০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে অবৈধ টাকায় গড়া পৌনে দুই কোটি টাকার বহুতল ভবন জব্দ 

কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়ায় মাদক ব্যবসার টাকায় জমি কিনে ছয়তলা ভবন নির্মাণ
করা অবৈধ বাড়ি জব্দের নির্দেশ দেন কক্সবাজার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত।
১১ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দায়ের করা মামলার রায়ে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের বাজার পাড়ার ফকির চন্দ্র ধরের ছেলে নির্মল ধরের ৩ দশমিক ৩৩ শতক জমির ওপর কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয় তলা একটি ভবন ক্রোকের (জব্দ) নির্দেশ দিয়েছেন কক্সবাজার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুন্সি আবদুল মজিদ। একইসঙ্গে নির্মল ধরের স্ত্রী দিপ্তি রানী ধরের হ্নীলা শাখার কৃষি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতের (ফ্রিজ) আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, মাদক ব্যবসা করে কোটিপতি হন নির্মল ধর। অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ১২ মার্চ নির্মল ধরকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠায় দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। অভিযুক্ত নির্মল ধর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় দ্বিতীয় দফায় ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আবারো নোটিশ পাঠানো হয়।
১২ অক্টোবর, ২০২০ সালে নির্মল ধর  সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। সম্পদ বিবরণীতে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য দেন তিনি। তাতে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৬৮ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করা হয়।
মামলা এজাহারে আরও বলা হয়, কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়াতে পাঁচ লাখ ৭২ হাজার ৫৮৫ টাকায় কেনা ৩ দশমিক ৩৩ শতক জমির ওপর এক কোটি ৯ লাখ ৬১ হাজার টাকা খরচে নির্মিত ছয় তলা ভবনের তথ্য গোপন করেন নির্মল ধর।
 এ ব্যাপারে নির্মল ধরের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের- (দুদক) কক্সবাজার কাযালয়ের উপসহকারী পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ ভোগদখলে রেখে নির্মল ধর দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের কক্সবাজার কাযার্লয়ের উপ-পরিচালক সুবল আহমদ বলেন, ভবনটি দুদকের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আসামি নির্মল ধর জামিনে মুক্ত আছেন। ক্রোকের নির্দেশের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজারে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আবদুর রহিম জানান, মাদক ব্যবসা করে নির্মল ধর কোটিপতি হয়ে অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছে। তার সঠিক আগের উৎস আদালতে দেখাতে পারেনি।
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে অবৈধ টাকায় গড়া পৌনে দুই কোটি টাকার বহুতল ভবন জব্দ 

আপডেট সময় : ০৩:১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়ায় মাদক ব্যবসার টাকায় জমি কিনে ছয়তলা ভবন নির্মাণ
করা অবৈধ বাড়ি জব্দের নির্দেশ দেন কক্সবাজার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত।
১১ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দায়ের করা মামলার রায়ে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের বাজার পাড়ার ফকির চন্দ্র ধরের ছেলে নির্মল ধরের ৩ দশমিক ৩৩ শতক জমির ওপর কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয় তলা একটি ভবন ক্রোকের (জব্দ) নির্দেশ দিয়েছেন কক্সবাজার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুন্সি আবদুল মজিদ। একইসঙ্গে নির্মল ধরের স্ত্রী দিপ্তি রানী ধরের হ্নীলা শাখার কৃষি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতের (ফ্রিজ) আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, মাদক ব্যবসা করে কোটিপতি হন নির্মল ধর। অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ১২ মার্চ নির্মল ধরকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠায় দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। অভিযুক্ত নির্মল ধর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় দ্বিতীয় দফায় ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আবারো নোটিশ পাঠানো হয়।
১২ অক্টোবর, ২০২০ সালে নির্মল ধর  সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। সম্পদ বিবরণীতে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য দেন তিনি। তাতে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৬৮ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করা হয়।
মামলা এজাহারে আরও বলা হয়, কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়াতে পাঁচ লাখ ৭২ হাজার ৫৮৫ টাকায় কেনা ৩ দশমিক ৩৩ শতক জমির ওপর এক কোটি ৯ লাখ ৬১ হাজার টাকা খরচে নির্মিত ছয় তলা ভবনের তথ্য গোপন করেন নির্মল ধর।
 এ ব্যাপারে নির্মল ধরের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের- (দুদক) কক্সবাজার কাযালয়ের উপসহকারী পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ ভোগদখলে রেখে নির্মল ধর দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের কক্সবাজার কাযার্লয়ের উপ-পরিচালক সুবল আহমদ বলেন, ভবনটি দুদকের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আসামি নির্মল ধর জামিনে মুক্ত আছেন। ক্রোকের নির্দেশের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজারে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আবদুর রহিম জানান, মাদক ব্যবসা করে নির্মল ধর কোটিপতি হয়ে অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছে। তার সঠিক আগের উৎস আদালতে দেখাতে পারেনি।