১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তেজনা শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংবাদিক অবরুদ্ধ

রাজারহাটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই গ্রুপের উত্তেজনার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার কালে কর্তব্যরত সাংবাদিক কে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশের একটি দল চলে আসেন ঘটনাস্থলে। মাস ব্যাপী চলমান পরিস্থিতিতে পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটায় উদ্বিগ্ন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ঘটনা রাজারহাট উপজেলা সদর ইউনিয়নের চান্দামারী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করাকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। এক পক্ষ ছাত্রীর গায়ে অশালীনভাবে হাত দেওয়ার  অভিযোগ আনলেও আরেক পক্ষ বলছে শিক্ষকদের সম্মানহানি করতে এ অভিযোগ। এই উত্তেজনার এক পর্যায়ে দুই পক্ষ  হাতাহাতির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। এর আগে  মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসার ২৪জন ছাত্রী শ্রেণি কক্ষে শরীরে হাত দিয়ে শাসন করা ও অশালীন কথাবার্তা বলার অভিযোগ তুলে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা বেগম বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে রোববার ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১:০০টায়  মাদ্রাসায় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার  তদন্ত করতে আসেন। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় শেষে  তিনি শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকায় তদন্তের শুনানি পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে পরামর্শ করে জানাবেন বলে উপস্থিত সকল কে জানান। সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার মাদ্রাসা থেকে চলে যাবার পরে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা সাংবাদিক ইব্রাহিম আলম সবুজ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ সম্প্রচার করলে বহিরাগত একদল উশৃংখল  যুবক তাকে চারিদিক থেকে ঘিরে অবরুদ্ধ করে রাখে। উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে ইব্রাহিম আলম সবুজকে ছাড়িয়ে নিয়ে পরিবেশ শান্ত করে। পরে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ  মোস্তাফিজুর রহমান কে সাংবাদিক অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয় টি জানালে তিনি ঘটনাস্থলে এক ভ্যান পুলিশ পাঠিয়ে দিয়ে পরিবেশ শান্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তেজনা শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংবাদিক অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

রাজারহাটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই গ্রুপের উত্তেজনার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার কালে কর্তব্যরত সাংবাদিক কে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশের একটি দল চলে আসেন ঘটনাস্থলে। মাস ব্যাপী চলমান পরিস্থিতিতে পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটায় উদ্বিগ্ন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ঘটনা রাজারহাট উপজেলা সদর ইউনিয়নের চান্দামারী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করাকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। এক পক্ষ ছাত্রীর গায়ে অশালীনভাবে হাত দেওয়ার  অভিযোগ আনলেও আরেক পক্ষ বলছে শিক্ষকদের সম্মানহানি করতে এ অভিযোগ। এই উত্তেজনার এক পর্যায়ে দুই পক্ষ  হাতাহাতির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। এর আগে  মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসার ২৪জন ছাত্রী শ্রেণি কক্ষে শরীরে হাত দিয়ে শাসন করা ও অশালীন কথাবার্তা বলার অভিযোগ তুলে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা বেগম বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে রোববার ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১:০০টায়  মাদ্রাসায় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার  তদন্ত করতে আসেন। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় শেষে  তিনি শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকায় তদন্তের শুনানি পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে পরামর্শ করে জানাবেন বলে উপস্থিত সকল কে জানান। সমবায় কর্মকর্তা শাহ আলম সরকার মাদ্রাসা থেকে চলে যাবার পরে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা সাংবাদিক ইব্রাহিম আলম সবুজ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ সম্প্রচার করলে বহিরাগত একদল উশৃংখল  যুবক তাকে চারিদিক থেকে ঘিরে অবরুদ্ধ করে রাখে। উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে ইব্রাহিম আলম সবুজকে ছাড়িয়ে নিয়ে পরিবেশ শান্ত করে। পরে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ  মোস্তাফিজুর রহমান কে সাংবাদিক অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয় টি জানালে তিনি ঘটনাস্থলে এক ভ্যান পুলিশ পাঠিয়ে দিয়ে পরিবেশ শান্ত করেন।