০১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমনা স্টেশন রেলপথে সংস্কার কাজ শেষে চলবে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস-নাহিদ হাসান

‘কুড়িগ্রামের উলিপুর পর্যন্ত রেলপথে সংস্কার কাজ চলছে। চিলমারীর রমনা স্টেশন পর্যন্ত রেলপথে সংস্কার কাজও শীঘ্রই শুরু হবে। এরপর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটিও রমনা স্ট্রেশন পর্যন্ত আসবে।’ বন্ধ থাকার সাড়ে ৪ বছর পর সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে আসা রমনা লোকাল ট্রেনটি রমনা স্টেশনে পৌঁছালে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সাবেক সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘সকালে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলাচল করবে। রমনা লোকাল ট্রেন দিনে দুই বার চলাচল করবে। আর রাতে রংপুর এক্সপ্রেসের শার্টল ট্রেনটিও যাতে রমনা পর্যন্ত আসে সে ব্যাপারে কথা বার্তা চলছে। আশা করছি ৪টি ট্রেন পাবে কুড়িগ্রামবাসী।’
রমনা মডেল ইউনিয়নের জোড়গাছ এলাকার ব্যবসায়ী মো.গয়ছল হক বলেন, ট্রেনে সল্প মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা যায় এবং দুরঘটনা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।  ট্রেনটি আবারাে চলাচল করায় আমরা খুব খুশি তবে ট্রেনটি সকাল ৮ টায় চিলমারী রমনা রেল স্টেশন থেকে ছাড়লে ব্যবসায়ীদের জন্য ভালো হতো।
রমনা মডেল ইউনিয়নের জোড়গাছ এলাকা থেকে আসা ট্রেনের যাত্রী আবুু তালেব বলেন ট্রেনটি আসায় খুব ভালো হয়েছে কুড়িগ্রাম যেতে  খরচ হয় ১ শত ৬০ টাকা লাগে এখন  ট্রেনে ২০ টাকা খরচ হবে।
কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের ছাত্র আসাদুল ইসলাম বলেন ট্রেনটি সকালে রমনা থেকে কুড়িগ্রাম গেলে আমাদের ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য ভালো হতো ট্রেনটি দুপুরে আসলে আমাদেরকে অন্য গাড়িতে যেতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দাবি জানাই ট্রেনটি যেনো সকালে দেয়া হয়।
লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, ট্রেনের সময় পরিবর্তনের  বিষয়টি দেখা হবে।  রমনা রেল স্টেশনে একটি নতুন স্টেশন বিল্ডিং, শেড, থাকার রুমসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই বরাদ্দ পাওয়া যাবে।’
উল্লেখ্য, করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে সারা দেশের ট্রেন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি এই রেল পথে চলাচলকারী একমাত্র রমনা লোকাল ট্রেনটিও বন্ধ করা হয়। পরে দেশের সব রেলপথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলেও লোকোমাস্টার, ইঞ্জিন স্বল্পতা এবং জনবল সংকটে এই রেলপথে দীর্ঘ সাড়ে ৪ বছর ধরে পার্বতীপুর-রমনা লোকাল ট্রেন বন্ধ ছিল।
তবে ২০২২ সালের ১ মার্চ রমনা লোকাল ট্রেনটির পরিবর্তে চিলমারী কমিউটার নামে একটি ট্রেন চালু করা হয়। কিন্তু ট্রেনটি সুবিধাজনক সময়ে না পৌঁছানো ও তিস্তা বা কাউনিয়া জংশনে অন্যান্য ট্রেনের সাথে সংযোগ না পাওয়া ইত্যাদি কারণে ট্রেনটি জনপ্রিয় হতে পারেনি।
জনপ্রিয় সংবাদ

রমনা স্টেশন রেলপথে সংস্কার কাজ শেষে চলবে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস-নাহিদ হাসান

আপডেট সময় : ০৪:২৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
‘কুড়িগ্রামের উলিপুর পর্যন্ত রেলপথে সংস্কার কাজ চলছে। চিলমারীর রমনা স্টেশন পর্যন্ত রেলপথে সংস্কার কাজও শীঘ্রই শুরু হবে। এরপর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটিও রমনা স্ট্রেশন পর্যন্ত আসবে।’ বন্ধ থাকার সাড়ে ৪ বছর পর সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে আসা রমনা লোকাল ট্রেনটি রমনা স্টেশনে পৌঁছালে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সাবেক সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘সকালে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলাচল করবে। রমনা লোকাল ট্রেন দিনে দুই বার চলাচল করবে। আর রাতে রংপুর এক্সপ্রেসের শার্টল ট্রেনটিও যাতে রমনা পর্যন্ত আসে সে ব্যাপারে কথা বার্তা চলছে। আশা করছি ৪টি ট্রেন পাবে কুড়িগ্রামবাসী।’
রমনা মডেল ইউনিয়নের জোড়গাছ এলাকার ব্যবসায়ী মো.গয়ছল হক বলেন, ট্রেনে সল্প মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা যায় এবং দুরঘটনা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।  ট্রেনটি আবারাে চলাচল করায় আমরা খুব খুশি তবে ট্রেনটি সকাল ৮ টায় চিলমারী রমনা রেল স্টেশন থেকে ছাড়লে ব্যবসায়ীদের জন্য ভালো হতো।
রমনা মডেল ইউনিয়নের জোড়গাছ এলাকা থেকে আসা ট্রেনের যাত্রী আবুু তালেব বলেন ট্রেনটি আসায় খুব ভালো হয়েছে কুড়িগ্রাম যেতে  খরচ হয় ১ শত ৬০ টাকা লাগে এখন  ট্রেনে ২০ টাকা খরচ হবে।
কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের ছাত্র আসাদুল ইসলাম বলেন ট্রেনটি সকালে রমনা থেকে কুড়িগ্রাম গেলে আমাদের ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য ভালো হতো ট্রেনটি দুপুরে আসলে আমাদেরকে অন্য গাড়িতে যেতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দাবি জানাই ট্রেনটি যেনো সকালে দেয়া হয়।
লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, ট্রেনের সময় পরিবর্তনের  বিষয়টি দেখা হবে।  রমনা রেল স্টেশনে একটি নতুন স্টেশন বিল্ডিং, শেড, থাকার রুমসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই বরাদ্দ পাওয়া যাবে।’
উল্লেখ্য, করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে সারা দেশের ট্রেন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি এই রেল পথে চলাচলকারী একমাত্র রমনা লোকাল ট্রেনটিও বন্ধ করা হয়। পরে দেশের সব রেলপথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলেও লোকোমাস্টার, ইঞ্জিন স্বল্পতা এবং জনবল সংকটে এই রেলপথে দীর্ঘ সাড়ে ৪ বছর ধরে পার্বতীপুর-রমনা লোকাল ট্রেন বন্ধ ছিল।
তবে ২০২২ সালের ১ মার্চ রমনা লোকাল ট্রেনটির পরিবর্তে চিলমারী কমিউটার নামে একটি ট্রেন চালু করা হয়। কিন্তু ট্রেনটি সুবিধাজনক সময়ে না পৌঁছানো ও তিস্তা বা কাউনিয়া জংশনে অন্যান্য ট্রেনের সাথে সংযোগ না পাওয়া ইত্যাদি কারণে ট্রেনটি জনপ্রিয় হতে পারেনি।