১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাপলাচত্বরে ও মোদির আগমন বিরোধী আন্দোলন হত্যাকান্ডের বিচার হতে হবে : আবু হানিফ 

সিরাতুন্নবী সা.উপলক্ষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে জাগরণের গান ও আজাদী সন্ধ্যার আয়োজন করে জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলবর। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে কলরব শিল্পী গোষ্ঠী সংগীত পরিবেশন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন,” শহীদ মিনারে আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করে দেশ আবারও স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামীলীগ ভারতের প্রেসক্রিপশনে সব সময় মুসলমানদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে। ধর্মীয় কোন সভা সমাবেশের ক্ষেত্রে এক ধরনের নিষেধাজ্ঞা ছিলো আওয়ামী সরকারের পক্ষ থেকে।
ছাত্র জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, তা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবাইকে নিতে হবে।  মনে রাখতে কোন কুচক্রী মহল যেন আমাদের সম্প্রতি নষ্ট করতে না পারে। দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।আমাদের এই ঐক্য যেন কোন ভাবেই নষ্ট করতে না পারে। কোন সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী কিংবা উগ্রবাদী কোন বিশৃঙ্খলা যেন করতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকতে হবে।
আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে ২০১৩ সালে শাপলাচত্বরে আলেমদের উপর যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো তার বিচার হতে হবে। ২০২১ সালে মোদির আগমন বিরোধী আন্দোলনের সময়ও যেসব হত্যাকান্ড হয়েছিল তারও বিচার হতে হবে।আওয়ামীলীগের আমলে মানুষ যখন কথা বলতে ভয় পেতো,আমরা তখনও আলেম ওলামাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

শাপলাচত্বরে ও মোদির আগমন বিরোধী আন্দোলন হত্যাকান্ডের বিচার হতে হবে : আবু হানিফ 

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সিরাতুন্নবী সা.উপলক্ষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে জাগরণের গান ও আজাদী সন্ধ্যার আয়োজন করে জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলবর। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে কলরব শিল্পী গোষ্ঠী সংগীত পরিবেশন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন,” শহীদ মিনারে আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করে দেশ আবারও স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামীলীগ ভারতের প্রেসক্রিপশনে সব সময় মুসলমানদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে। ধর্মীয় কোন সভা সমাবেশের ক্ষেত্রে এক ধরনের নিষেধাজ্ঞা ছিলো আওয়ামী সরকারের পক্ষ থেকে।
ছাত্র জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, তা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবাইকে নিতে হবে।  মনে রাখতে কোন কুচক্রী মহল যেন আমাদের সম্প্রতি নষ্ট করতে না পারে। দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।আমাদের এই ঐক্য যেন কোন ভাবেই নষ্ট করতে না পারে। কোন সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী কিংবা উগ্রবাদী কোন বিশৃঙ্খলা যেন করতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকতে হবে।
আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে ২০১৩ সালে শাপলাচত্বরে আলেমদের উপর যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো তার বিচার হতে হবে। ২০২১ সালে মোদির আগমন বিরোধী আন্দোলনের সময়ও যেসব হত্যাকান্ড হয়েছিল তারও বিচার হতে হবে।আওয়ামীলীগের আমলে মানুষ যখন কথা বলতে ভয় পেতো,আমরা তখনও আলেম ওলামাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছি।