সারাদেশে চিকিৎসকদের কম্পিলিট শাটডাউন ঘোষণার পর রোববার যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বৈকালিক চিকিৎসাসেবা বন্ধ ছিলো। এদিন দুপুর ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত কোন চিকিৎসক চেম্বারে আসেননি। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা সরকারিভাবে চিকিৎসাসেবা নিতে পারেননি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রোববার বিকেলে চিকিৎসকদের চেম্বার শূণ্য ছিলো। রোস্ট্রার অনুযায়ী দায়িত্ব পালনকারী কোন চিকিৎসকের হাসপাতালে দেখাও মেলেনি। ফলে সরকারিভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে রোগীরা ফিরে যান।
গোলাম রসুল নামে একজন জানান, হাসপাতালে বৈকালিক চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে সেটা তিনি জানতেন না। হাসপাতালে আসার পর বিষয়টি জানতে পারেন। হঠাৎ করে চিকিৎসাসেবা বন্ধ ঘোষণার কারণে তার মতো অনেক রোগী হয়রানির শিকার হয়েছেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, সকালে হাসপাতালের সকল চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু ছিলো। কিন্তু সারাদেশের চিকিৎসকদের কম্পিলিট শাটডাউন ঘোষণার পর চিকিৎসকরা বৈকালিক চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখেন।
উল্লেখ্য, শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারী বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীর চিকিৎসা অবহেলায় মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকদের মারধর করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সারাদেশে চিকিৎসকদের কম্পিলিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়।
























