০৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে আহত

গাজীপুরের শ্রীপুরের পূর্ব বিরোধের জেরে শ্রীপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আফাজ উদ্দিন মোল্লাকে কুপিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় বাধা দেয়ায় তার সহযোগী আরো ৪ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় ওই এলাকায় অতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় শ্রীপুর পৌরসভার পশ্চিম ভাংনাহাটি (মোল্লাপাড়া) এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলো পশ্চিম ভাংনাহাটি (মোল্লাপাড়া) এলাকার মৃত ফজর আলী মোল্লার ছেলে শ্রীপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আফাজ উদ্দিন মোল্লা (৫৩), মৃত সাফিজ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলম বাবুল (৪২), ইসমাইল হোসেনের ছেলে ফরহাদ মিয়া (৪২), মৃত মজিদ মোল্লার ছেলে মোন্তাজ উদ্দিন মোল্লা (৫৮) এবং রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৪৮)। আহতদেরেকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আফাজ উদ্দিন মোল্লা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাসা থেকে স্থানীয় কেওয়া বজারের উদ্দেশ্যে বের হন। বাসা থেকে একটু সামনে যাওয়ার পর পূর্ব থেকে উঁৎ পেতে থাকা একই এলাকার মৃত আবুল কালাম মোল্লার ছেলে ওয়াদুদ মোল্লা, তার ভাই সাখাওয়াত মোল্লা, মৃত রজব আলী মোল্লার ছেলে সাইয়ুম মোল্লা, শামসুদ্দিনের ছেলে জসীম উদ্দিন, আবু সাঈদ, ইসহাক, ইলিয়াস, ইমরান, তন্ময় এবং তুহীনসহ তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা করে। এসময় তার মাথায় এবং গালে কুপিয়ে আহত করে। তার চিৎকারে অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা তাদেরকেও মারপিট করে কুপিয়ে মারাতœক আহত করে। স্বজনেরা তাদেরকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক লুবনা আক্তার জানান, হামলার ঘটনায় ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযুক্ত ওয়াদুদ মোল্লা জানান, আফাজ উদ্দিনের বড় ভাই হেলাল উদ্দিন আমাকে ডেকে স্থানীয় বাটন কারখানার সামনে নিয়ে যায়। সেখানে ব্যবসায়ীক আলোচনা করার সময় একটি গাড়ী কারখানায় প্রবেশ করে। এসময় আফাজ মোল্লার লোকজন মনে করে আমার গাড়ী কারখানায় প্রবেশ করেছে। একপর্যায়ে আফাজ মোল্লা ও তার লোকজন আমাদের লোকজনের উপর হামলা করে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বলেন, ভাংনাহাটি এলাকায় হামলার ঘটনায় আমাকে কেউ একজন ফোনে জানিয়েছে। পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পরিবেশ শান্ত আচে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে আহত

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাজীপুরের শ্রীপুরের পূর্ব বিরোধের জেরে শ্রীপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আফাজ উদ্দিন মোল্লাকে কুপিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় বাধা দেয়ায় তার সহযোগী আরো ৪ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় ওই এলাকায় অতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় শ্রীপুর পৌরসভার পশ্চিম ভাংনাহাটি (মোল্লাপাড়া) এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলো পশ্চিম ভাংনাহাটি (মোল্লাপাড়া) এলাকার মৃত ফজর আলী মোল্লার ছেলে শ্রীপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আফাজ উদ্দিন মোল্লা (৫৩), মৃত সাফিজ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলম বাবুল (৪২), ইসমাইল হোসেনের ছেলে ফরহাদ মিয়া (৪২), মৃত মজিদ মোল্লার ছেলে মোন্তাজ উদ্দিন মোল্লা (৫৮) এবং রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৪৮)। আহতদেরেকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আফাজ উদ্দিন মোল্লা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাসা থেকে স্থানীয় কেওয়া বজারের উদ্দেশ্যে বের হন। বাসা থেকে একটু সামনে যাওয়ার পর পূর্ব থেকে উঁৎ পেতে থাকা একই এলাকার মৃত আবুল কালাম মোল্লার ছেলে ওয়াদুদ মোল্লা, তার ভাই সাখাওয়াত মোল্লা, মৃত রজব আলী মোল্লার ছেলে সাইয়ুম মোল্লা, শামসুদ্দিনের ছেলে জসীম উদ্দিন, আবু সাঈদ, ইসহাক, ইলিয়াস, ইমরান, তন্ময় এবং তুহীনসহ তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা করে। এসময় তার মাথায় এবং গালে কুপিয়ে আহত করে। তার চিৎকারে অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা তাদেরকেও মারপিট করে কুপিয়ে মারাতœক আহত করে। স্বজনেরা তাদেরকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক লুবনা আক্তার জানান, হামলার ঘটনায় ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযুক্ত ওয়াদুদ মোল্লা জানান, আফাজ উদ্দিনের বড় ভাই হেলাল উদ্দিন আমাকে ডেকে স্থানীয় বাটন কারখানার সামনে নিয়ে যায়। সেখানে ব্যবসায়ীক আলোচনা করার সময় একটি গাড়ী কারখানায় প্রবেশ করে। এসময় আফাজ মোল্লার লোকজন মনে করে আমার গাড়ী কারখানায় প্রবেশ করেছে। একপর্যায়ে আফাজ মোল্লা ও তার লোকজন আমাদের লোকজনের উপর হামলা করে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বলেন, ভাংনাহাটি এলাকায় হামলার ঘটনায় আমাকে কেউ একজন ফোনে জানিয়েছে। পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পরিবেশ শান্ত আচে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি।