গত পাঁচ দিনে হঠাৎ ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে পড়ে ফেনীসহ আশপাশের এলাকা। এরই ধারাবাহিকতায় দাগনভূঞার বিভিন্ন ইউনিয়নেও বন্যা পরিস্থিতি অবনতি ঘটে এবং বাড়তে থাকে পানি। এতে করে মানুষ তীব্র খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকটে পড়ে। একদিকে বন্যা আর অন্য দিকে খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট। যার জন্য এ উপজেলার মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।
ভারত থেকে আসা ঢল আর ভারি বর্ষণে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় দুর্ভোগে পড়েছেন এ উপজেলার মানুষ।
বিশেষ করে সিন্ধুরপু, রাজাপুর , চন্দ্রদীপ, জয়লস্কর, ইয়াকুবপুর, মাতুভূঞা, ৬ নং সদর ইউনিয়ন সহ দাগনভূঞা পৌরসভার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
পানি ক্রমান্বয়ে এখনো বাড়তে থাকায় ওইসব এলাকায় অনেক বাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেকে দাগনভূঞার আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রয় নিলেও পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সেসব এলাকায় আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। শুরুর দিকে আটকে পড়া মানুষদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারলেও এক পর্যায়ে মোবাইল নেটওয়ার্কও বন্ধ হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভারত থেকে নেমে আসা ঢলের পানি ও ভারি বর্ষেনের কারনে বন্যা সৃষ্টি হয়। আশা করি আগামী দু/ এক দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি হবে।
বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে যে, মানুষ তীব্র খাদ্য, ঔষধ ও সুপেয় পানির সংকটে রয়েছে। বিশেষ করে শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির জন্য আহ্বান জানান সকলের নিকট।
এদিকে বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন তাদের উদ্ধার কাজ খাদ্য সহায়তা চলমান রেখেছে। গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, আস- সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, বেতুয়া ফাউন্ডেশন, জামাতে ইসলামের কর্মতৎপর চোখে পড়ার মতো।
দাগনভূঞা আতাতুর্ক উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে আসা এক ভাই সবুজ বাংলাকে বলেন, বন্যার পানি আমার ঘরকে পুরোই ডুবিয়ে দিয়েছে। আমার সব কিছু শেষ। এখন শূন্য হয়ে গিয়েছি। আগামী এক বছরে ও আমাদের এ ক্ষতি পোষার নয়।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিবেদিতা চাকমা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন ও বন্যার্ত মানুষদের যথাযথ উদ্ধার ও সরকারি সকল সুবিধার আশ্বস্ত করেন।
























