১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হলে মাস্তানি চাঁদাবাজি আর ফাও খাওয়া সেটা জাদুঘরে যাবে : চবি উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার কটুক্তি করে বলেছেন, হলে থেকে যেসব ছাত্রনেতারা মাস্তানি চাঁদাবাজি আর ফাও খেয়েছে সেটা জাদুঘরে যাবে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে চবি সাংবাদিক সমিতির সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

চবি উপাচার্য বলেন, যেসব ছাত্ররাজনীতির নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থেকে মাস্তানি চাঁদাবাজি আর ফাও খেয়েছে সেটা জাদুঘরে যাবে। এখন আর সেই সুযোগ থাকবেনা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু রাজনীতির চর্চা হবে।

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন,
ছাত্ররা অবশ্যই রাজনীতি করবে কিন্তু সেই রাজনীতি হতে হবে ছাত্রদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ কেন্দ্রিক। সেটা জামায়াত, বিএনপি কিংবা আওয়ামিলীগের দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি হবে না। সারা পৃথিবীতে লাখো বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কিন্তু কোথাও কি দেখাতে পারবেন সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে লাশ পড়ে? একজন ছাত্র শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা দিতে আসছে আর তাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। এমন ঘটনা কী কোথাও ঘটেছে? তার মানে কী সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি নেই। সেখানে অবশ্যই ছাত্ররাজনীতি আছে। এমআইটি, হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড, কেমব্রিজসহ বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠন আছে, শিক্ষকদের সংগঠন আছে। তারা অ্যাকাডেমিক স্বার্থে রাজনীতি করে। ওয়াচ ডকের ভূমিকা পালন করে।

চবি উপাচার্য আরও বলেন, আমি ৪০ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি কিন্তু কখনো জামায়াত জিন্দাবাদ, বিএনপি জিন্দাবাদ এবং আওয়ামিলীগ জিন্দাবাদ বলেনি কিন্তু অনেকেই এ কথা বলেছেন। ‘আমার বই নেই কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো কখনো শুনেনি, ‘আমার পরীক্ষা সময়মত হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো শুনেনি। ২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হলো কিন্তু কোন ছাত্র সংগঠন কি এ বিষয়ের উপরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম করেছে? করেনি। সুতরাং আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় অ্যাকাডেমিক স্বার্থে রাজনীতি করবে।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবে বলেন জানিয়েছেন চবির সদ্য নিয়োগ পাওয়া এই উপাচার্য।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজহার, সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান এবং সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

হলে মাস্তানি চাঁদাবাজি আর ফাও খাওয়া সেটা জাদুঘরে যাবে : চবি উপাচার্য

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার কটুক্তি করে বলেছেন, হলে থেকে যেসব ছাত্রনেতারা মাস্তানি চাঁদাবাজি আর ফাও খেয়েছে সেটা জাদুঘরে যাবে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে চবি সাংবাদিক সমিতির সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

চবি উপাচার্য বলেন, যেসব ছাত্ররাজনীতির নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থেকে মাস্তানি চাঁদাবাজি আর ফাও খেয়েছে সেটা জাদুঘরে যাবে। এখন আর সেই সুযোগ থাকবেনা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু রাজনীতির চর্চা হবে।

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন,
ছাত্ররা অবশ্যই রাজনীতি করবে কিন্তু সেই রাজনীতি হতে হবে ছাত্রদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ কেন্দ্রিক। সেটা জামায়াত, বিএনপি কিংবা আওয়ামিলীগের দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি হবে না। সারা পৃথিবীতে লাখো বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কিন্তু কোথাও কি দেখাতে পারবেন সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে লাশ পড়ে? একজন ছাত্র শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা দিতে আসছে আর তাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। এমন ঘটনা কী কোথাও ঘটেছে? তার মানে কী সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি নেই। সেখানে অবশ্যই ছাত্ররাজনীতি আছে। এমআইটি, হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড, কেমব্রিজসহ বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠন আছে, শিক্ষকদের সংগঠন আছে। তারা অ্যাকাডেমিক স্বার্থে রাজনীতি করে। ওয়াচ ডকের ভূমিকা পালন করে।

চবি উপাচার্য আরও বলেন, আমি ৪০ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি কিন্তু কখনো জামায়াত জিন্দাবাদ, বিএনপি জিন্দাবাদ এবং আওয়ামিলীগ জিন্দাবাদ বলেনি কিন্তু অনেকেই এ কথা বলেছেন। ‘আমার বই নেই কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো কখনো শুনেনি, ‘আমার পরীক্ষা সময়মত হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো শুনেনি। ২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হলো কিন্তু কোন ছাত্র সংগঠন কি এ বিষয়ের উপরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম করেছে? করেনি। সুতরাং আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় অ্যাকাডেমিক স্বার্থে রাজনীতি করবে।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবে বলেন জানিয়েছেন চবির সদ্য নিয়োগ পাওয়া এই উপাচার্য।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজহার, সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান এবং সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।