০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৪-২৫

অতিরিক্ত করজালে আবাসন খাত

➤নির্মাণসামগ্রী আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ
➤ইটে করহার ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে
➤করপোরেট করসহ রেজিস্ট্রেশনের খরচ প্রায় ৩০ শতাংশ

 

◆ রেজিস্ট্রেশন খরচ বেশি হলে ক্রেতা নিরুৎসাহিত হন। এতে রাজস্ব হারাবে সরকার -মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সভাপতি, রিহ্যাব

 

 

দেশে লাগামহীম মূল্যস্ফীতির ফলে টালমাটাল আবাসিক খাত। দফায় দফায় নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় বাসা-বাড়ি নির্মাণে ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এর ফলে বেড়েছে ফ্ল্যাটের দামও। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে সংসারের খরচও বেড়েছে। ফলে টিকে থাকার লড়াইয়ে মধ্যবিত্তদের ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্ন অনেকটা ফিকে হয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে আবাসন খাতের ফ্ল্যাট বিক্রিতে। সব মিলিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

 

এরই মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাতে অতিরিক্ত করারোপ করা হয়েছে। এদিকে সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে সরকারের কাছে বেশকিছু প্রস্তাব দেন আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা। তবে বাজেটে সেসব দাবি ফিকে হয়েছে বলে মনে করছেন আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে জমি ও ফ্ল্যাটের নিবন্ধন ফি কমানো, সহজে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা, নির্মাণসামগ্রীর দাম নাগালে রাখা এবং ডলার সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা।

 

প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে নির্মাণ খাতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ইটের ওপর বেড়েছে কর। এছাড়া শুল্ক বসেছে প্রি-ফেব্রিকেটেড বিল্ডিং তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের পণ্যে। ভ্যাট বেড়েছে জেনারেটর ও এসিতে। আবাসন ব্যবসায়ীদের মূল দাবি ভ্যাট-ট্যাক্স, রেজিস্ট্রেশন খরচের বিষয়েও কোনো আশার বাণী নেই নতুন অর্থবছরের বাজেটে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাত বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজেটে প্রি-ফেব্রিকেটেড বিল্ডিং তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্যের ওপরে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্মাণ খাতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ইটের ওপর করহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বাড়বে ইটের দাম। এসবের প্রভাব পড়বে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ ব্যয়ে। তবে চূড়ান্তভাবে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা বহন করতে হবে ক্রেতাকেই। এতে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি কমবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধনে কর বাড়িয়ে প্রায় দ্বিগুণ করেছে সরকার। বর্তমানে জমি নিবন্ধনে চুক্তি মূল্যের ৮ শতাংশ কর দিতে হয়। এর ফলে জমির দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারে ৮০০ টাকা বা চুক্তি মূল্যের ৮ শতাংশ যেটি বেশি, সেটি কর হিসেবে দিতে হবে। এভাবে নিবন্ধন ফি বাড়ার কারণে ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধনে আগ্রহ কমেছে ক্রেতাদের। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাওয়া তথ্যমতে, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে শুধু ঢাকাতে এ খাত থেকে আয়কর আদায় কমে নেমেছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ও আশপাশের ১৭টি সরকারি নিবন্ধন কার্যালয়ে জমি বা ফ্ল্যাট নিবন্ধন করা হয়। এসব কার্যালয়ের হিসাবে দেখা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে এই নিবন্ধন কর পাওয়া গেছে মাত্র ৩২ কোটি টাকা। এর আগের বছর (২০২২ সাল) জুলাইয়ে নিবন্ধন করের পরিমাণ ছিল ১০১ কোটি টাকা। গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে এ বছরের জুলাইয়ে নিবন্ধন ফি বাবদ কর কম আদায় হয়েছে ৬৯ কোটি টাকা।

নির্মাণসামগ্রী নিয়ে করা রিহ্যাবের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২১ সালে প্রতি টন রড কেনা যেত প্রায় ৭০ হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে রডের টন কিনতে খরচ হয় লাখ টাকার ওপর। সেই হিসাবে গত তিন বছরের ব্যবধানে প্রতি টন রডের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা।

নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে শুধু রডের দাম পর্যবেক্ষণ করে থাকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সংস্থাটির তথ্যে দেখা গেছে, গত এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে রডের দাম।

রিহ্যাবের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রডের পাশাপাশি বেড়েছে সিমেন্টের দামও। প্রতি বস্তা সিমেন্ট কিনতে এখন খরচ হয় ৫০০ থেকে ৫৮০ টাকা, যা বছর দুয়েক আগেও ৩৯০ থেকে ৪২৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত।

রিহ্যাব সূত্র জানায়, বর্তমানে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন ব্যয় অত্যধিক। এর মধ্যে গেইন ট্যাক্স ৮ শতাংশ, স্ট্যাম্প ফি দেড় শতাংশ, রেজিস্ট্রেশন ফি এক শতাংশ, স্থানীয় সরকার কর ২ শতাংশ, এমআইটি ৫ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর সাড়ে ৪ শতাংশ মিলিয়ে মোট ২২ শতাংশ রেজিস্ট্রেশন খরচ। এর সঙ্গে যদি করপোরেট ট্যাক্স যোগ করা হয় তাহলে রেজিস্ট্রেশনের খরচ হয় ৩০ শতাংশ। তারা এই রেজিস্ট্রেশন খরচ সব মিলিয়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে।

এ বিষয়ে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, রেজিস্ট্রেশন ব্যয় কম হলে ক্রেতারা জমির সঠিক মূল্য দেখাতে উৎসাহিত হবেন। আমরা বার বার বলে আসছি আবাসন খাতের রেজিস্ট্রেশন খরচ কমানোর জন্য। প্রস্তাবিত বাজেট পেশ হওয়ার আগেও আমাদের প্রস্তাব ছিল এটা। কারণ, একটি ফ্ল্যাট নতুন ও পুরোনো অবস্থায় দুই ক্রেতার কাছে গেলেও একই পরিমাণ রেজিস্ট্রেশন খরচ। এতে ক্রেতা নিরুৎসাহিত হন, দাম কম দেখানোর প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এতে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৪-২৫

অতিরিক্ত করজালে আবাসন খাত

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪

➤নির্মাণসামগ্রী আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ
➤ইটে করহার ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে
➤করপোরেট করসহ রেজিস্ট্রেশনের খরচ প্রায় ৩০ শতাংশ

 

◆ রেজিস্ট্রেশন খরচ বেশি হলে ক্রেতা নিরুৎসাহিত হন। এতে রাজস্ব হারাবে সরকার -মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সভাপতি, রিহ্যাব

 

 

দেশে লাগামহীম মূল্যস্ফীতির ফলে টালমাটাল আবাসিক খাত। দফায় দফায় নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় বাসা-বাড়ি নির্মাণে ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এর ফলে বেড়েছে ফ্ল্যাটের দামও। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে সংসারের খরচও বেড়েছে। ফলে টিকে থাকার লড়াইয়ে মধ্যবিত্তদের ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্ন অনেকটা ফিকে হয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে আবাসন খাতের ফ্ল্যাট বিক্রিতে। সব মিলিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

 

এরই মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাতে অতিরিক্ত করারোপ করা হয়েছে। এদিকে সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে সরকারের কাছে বেশকিছু প্রস্তাব দেন আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা। তবে বাজেটে সেসব দাবি ফিকে হয়েছে বলে মনে করছেন আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে জমি ও ফ্ল্যাটের নিবন্ধন ফি কমানো, সহজে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা, নির্মাণসামগ্রীর দাম নাগালে রাখা এবং ডলার সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা।

 

প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে নির্মাণ খাতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ইটের ওপর বেড়েছে কর। এছাড়া শুল্ক বসেছে প্রি-ফেব্রিকেটেড বিল্ডিং তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের পণ্যে। ভ্যাট বেড়েছে জেনারেটর ও এসিতে। আবাসন ব্যবসায়ীদের মূল দাবি ভ্যাট-ট্যাক্স, রেজিস্ট্রেশন খরচের বিষয়েও কোনো আশার বাণী নেই নতুন অর্থবছরের বাজেটে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাত বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজেটে প্রি-ফেব্রিকেটেড বিল্ডিং তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্যের ওপরে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্মাণ খাতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ইটের ওপর করহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বাড়বে ইটের দাম। এসবের প্রভাব পড়বে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ ব্যয়ে। তবে চূড়ান্তভাবে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা বহন করতে হবে ক্রেতাকেই। এতে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি কমবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধনে কর বাড়িয়ে প্রায় দ্বিগুণ করেছে সরকার। বর্তমানে জমি নিবন্ধনে চুক্তি মূল্যের ৮ শতাংশ কর দিতে হয়। এর ফলে জমির দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারে ৮০০ টাকা বা চুক্তি মূল্যের ৮ শতাংশ যেটি বেশি, সেটি কর হিসেবে দিতে হবে। এভাবে নিবন্ধন ফি বাড়ার কারণে ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধনে আগ্রহ কমেছে ক্রেতাদের। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাওয়া তথ্যমতে, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে শুধু ঢাকাতে এ খাত থেকে আয়কর আদায় কমে নেমেছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ও আশপাশের ১৭টি সরকারি নিবন্ধন কার্যালয়ে জমি বা ফ্ল্যাট নিবন্ধন করা হয়। এসব কার্যালয়ের হিসাবে দেখা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে এই নিবন্ধন কর পাওয়া গেছে মাত্র ৩২ কোটি টাকা। এর আগের বছর (২০২২ সাল) জুলাইয়ে নিবন্ধন করের পরিমাণ ছিল ১০১ কোটি টাকা। গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে এ বছরের জুলাইয়ে নিবন্ধন ফি বাবদ কর কম আদায় হয়েছে ৬৯ কোটি টাকা।

নির্মাণসামগ্রী নিয়ে করা রিহ্যাবের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২১ সালে প্রতি টন রড কেনা যেত প্রায় ৭০ হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে রডের টন কিনতে খরচ হয় লাখ টাকার ওপর। সেই হিসাবে গত তিন বছরের ব্যবধানে প্রতি টন রডের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা।

নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে শুধু রডের দাম পর্যবেক্ষণ করে থাকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সংস্থাটির তথ্যে দেখা গেছে, গত এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে রডের দাম।

রিহ্যাবের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রডের পাশাপাশি বেড়েছে সিমেন্টের দামও। প্রতি বস্তা সিমেন্ট কিনতে এখন খরচ হয় ৫০০ থেকে ৫৮০ টাকা, যা বছর দুয়েক আগেও ৩৯০ থেকে ৪২৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত।

রিহ্যাব সূত্র জানায়, বর্তমানে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন ব্যয় অত্যধিক। এর মধ্যে গেইন ট্যাক্স ৮ শতাংশ, স্ট্যাম্প ফি দেড় শতাংশ, রেজিস্ট্রেশন ফি এক শতাংশ, স্থানীয় সরকার কর ২ শতাংশ, এমআইটি ৫ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর সাড়ে ৪ শতাংশ মিলিয়ে মোট ২২ শতাংশ রেজিস্ট্রেশন খরচ। এর সঙ্গে যদি করপোরেট ট্যাক্স যোগ করা হয় তাহলে রেজিস্ট্রেশনের খরচ হয় ৩০ শতাংশ। তারা এই রেজিস্ট্রেশন খরচ সব মিলিয়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে।

এ বিষয়ে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, রেজিস্ট্রেশন ব্যয় কম হলে ক্রেতারা জমির সঠিক মূল্য দেখাতে উৎসাহিত হবেন। আমরা বার বার বলে আসছি আবাসন খাতের রেজিস্ট্রেশন খরচ কমানোর জন্য। প্রস্তাবিত বাজেট পেশ হওয়ার আগেও আমাদের প্রস্তাব ছিল এটা। কারণ, একটি ফ্ল্যাট নতুন ও পুরোনো অবস্থায় দুই ক্রেতার কাছে গেলেও একই পরিমাণ রেজিস্ট্রেশন খরচ। এতে ক্রেতা নিরুৎসাহিত হন, দাম কম দেখানোর প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এতে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।