হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি’র পদত্যাগ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন,বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি জানায়।
শনিবার ৩১আগষ্ট বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা ভিসি’র স্যারের পদত্যাগ বাতিল সহ ৫ দফা দাবি বাস্তবতা কর্মসূচি জানিয়ে আন্দোলন করে।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে জামালদী এলাকায় অবস্থিত হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়।সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে দেখা যাচ্ছে গণহারে ভিসি সহ প্রফেসর পদত্যাগের বিষয়গুলো।কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্ব-ইচ্ছে একাধিক কর্মকর্তা পদত্যাগ করছেন।আবার এর উল্টো চিত্র ও দেখা যাচ্ছে নানা দূর্নীতি দেখিয়ে নানা মহল থেকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ও পদত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে একাধিক শিক্ষক কে।শিক্ষার্থীদের দাবি হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যারকে চাপের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সে সময় হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীগন যেসকল দাবিগুলো ৫ দফার মাধ্যমে তুলে ধরেন।প্রথম দাবি,ভিসি স্যারের প্রদত্যাগ বাতিল করে স্ব মর্যাদায় আগামী কর্মদিবসে অফিসে যোগদানের ব্যবস্থা করা।দ্বিতীয় দাবি,ইউনানি ও আয়ুর্বেদি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান খায়রুল আলম স্যারকে আগামীকাল সকাল ১০ টার মধ্যে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে সকল শিক্ষার্থীদের সামনে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে।তৃতীয় দাবি,বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বোর্ডকে আগামীকাল সকাল ১০টা মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে ভিসি স্যারকে পদত্যাগ করানোর কারনে লিখিত বিবৃতি দিতে হবে।চতুর্থ দাবি,বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি স্যারের ক্ষমতাই সর্বোচ্চ ক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। এবং সর্বশেষ যে পঞ্চম দাবি টি শিক্ষার্থীরা উত্থাপন করেন,
ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের সকল দাবি মেনে নিয়ে তাদের অধিকার নিশ্চিতকরণের বিবৃতি প্রদান করতে হবে।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে আব্দুল্লা ছাদ, আব্দুল্লাহ ফেরদৌস ও ইফাত জানান হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা ভিসির হহজপদত্যাগ ষড়যন্ত্রমূলক এবং উদ্দেশ্য প্রণীত ভাবে হয়েছে। ভিসির পদত্যাগ বাতিল সহ ১৭ দিন যাবত ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ডিপার্টমেন্ট শিক্ষার্থীদের চালিয়ে যাওয়া আন্দোলনের অংশ হিসাবে পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে কর্মসূচি ঘোষণা করে। আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
তবে এ বিষয়ে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক পক্ষ থেকে কোষাধক্ষ্য প্রফেসর আবুল খায়ের জানান ভিসি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ জমা দিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তাদের রেজিস্ট্রেশন দ্রুত সময়ে দেয়া। তথ্য সূত্রে ৫৪ জন শিক্ষার্থী কে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। ইউনিয়নী বিভাগের সভাপতি খায়রুল আলম কর্মস্থলে অনুপস্থিত বিষয়টি উনি নিজেই ভাল জানেন। এই বিষয়ে আমি অবগত নেই। পর্যায়কর্মে সকল জটিলতার অবসান হবে।
























