাছে এসে দেখার চেষ্টাও করে না। কিন্তু সেই সুযোগে বলতে গেলে এখানে নেইও।

 

জিরো পয়েন্টের এই দূরত্ব নির্দেশক লেখাগুলো অবশ্যই সর্বসাধারণের উপকারের জন্যই লিখা হয়েছে । কিন্তু লেখাগুলোর সুবিধা মানুষ পাচ্ছে না।তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।যাতে করে লেখাগুলি দেখার সাথে সাথে যাতে  মানুষ পড়তে পারে সেই ব্যবস্থা করা হোক । অন্যথায় জিরো পয়েন্ট এর এই স্থাপনাটি মানুষের কাজে লাগবে না।