১০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান

মেঘনা নদীসহ ছোট বড় ১৩টি নদী দ্বারা বেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা। এই দ্বীপাঞ্চলের সিংহ ভাগ মানুষের রুজি রুটির প্রধান উৎস মাছ ধরা। উপজেলাটিতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে ৯ দিনেও উল্লেখ্যযোগ্য কারাদণ্ড হয়নি মৎস্য আহরণকারী কোন জেলের। মেঘনা, ইলিশা , কালা বদর, লাল খারাবাদ, মাঝকাটা, লতা, গজারিয়া,  নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ডিমওয়ালা ইলিশ। মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান অত্র উপজেলার সাধারন মানুষের।

তারা মনে করছে ঢিলেঢালাভাবে নদীতে অভিযান চলছে যার ফলে অধিকাংশ সময় নদী অরক্ষিত থাকে। মা ইলিশ নিধনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও থেমে নেই জেলেরা। শত শত জেলে নদীতে ইলিশ মাছ শিকারে নেমে পড়ে। নদীতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকায় জেলেরা এখন বেপরোয়া। মেঘনা সহ বিভিন্ন নদী এলাকায় চলছে এসব চোরাই ইলিশের বেচা কেনা।

উলানিয়া, আলীগঞ্জ বাজার, চাঁদপুর, বাদামতলী, জয়নগর, দরিচর খাজুরিয়া, চরের হাট, ভাসান চর, বাগরজা, বউ ডুবাচর,  জাঙ্গালিয়া, শ্রীপুর, চরগোপালপুর সহ বিভিন ইউনিয়নে নদীর তীরে সূর্য প্রবাহের আগে রীতিমতো হাট বসে! অনেক সময় বাসা বাড়ীতে গিয়েও মাছ বিক্রি করছে জেলেরা। তারা বলছে, আমরা ঠিকমত জেলে কার্ড পাইনা, মাছ না ধরলে খাব কি? জেলেরা অভিযোগ করে বলে নৌ-পুলিশ ও কোষ্ট গার্ড সবাইকে ধরে না, আইন সবার জন্য সমান হলে কাউকে ধরবে আর কাউকে ছেড়ে দিবে তা তো ঠিক নয়।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, গত ১৩ই অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের শুরু থেকে  গতকাল ২১শে অক্টোবর ৯ দিনে এই উপজেলায়  ২৯ জন জেলেকে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা  আর্থিক জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া  হয়েছে। এছাড়াও ইলিশ শিকারে ব্যবহৃত অবৈধ ১০  লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে ও প্রায় ৭০০ কেজি ইলিশ মাছ জেলেদের কাছ থেকে জব্দ করে স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

উক্ত উপজেলার সাধারন মানুষ বলছে কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ যেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব কঠোর ভাবে পালন করে ইলিশ রক্ষার্থে। কাউকে ধরা হবে আর কাউকে ছেড়ে দেয়া হবে এমনটি যেন না হয়। তারা মনে করছে, এর জোরালো প্রতিকার না হলে এই নিষেধাজ্ঞার কোন সুফল মিলবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান

আপডেট সময় : ১০:১৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

মেঘনা নদীসহ ছোট বড় ১৩টি নদী দ্বারা বেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা। এই দ্বীপাঞ্চলের সিংহ ভাগ মানুষের রুজি রুটির প্রধান উৎস মাছ ধরা। উপজেলাটিতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে ৯ দিনেও উল্লেখ্যযোগ্য কারাদণ্ড হয়নি মৎস্য আহরণকারী কোন জেলের। মেঘনা, ইলিশা , কালা বদর, লাল খারাবাদ, মাঝকাটা, লতা, গজারিয়া,  নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ডিমওয়ালা ইলিশ। মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান অত্র উপজেলার সাধারন মানুষের।

তারা মনে করছে ঢিলেঢালাভাবে নদীতে অভিযান চলছে যার ফলে অধিকাংশ সময় নদী অরক্ষিত থাকে। মা ইলিশ নিধনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও থেমে নেই জেলেরা। শত শত জেলে নদীতে ইলিশ মাছ শিকারে নেমে পড়ে। নদীতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকায় জেলেরা এখন বেপরোয়া। মেঘনা সহ বিভিন্ন নদী এলাকায় চলছে এসব চোরাই ইলিশের বেচা কেনা।

উলানিয়া, আলীগঞ্জ বাজার, চাঁদপুর, বাদামতলী, জয়নগর, দরিচর খাজুরিয়া, চরের হাট, ভাসান চর, বাগরজা, বউ ডুবাচর,  জাঙ্গালিয়া, শ্রীপুর, চরগোপালপুর সহ বিভিন ইউনিয়নে নদীর তীরে সূর্য প্রবাহের আগে রীতিমতো হাট বসে! অনেক সময় বাসা বাড়ীতে গিয়েও মাছ বিক্রি করছে জেলেরা। তারা বলছে, আমরা ঠিকমত জেলে কার্ড পাইনা, মাছ না ধরলে খাব কি? জেলেরা অভিযোগ করে বলে নৌ-পুলিশ ও কোষ্ট গার্ড সবাইকে ধরে না, আইন সবার জন্য সমান হলে কাউকে ধরবে আর কাউকে ছেড়ে দিবে তা তো ঠিক নয়।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, গত ১৩ই অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের শুরু থেকে  গতকাল ২১শে অক্টোবর ৯ দিনে এই উপজেলায়  ২৯ জন জেলেকে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা  আর্থিক জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া  হয়েছে। এছাড়াও ইলিশ শিকারে ব্যবহৃত অবৈধ ১০  লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে ও প্রায় ৭০০ কেজি ইলিশ মাছ জেলেদের কাছ থেকে জব্দ করে স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

উক্ত উপজেলার সাধারন মানুষ বলছে কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ যেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব কঠোর ভাবে পালন করে ইলিশ রক্ষার্থে। কাউকে ধরা হবে আর কাউকে ছেড়ে দেয়া হবে এমনটি যেন না হয়। তারা মনে করছে, এর জোরালো প্রতিকার না হলে এই নিষেধাজ্ঞার কোন সুফল মিলবে না।