০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদরাসাপড়ুয়াদের ইংরেজি শেখান ইয়াহইয়া মাহমুদ

বিশ্ব পরিমণ্ডলে দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে দিতে ইংরেজি ভাষা শেখার বিকল্প নেই। তাই ইংরেজিতে দক্ষ একদল দাঈ তৈরি করার লক্ষ্যে নিজ এলাকার মাদরাসাশিক্ষার্থীদের ভাষাটি শেখাচ্ছেন তরুণ আলেম ইয়াহইয়া মাহমুদ। ইতোমধ্যেই বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। ইয়াহইয়া মাহমুদ ফরিদপুরের সালথা থানার গাট্টি গ্রামের মাওলানা আইয়ুব আলী খানের ছেলে। তার বাবা গাট্টি ইসলামিয়া মাদরাসার মুহতামিম। নিজের অনন্য প্রতিভায় অল্পদিনেই মাহমুদ’স এডুকেশন নামে ইংরেজি শিক্ষার একটি প্রতিষ্ঠান গড়েছেন ইয়াহইয়া, একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘মারকাজুন নুরাইন ইংলিশ মিডিয়াম মাদরাসা’ও। বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আরও ৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখাচ্ছেন তিনি।

তরুণ এই আলেম বলেন, একজন সচেতন আলেমের জন্য যুগের চাহিদা অনুযায়ী সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। সেদিকটা লক্ষ্য রেখেই আমি দ্বীনের খেদমতের পাশাপাশি এই খেদমতটিও বেছে নিয়েছি। এ পর্যন্ত কয়েকশ’ শিক্ষার্থীকে ইংরেজি ভাষা শিখিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছেন স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা। তাদের অনেকে দক্ষ হয়ে বর্তমানে অন্যদেরকেও ইংরেজি শেখাচ্ছেন। ইয়াহইয়া মাহমুদ কওমি মাদরাসা থেকে হিফজ, দাওরায়ে হাদিস ও ইফতা সম্পন্ন করেছেন। ছাত্র বয়সেই ইংরেজির প্রতি ঝুঁক ছিল তার। সেই আগ্রহ থেকে শুরুতে একা একা বই পড়ে ইংরেজি শেখার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ইংরেজির ওপর ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন তিনি। তরুণ এই আলেম বলেন, যখন মনে হলো আমি ইংরেজি আয়ত্ব করতে পেরেছি, তখন চিন্তা করলাম বহির্বিশ্বে ইসলামের অমিয় বাণী পৌঁছে দিতে কাওমিপড়ুয়াদের ইংরেজি শেখার বিকল্প নেই। সেই মহৎ লক্ষ্য নিয়েই গেল বছরের রমজানে একটি অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে পা বাড়াই। ধীরে ধীরে চারদিক থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছিলাম।

শুরুর মাসতিনেক পার না হতেই অফলাইনে পাঠদান শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমার স্টুডেন্টরা এখন স্বাচ্ছন্দে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারে। সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশী। উল্লেখ্য, বর্তমানে অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে অন্তত ১১টি কোর্স পরিচালনা করছেন মেধাবী এই কাওমি আলেম।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদরাসাপড়ুয়াদের ইংরেজি শেখান ইয়াহইয়া মাহমুদ

আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বিশ্ব পরিমণ্ডলে দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে দিতে ইংরেজি ভাষা শেখার বিকল্প নেই। তাই ইংরেজিতে দক্ষ একদল দাঈ তৈরি করার লক্ষ্যে নিজ এলাকার মাদরাসাশিক্ষার্থীদের ভাষাটি শেখাচ্ছেন তরুণ আলেম ইয়াহইয়া মাহমুদ। ইতোমধ্যেই বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। ইয়াহইয়া মাহমুদ ফরিদপুরের সালথা থানার গাট্টি গ্রামের মাওলানা আইয়ুব আলী খানের ছেলে। তার বাবা গাট্টি ইসলামিয়া মাদরাসার মুহতামিম। নিজের অনন্য প্রতিভায় অল্পদিনেই মাহমুদ’স এডুকেশন নামে ইংরেজি শিক্ষার একটি প্রতিষ্ঠান গড়েছেন ইয়াহইয়া, একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘মারকাজুন নুরাইন ইংলিশ মিডিয়াম মাদরাসা’ও। বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আরও ৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখাচ্ছেন তিনি।

তরুণ এই আলেম বলেন, একজন সচেতন আলেমের জন্য যুগের চাহিদা অনুযায়ী সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। সেদিকটা লক্ষ্য রেখেই আমি দ্বীনের খেদমতের পাশাপাশি এই খেদমতটিও বেছে নিয়েছি। এ পর্যন্ত কয়েকশ’ শিক্ষার্থীকে ইংরেজি ভাষা শিখিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছেন স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা। তাদের অনেকে দক্ষ হয়ে বর্তমানে অন্যদেরকেও ইংরেজি শেখাচ্ছেন। ইয়াহইয়া মাহমুদ কওমি মাদরাসা থেকে হিফজ, দাওরায়ে হাদিস ও ইফতা সম্পন্ন করেছেন। ছাত্র বয়সেই ইংরেজির প্রতি ঝুঁক ছিল তার। সেই আগ্রহ থেকে শুরুতে একা একা বই পড়ে ইংরেজি শেখার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ইংরেজির ওপর ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন তিনি। তরুণ এই আলেম বলেন, যখন মনে হলো আমি ইংরেজি আয়ত্ব করতে পেরেছি, তখন চিন্তা করলাম বহির্বিশ্বে ইসলামের অমিয় বাণী পৌঁছে দিতে কাওমিপড়ুয়াদের ইংরেজি শেখার বিকল্প নেই। সেই মহৎ লক্ষ্য নিয়েই গেল বছরের রমজানে একটি অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে পা বাড়াই। ধীরে ধীরে চারদিক থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছিলাম।

শুরুর মাসতিনেক পার না হতেই অফলাইনে পাঠদান শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমার স্টুডেন্টরা এখন স্বাচ্ছন্দে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারে। সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশী। উল্লেখ্য, বর্তমানে অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে অন্তত ১১টি কোর্স পরিচালনা করছেন মেধাবী এই কাওমি আলেম।