০১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষের বন্যা আতঙ্ক

ভারতের সিকিমে পাহাড় ধসে ভেঙে গেছে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি বাঁধ। ফলে পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা বাঁধে পানির চাপ দ্রুতই বাড়ছে। উজানের ঢল যে কোনো সময় বাংলাদেশে প্রবেশ করে মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সুত্রে জানা যায়, তিস্তার পানি বাড়লেও বন্যার তেমন শঙ্কা নেই। জানা ৃযায়, ভারতের সিকিমে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর মালদহের গজলডোবা, বামনগোলা ও পুরাতন মালদহে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গজলডোবা বাঁধের পানি তিস্তা নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। গত ২২ আগস্ট বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল ৫১ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। একই সময়ে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল ২৮ দশমিক ৬১ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টের বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি বাড়লেও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি নাও হতে পারে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক আছে। এদিকে ভারতের মেঘালয় ও আসামে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পর হঠাৎ বড় বন্যার কবলে পড়েছে কুমিল্লা, সিলেট ও চট্টগ্রাম অ ল। এ কারণে রংপুর,নীলফামারী, লালমনিরহাট,কড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার তিস্তাপাড়ের মানুষ আতস্কিত হয়ে পড়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষের বন্যা আতঙ্ক

আপডেট সময় : ১০:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

ভারতের সিকিমে পাহাড় ধসে ভেঙে গেছে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি বাঁধ। ফলে পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা বাঁধে পানির চাপ দ্রুতই বাড়ছে। উজানের ঢল যে কোনো সময় বাংলাদেশে প্রবেশ করে মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সুত্রে জানা যায়, তিস্তার পানি বাড়লেও বন্যার তেমন শঙ্কা নেই। জানা ৃযায়, ভারতের সিকিমে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর মালদহের গজলডোবা, বামনগোলা ও পুরাতন মালদহে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গজলডোবা বাঁধের পানি তিস্তা নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। গত ২২ আগস্ট বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল ৫১ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। একই সময়ে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল ২৮ দশমিক ৬১ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টের বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি বাড়লেও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি নাও হতে পারে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক আছে। এদিকে ভারতের মেঘালয় ও আসামে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পর হঠাৎ বড় বন্যার কবলে পড়েছে কুমিল্লা, সিলেট ও চট্টগ্রাম অ ল। এ কারণে রংপুর,নীলফামারী, লালমনিরহাট,কড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার তিস্তাপাড়ের মানুষ আতস্কিত হয়ে পড়েছে।