০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নাই

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেহাল অবস্থা দেখার কেহ নাই। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল রয়েছে এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে রোগী আসে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিন্তু রোগীদের সঙ্গে ডাক্তারদের আচার আচরণ ও ভাষা নিম্নতম রোগীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ এবং সময়মতো এমার্জেন্সিতে ডাক্তার পাওয়া যায় না।
এমার্জেন্সিতে একটা রোগী নিয়ে আসলে ডাক্তার মিলে না ডাক্তারের খোঁজ করলে তিনি রেস্টে আছে বলে জানা যায় ডাক্তার কে কল দিলে বের হতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে সরজমিনে গিয়ে দেখা মেলে এমার্জেন্সিতে ডাক্তার আছে কিন্তু ডাক্তার রেস্টে আছে রোগী মরে গেলেও ডাক্তারের কিছু করার নাই কারণ উনি তো রেস্ট করতেছে ডাক্তার কে জিজ্ঞেস করলে আমার রোগী ইমারজেন্সি ডাক্তার উত্তরে বলে আপনার রোগী মারা গেলে আমার কি কথা না বলে বাহিরে যান বলে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় আচরণ ও করেন তারা স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস এ হাসপাতালের উদ্ধতম কর্মকর্তা তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে এ হাসপাতালে তার নিজের বাড়ির মতই চলে হাসপাতাল এবং তার অবহেলার কারণে এই হাসপাতালে ডাক্তারদের এই অবস্থা চাকরি তো নয় তাদের নিজের বাসভবন হিসেবে তারা রয়েছে তা না হলে তাদের পোস্টিং হয় না কেন অন্য জায়গায় বলে জানিয়েছেন তারা এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি অফিসে না থাকায় সম্ভব হয় নাই।
জনপ্রিয় সংবাদ

ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নাই

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেহাল অবস্থা দেখার কেহ নাই। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল রয়েছে এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে রোগী আসে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিন্তু রোগীদের সঙ্গে ডাক্তারদের আচার আচরণ ও ভাষা নিম্নতম রোগীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ এবং সময়মতো এমার্জেন্সিতে ডাক্তার পাওয়া যায় না।
এমার্জেন্সিতে একটা রোগী নিয়ে আসলে ডাক্তার মিলে না ডাক্তারের খোঁজ করলে তিনি রেস্টে আছে বলে জানা যায় ডাক্তার কে কল দিলে বের হতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে সরজমিনে গিয়ে দেখা মেলে এমার্জেন্সিতে ডাক্তার আছে কিন্তু ডাক্তার রেস্টে আছে রোগী মরে গেলেও ডাক্তারের কিছু করার নাই কারণ উনি তো রেস্ট করতেছে ডাক্তার কে জিজ্ঞেস করলে আমার রোগী ইমারজেন্সি ডাক্তার উত্তরে বলে আপনার রোগী মারা গেলে আমার কি কথা না বলে বাহিরে যান বলে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় আচরণ ও করেন তারা স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস এ হাসপাতালের উদ্ধতম কর্মকর্তা তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে এ হাসপাতালে তার নিজের বাড়ির মতই চলে হাসপাতাল এবং তার অবহেলার কারণে এই হাসপাতালে ডাক্তারদের এই অবস্থা চাকরি তো নয় তাদের নিজের বাসভবন হিসেবে তারা রয়েছে তা না হলে তাদের পোস্টিং হয় না কেন অন্য জায়গায় বলে জানিয়েছেন তারা এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি অফিসে না থাকায় সম্ভব হয় নাই।