খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সেনা-সেটেলার কর্তৃক সাম্প্রদায়িক হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যা ঘটনা তদন্তে জাতিসংঘকে অন্তর্ভুক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন ও ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংঘাত ও বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সোমবার সকাল ১১ টার দিকে সাম্প্রতিক সময়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় শহীদ ধন রঞ্জন চাকমা, জুনান চাকমা, রুবেল ত্রিপুরা ও অনিক চাকমার এ চারজনকে হত্যা ও শত শত পাহাড়ি- বাঙালি ঘরবাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি সদর উপজেলা মাঠ থেকে শুরু হয়ে চেঙ্গী স্কয়ারে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য উক্যনু মারমা বলেন, সাম্প্রদায়িক হামলা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। একজন মোটরসাইকেল চোর, যার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা বিভিন্ন থানায় রয়েছে, চুরি করে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পরবর্তীতে হাসপাতালে মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনাকে পরবর্তীতে সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলো। সাম্প্রদায়িক হামলার সুস্থ তদন্তে জন্য জাতিসংঘ সদস্যদের রাখতে হবে।
সমাবেশে জনতন চাকমা ও সুপন চাকমা বলেছেন, সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে পাহাড়িদের ওপর বর্বর হামলা করা হলো। হামলা ও গুলিতে চারজনকে হত্যা করা হলো, অসংখ্য পাহাড়ি গুলিতে আহত হয়েছে, পাহাড়িদের শত শত ঘরবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হলো। এই সাম্প্রদায়িক হামলার তদন্ত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে করতে হবে। সুতরাং অতীতে পাহাড়ে অনেক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। সেটির কোন আলোর মুখ দেখেনি।
এসময়, ফুটন্ত চাকমাসহ সংঘাত ও বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।
সংঘাত ও বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন নেতৃবৃন্দ সাথে কথা বলে জানা গেছে খাগড়াছড়ি সদর ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একই দাবিতে সংগঠনটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে।
























