০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় শ্রমিকরা কাজে ফিরতে শুরু করলেও ছুটি অব্যাহত ৪৫ কারখানায়

◉শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় কর্মরত শ্রমিকদের মাঝে
◉অধিকাংশ শিল্প কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে।
◉ স্বাভাবিক হচ্ছে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল, খুলছে কারখানা
◉ বন্ধ থাকা ৪৫টি কারখানা খোলার বিষয়ে শ্রমিকরা মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে
টানা চলমান শ্রমিক আন্দোলনে গত কয়েকদিনের শ্রমিক অসন্তোষের পর স্বস্তি ফিরতে শুরু হলেও ৪৫টি কারখানা ছাড়া সকল কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্রমিক আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গতকালের চেয়ে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে ।
আজ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আশুলিয়ার পলাশবাড়ী, জিরাবো, নিশ্চিন্তপুর, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট,জামগড়া, বলিভদ্র বাইপাইলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় শ্রমিকদের কাজে ফিরতে , তাদেরকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পোশাক কারখানায় প্রবেশ করতে দেখা যায়।
প্রায় সব কারখানা খুলে দেয়া হলেও ৪৫টি কারখানায় শ্রমিকরা মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছেন। আলোচনায় সিদ্ধান্তে পৌঁছলে সেসব কারখানাতেও উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিল্পপুলিশ।
শিল্প পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, অনেক কারখানায় আজ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশ করে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। কিছু কিছু কারখানা এখনো খুলে দেয়া হয়নি। গেটে এখনো বন্ধের নোটিশ রয়েছে। এসব কারখানার শ্রমিকরা বাসায় ফিরে গেছেন। শ্রমিকরা মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কাজে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। শ্রমিকরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেনি। বেশিরভাগ কারখানা শ্রমিকদের দাবি মেনে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম সবুজ বাংলা’র স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু’কে বলেন,সকালে কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা প্রবেশ করেছে। প্রায় সব কারখানায় কাজ চলমান আছে। প্রায় ৪৫টি কারখানায় দাবি-দাওয়া নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতের মিল না হওয়ায় এখনো কাজ শুরু হয়নি।
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার অধিকাংশ শিল্প কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ কর্মস্থলে কাজে যোগ দিতে দেখা গেছে শ্রমিকদের।
অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল। বন্ধ কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র নেতারা।
গতকাল সোমবার রাতে গার্মেন্টস মালিক-শ্রমিক পক্ষ ও যৌথবাহিনীর বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আরও জানানো হয়, সম্প্রতি আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আন্দোলনকারী কোনো শ্রমিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে না। নারী-পুরুষ বৈষম্য না করে; যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে- এমনটাও জানান বিজিএমইএ’র নেতারা।
এছাড়া, টিফিনে আগের বরাদ্দের সঙ্গে বাড়তি ১০ টাকা যুক্ত হবে। আর হাজিরা বোনাস হিসাবে প্রতি মাসে বেতনের সঙ্গে দেওয়া হবে ২২৫ টাকা।
জনপ্রিয় সংবাদ

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় শ্রমিকরা কাজে ফিরতে শুরু করলেও ছুটি অব্যাহত ৪৫ কারখানায়

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
◉শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় কর্মরত শ্রমিকদের মাঝে
◉অধিকাংশ শিল্প কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে।
◉ স্বাভাবিক হচ্ছে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল, খুলছে কারখানা
◉ বন্ধ থাকা ৪৫টি কারখানা খোলার বিষয়ে শ্রমিকরা মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে
টানা চলমান শ্রমিক আন্দোলনে গত কয়েকদিনের শ্রমিক অসন্তোষের পর স্বস্তি ফিরতে শুরু হলেও ৪৫টি কারখানা ছাড়া সকল কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্রমিক আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গতকালের চেয়ে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে ।
আজ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আশুলিয়ার পলাশবাড়ী, জিরাবো, নিশ্চিন্তপুর, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট,জামগড়া, বলিভদ্র বাইপাইলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় শ্রমিকদের কাজে ফিরতে , তাদেরকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পোশাক কারখানায় প্রবেশ করতে দেখা যায়।
প্রায় সব কারখানা খুলে দেয়া হলেও ৪৫টি কারখানায় শ্রমিকরা মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছেন। আলোচনায় সিদ্ধান্তে পৌঁছলে সেসব কারখানাতেও উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিল্পপুলিশ।
শিল্প পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, অনেক কারখানায় আজ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশ করে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। কিছু কিছু কারখানা এখনো খুলে দেয়া হয়নি। গেটে এখনো বন্ধের নোটিশ রয়েছে। এসব কারখানার শ্রমিকরা বাসায় ফিরে গেছেন। শ্রমিকরা মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কাজে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। শ্রমিকরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেনি। বেশিরভাগ কারখানা শ্রমিকদের দাবি মেনে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম সবুজ বাংলা’র স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু’কে বলেন,সকালে কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা প্রবেশ করেছে। প্রায় সব কারখানায় কাজ চলমান আছে। প্রায় ৪৫টি কারখানায় দাবি-দাওয়া নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতের মিল না হওয়ায় এখনো কাজ শুরু হয়নি।
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার অধিকাংশ শিল্প কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ কর্মস্থলে কাজে যোগ দিতে দেখা গেছে শ্রমিকদের।
অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল। বন্ধ কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র নেতারা।
গতকাল সোমবার রাতে গার্মেন্টস মালিক-শ্রমিক পক্ষ ও যৌথবাহিনীর বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আরও জানানো হয়, সম্প্রতি আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আন্দোলনকারী কোনো শ্রমিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে না। নারী-পুরুষ বৈষম্য না করে; যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে- এমনটাও জানান বিজিএমইএ’র নেতারা।
এছাড়া, টিফিনে আগের বরাদ্দের সঙ্গে বাড়তি ১০ টাকা যুক্ত হবে। আর হাজিরা বোনাস হিসাবে প্রতি মাসে বেতনের সঙ্গে দেওয়া হবে ২২৫ টাকা।