১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে ডা.আফতাব উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জামাই-শ্বশুরের সিন্ডিকেটে শিক্ষার মান নিভু নিভু

রংপুর মহানগরীর প্রবেশদ্বার কেল্লাবন্দে প্রায় তিন যুগেরও বেশি সময় পূর্বে গড়ে উঠা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডা. আফতাব উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। যেখানে আধুনিকতার কোনো ছোঁয়াই লাগেনি। আর শিক্ষার মানও প্রায় নিভু নিভু। কেল্লাবন্দ সিও বাজার এলাকার কৃতিসন্তান বিশিষ্ট নিক্ষানুরাগী স্বনামধন্য চিকিসক আফতাব উদ্দিন পৈত্রিক জমি থেকে ৩৩ শতক দান করে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির স্বেচ্ছাচারি, অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার বিদ্যালয়টি শুধু অবকাঠামোগতই নয়, শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও পিছে রয়েছে। আকন্ঠ অর্থ লোপাটের নেশায় বিদ্যালয়ে শিক্ষক-জনবল নিয়োগে আত্মীকরণ এবং পরিবারতন্ত্র তৈরি করে নানাবিধ দুর্নীতির সীমাহীন নজির সৃষ্টি করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষক একেএম আনছারুল হক তার আপন মামাশ্বশুর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলামকে সভাপতি বানিয়ে জামাই-শ্বশুর মিলে স্বীয়স্বার্থ হাসিলে মেতে থাকতেন। যার ফলে ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠে ৩৭ বছরেও কোনো আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। তাদের এমন অসৎ কর্মকান্ড দেখেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। আ’লীগের দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি বিদ্যালয়ে যা ইচ্ছে তাই-ই করতেন। ক্ষমতার দাপটে জামাই-শ্বশুরের হাজারো অনিয়ম এতোদিন চাপা পড়েই ছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বদৌলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারী তাঁদের প্রাণপ্রিয় কর্মস্থল রক্ষায় প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতির আকন্ঠ দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, ডিডি-মাউশি, ডিডি-দুদক, জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, উপ পরিচালক-মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, উপ পরিচালক-দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা প্রশাসকসহ জেলা-উপজেলার সংশ্লিষ্ট আরও ৪/৫টি সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট গণস্বাক্ষর সম্বলিত ১৬ প্রকার দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরেন শিক্ষক-কর্মচারিবৃন্দ। তারা সংক্ষিপ্তাকারে যৎসামান্য যেটুকু দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছেন, তা প্রদত্ত হলোÑ আওয়ামী ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দির্ঘদিন মামা শশ্বশুরকে সভাপতির পদে রাখা, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে থাকা মূলবান গাছ বিক্রির টাকা আত্মসাৎ, স্কুলের জমি প্রতিবেশিদের যাতায়াতের জন্য টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়ে সেই টাকা আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের আভ্যন্তরীণ আয়, যেমন- প্রশংসাপত্র, সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদান বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিনা রশিদে অর্থ আদায় ও আত্মসাৎ, অধিনস্ত কর্মচারীদের বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের কাছে অর্থ আদায়, প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোছা. নূরজাহান বেগম চিকিৎসাজনিত কারণে প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাসের ছুটি গ্রহণ করেন। ছুটিকালীন উক্ত কর্মচারীর সরকারী বেতনের সমুদয় অর্থ প্রধান শিক্ষক তার স্বনামীয় হিসাব নম্বরে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ, ভুুয়া স্বাক্ষর প্রদানের মাধ্যমে সকল শিক্ষক-কর্মচারীর প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত এক মাসের বেতন আত্মসাৎ, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারি কাম হিসাব সহকারি মো. শাফিউল আলম, নিরাপত্তা কর্মী মোঃ কামরুজ্জামান এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোঃ সুজন মিয়ার নিকট হতে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ, অর্থাভাবে দীর্ঘদিন শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না জেনেও এ অবস্থায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তাঁর বাক প্রতিবন্ধী শ্যালিকা মোছা. মাহমুদুত জাহান ঝর্ণাকে ইংরেজি বিষয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়ে বেতন বাবদ বাৎসরিক ৭২ হাজার টাকা ব্যয় করার মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীদের হক নষ্ট করেন, ভুয়া শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক, “কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর” পদে নিজের মেয়ে মোছা. পাপিয়া আজাদকে নিয়োগ প্রদান, প্রধান শিক্ষক আনছারুল একাডেমিক ভবন বরাদ্দ প্রাপ্তির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতিষ্ঠানের তহবিল হতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা লুট, ফরম ফিলাপ কাজে জটিলতা সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বি ত করায় এলাকাবাসীর কাছে বিদ্যালয়টির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়া, এমন কি প্রতিষ্ঠানের পুরাতন বই-খাতা ও আসবাবপত্র বিক্রির মাধ্যমে সমূদয় অর্থ আত্মসাত করতেও দ্বিধা-সংকোচ করেন নি প্রধান শিক্ষক, সর্বোপরি শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও অধীনস্তদের সাথে প্রধান শিক্ষক অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ প্রতিনিয়ত নষ্ট হওয়া, দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বাস্তবভিত্তিক কোন সভা অনুষ্ঠিত না হওয়া, ইতিপূর্বে কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক গঠিত নীরিক্ষা কমিটি দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবকার্য সম্পাদন হলেও তা দীর্ঘদিন যাবত অদৃশ্য কারণে বন্ধ রয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটি অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অপুরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে শিক্ষক-কর্মচারি, ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন। এ ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অ লের উপ-পরিচালক মো.শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। জেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি, প্রতিবেদন পেলে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে ডা.আফতাব উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জামাই-শ্বশুরের সিন্ডিকেটে শিক্ষার মান নিভু নিভু

আপডেট সময় : ০১:৩৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

রংপুর মহানগরীর প্রবেশদ্বার কেল্লাবন্দে প্রায় তিন যুগেরও বেশি সময় পূর্বে গড়ে উঠা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডা. আফতাব উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। যেখানে আধুনিকতার কোনো ছোঁয়াই লাগেনি। আর শিক্ষার মানও প্রায় নিভু নিভু। কেল্লাবন্দ সিও বাজার এলাকার কৃতিসন্তান বিশিষ্ট নিক্ষানুরাগী স্বনামধন্য চিকিসক আফতাব উদ্দিন পৈত্রিক জমি থেকে ৩৩ শতক দান করে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির স্বেচ্ছাচারি, অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার বিদ্যালয়টি শুধু অবকাঠামোগতই নয়, শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও পিছে রয়েছে। আকন্ঠ অর্থ লোপাটের নেশায় বিদ্যালয়ে শিক্ষক-জনবল নিয়োগে আত্মীকরণ এবং পরিবারতন্ত্র তৈরি করে নানাবিধ দুর্নীতির সীমাহীন নজির সৃষ্টি করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষক একেএম আনছারুল হক তার আপন মামাশ্বশুর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলামকে সভাপতি বানিয়ে জামাই-শ্বশুর মিলে স্বীয়স্বার্থ হাসিলে মেতে থাকতেন। যার ফলে ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠে ৩৭ বছরেও কোনো আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। তাদের এমন অসৎ কর্মকান্ড দেখেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। আ’লীগের দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি বিদ্যালয়ে যা ইচ্ছে তাই-ই করতেন। ক্ষমতার দাপটে জামাই-শ্বশুরের হাজারো অনিয়ম এতোদিন চাপা পড়েই ছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বদৌলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারী তাঁদের প্রাণপ্রিয় কর্মস্থল রক্ষায় প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতির আকন্ঠ দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, ডিডি-মাউশি, ডিডি-দুদক, জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, উপ পরিচালক-মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, উপ পরিচালক-দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা প্রশাসকসহ জেলা-উপজেলার সংশ্লিষ্ট আরও ৪/৫টি সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট গণস্বাক্ষর সম্বলিত ১৬ প্রকার দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরেন শিক্ষক-কর্মচারিবৃন্দ। তারা সংক্ষিপ্তাকারে যৎসামান্য যেটুকু দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছেন, তা প্রদত্ত হলোÑ আওয়ামী ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দির্ঘদিন মামা শশ্বশুরকে সভাপতির পদে রাখা, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে থাকা মূলবান গাছ বিক্রির টাকা আত্মসাৎ, স্কুলের জমি প্রতিবেশিদের যাতায়াতের জন্য টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়ে সেই টাকা আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের আভ্যন্তরীণ আয়, যেমন- প্রশংসাপত্র, সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদান বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিনা রশিদে অর্থ আদায় ও আত্মসাৎ, অধিনস্ত কর্মচারীদের বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের কাছে অর্থ আদায়, প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোছা. নূরজাহান বেগম চিকিৎসাজনিত কারণে প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাসের ছুটি গ্রহণ করেন। ছুটিকালীন উক্ত কর্মচারীর সরকারী বেতনের সমুদয় অর্থ প্রধান শিক্ষক তার স্বনামীয় হিসাব নম্বরে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ, ভুুয়া স্বাক্ষর প্রদানের মাধ্যমে সকল শিক্ষক-কর্মচারীর প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত এক মাসের বেতন আত্মসাৎ, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারি কাম হিসাব সহকারি মো. শাফিউল আলম, নিরাপত্তা কর্মী মোঃ কামরুজ্জামান এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোঃ সুজন মিয়ার নিকট হতে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ, অর্থাভাবে দীর্ঘদিন শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না জেনেও এ অবস্থায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তাঁর বাক প্রতিবন্ধী শ্যালিকা মোছা. মাহমুদুত জাহান ঝর্ণাকে ইংরেজি বিষয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়ে বেতন বাবদ বাৎসরিক ৭২ হাজার টাকা ব্যয় করার মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীদের হক নষ্ট করেন, ভুয়া শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক, “কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর” পদে নিজের মেয়ে মোছা. পাপিয়া আজাদকে নিয়োগ প্রদান, প্রধান শিক্ষক আনছারুল একাডেমিক ভবন বরাদ্দ প্রাপ্তির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতিষ্ঠানের তহবিল হতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা লুট, ফরম ফিলাপ কাজে জটিলতা সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বি ত করায় এলাকাবাসীর কাছে বিদ্যালয়টির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়া, এমন কি প্রতিষ্ঠানের পুরাতন বই-খাতা ও আসবাবপত্র বিক্রির মাধ্যমে সমূদয় অর্থ আত্মসাত করতেও দ্বিধা-সংকোচ করেন নি প্রধান শিক্ষক, সর্বোপরি শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও অধীনস্তদের সাথে প্রধান শিক্ষক অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ প্রতিনিয়ত নষ্ট হওয়া, দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বাস্তবভিত্তিক কোন সভা অনুষ্ঠিত না হওয়া, ইতিপূর্বে কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক গঠিত নীরিক্ষা কমিটি দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবকার্য সম্পাদন হলেও তা দীর্ঘদিন যাবত অদৃশ্য কারণে বন্ধ রয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটি অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অপুরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে শিক্ষক-কর্মচারি, ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন। এ ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অ লের উপ-পরিচালক মো.শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। জেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি, প্রতিবেদন পেলে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।