০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের নানা অভিযোগ

নওগাঁর মান্দার পাঁজরভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতিসহ অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর (রোববার) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষক-কর্মচারী।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের সময় সহকারী শিক্ষক মোছা. শাহীদা খাতুনের কাছে ৪ লক্ষ্য ৫১ হাজার, কবিতা রানীর কাছে ৫ লক্ষ ১৫ হাজার, এনটিআরসিএ থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষক আল-আমিনের কাছে ৪০ হাজার, মো. মতিউর রহমানের কাছে ৪০ হাজার, মো. আনিসুর রহমানের কাছে ৭০ হাজার এবং অফিস সহায়ক আসাদুজ্জামানের কাছে ১১ লক্ষ ৫০ হাজার হাতিয়ে নেয়।
এছাড়াও প্রফিডেন্ট ফ্র্যান্ডের লভ্যাংশ বাবদ ৪ লাখ ৩ হাজার, ২শত, টিউশন ফি বাবদ ৪ লাখ ৯০ হাজার, লাইব্রেরির অনুদান বাবদ এক লক্ষ ৪০ হাজার, প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র বিক্রয় বাবদ ৩৫ হাজার, শিক্ষকদের নিকট থেকে জরিমানা আদায় আনিসুর রহামানের কাছ থেকে ২ হাজার, কবিতা রানীর কাছ থেকে ১৫ হাজার, রমজান আলীর কাছে থেকে ১৪ হাজার এবং ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন নিমার্ণে ঠিকাদারের কাছে থেকে ৫ লক্ষসহ মোট ২৭ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
এছাড়াও অভিযোগে আরও বলেন, প্রতিনিয়ত শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে অসদাচারণ অফিসিয়াল কাগজপত্র ও আসবাবপত্র বাড়িতে ব্যবহার করে থাকেন। শিক্ষকদের প্রাপ্য পদোন্নতিতে বাধা সৃষ্টি, হয়রানি এবং বিনা কারনে শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক শোকজ ও ভাউচার বিহীন শিক্ষকদের হাতে অতিরিক্ত টাকার পরিমান বসিয়ে স্লিপ ধরিয়ে দেয়। প্রধান শিক্ষকের দূর্ণীতির অভিযোগ দেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষকরা বলেন, আমাদের নিয়োগের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে আমাদের কাছে থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফ্রান্ড থেকে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। আমরা তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এবিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক জালালের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের নানা অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
নওগাঁর মান্দার পাঁজরভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতিসহ অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর (রোববার) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষক-কর্মচারী।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের সময় সহকারী শিক্ষক মোছা. শাহীদা খাতুনের কাছে ৪ লক্ষ্য ৫১ হাজার, কবিতা রানীর কাছে ৫ লক্ষ ১৫ হাজার, এনটিআরসিএ থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষক আল-আমিনের কাছে ৪০ হাজার, মো. মতিউর রহমানের কাছে ৪০ হাজার, মো. আনিসুর রহমানের কাছে ৭০ হাজার এবং অফিস সহায়ক আসাদুজ্জামানের কাছে ১১ লক্ষ ৫০ হাজার হাতিয়ে নেয়।
এছাড়াও প্রফিডেন্ট ফ্র্যান্ডের লভ্যাংশ বাবদ ৪ লাখ ৩ হাজার, ২শত, টিউশন ফি বাবদ ৪ লাখ ৯০ হাজার, লাইব্রেরির অনুদান বাবদ এক লক্ষ ৪০ হাজার, প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র বিক্রয় বাবদ ৩৫ হাজার, শিক্ষকদের নিকট থেকে জরিমানা আদায় আনিসুর রহামানের কাছ থেকে ২ হাজার, কবিতা রানীর কাছ থেকে ১৫ হাজার, রমজান আলীর কাছে থেকে ১৪ হাজার এবং ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন নিমার্ণে ঠিকাদারের কাছে থেকে ৫ লক্ষসহ মোট ২৭ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
এছাড়াও অভিযোগে আরও বলেন, প্রতিনিয়ত শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে অসদাচারণ অফিসিয়াল কাগজপত্র ও আসবাবপত্র বাড়িতে ব্যবহার করে থাকেন। শিক্ষকদের প্রাপ্য পদোন্নতিতে বাধা সৃষ্টি, হয়রানি এবং বিনা কারনে শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক শোকজ ও ভাউচার বিহীন শিক্ষকদের হাতে অতিরিক্ত টাকার পরিমান বসিয়ে স্লিপ ধরিয়ে দেয়। প্রধান শিক্ষকের দূর্ণীতির অভিযোগ দেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষকরা বলেন, আমাদের নিয়োগের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে আমাদের কাছে থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফ্রান্ড থেকে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। আমরা তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এবিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক জালালের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।