* প্রগতি সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদককে অপহরণ।
* স্বেচ্ছাসেবক দলের রানা’র বিরুদ্ধে এ অপহরণের অভিযোগ।
সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে প্রগতি সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান ফারুককে অপহরণের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রানাকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার(০২ সেটেম্বর) প্রগতি সংঘের আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রগতি সংঘের সভাপতি রকিবুল হাসান।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান ফারুক বলেন, গত ২৮ আগষ্ট রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় আমি পৌর সদরের দোলভিটায় আমার বোনের বাড়ী থেকে আমার বাড়ী মনিরামপুর ফেরার পথে একই গ্রামের মৃত প্রান গোপাল সাহার বাড়ীর কাছে পৌছাইলে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক মারাত্বক অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রানা(ককটেল রানা)’র নেতৃত্বে সাব্বির, অপু, সজীব, রহমত, অন্তর, ইমদাদুল ও শাহিনসহ আমাকে ঘিরে ধরে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে তাহা দিতে অস্বীকার করায় অস্ত্রের মুখে সিএনজি’তে তুলে দরগাপাড়ায় পীর সাহেবের ঘাটে নিয়ে গিয়ে শ্যালো নৌকায় জোর পূর্বক উঠাইয়া নিয়া মাঝ নদীতে আমাকে নৌকায় মাইর-পিট করিয়া হত্যার হুমকী দিতে থাকে।
তিনি আরও জানান, তদাবস্থায় আমার স্ত্রী রোকেয়া খাতুন লোক মারফত ঘটনার কথা জানতে পেরে আমাকে উদ্ধারের জন্য শাহজাদপুর থানা ও সেনাবাহিনীকে আমার অপহরনের সংবাদ দেয়, এরপর আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আমাকে উদ্ধারের জন্য রওনা হলে, এ সংবাদ পেয়ে আসামীগন আমাকে রাত ২ ঘটিকার দিকে সেই ঘাটের অদূরে নামাইয়া দেয়। এরপর আমার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীল সাথে দেখা হলে আমি অপহরনের ঘটনা তাহাদের নিকট খুলিয়া বলি। তারপর শাহজাদপুর আদালতে রানা(ককটেল রানা)সহ ৮ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করি।
উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রগতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন আসলাম, প্রচার সম্পাদক মজিবুর রহমান, যুগ্ন সা. সম্পাদক জালাল হোসেন, মোঃ ওমর, আরিফুল হক সাজুসহ পৌর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এবিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রানা’র সাথে তার মুঠোফোনে যোগযোগ করার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়
























