০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চাটখিল খিলপাড়া সড়কের বেহাল অবস্থা

নোয়াখালীর চাটখিল-খিলপাড়া মুক্তিযোদ্ধা আশ্রাফ বেগ সড়ক সাম্প্রতিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘ ৭ কিঃমিঃ সড়কের চাটখিল দক্ষিণ বাজার থেকে খিলপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ কিঃমিঃ সড়কে বন্যার পানি উঠে ছোট-বড় গর্তসহ রাস্তার অনেক অংশ ভেঙে গেছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের চলাফেরায় প্রতিবন্ধকতাসহ রাস্তা যান চলাচলের ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনার মতো ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির অনেক স্থানে কার্পেটিং উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, রাস্তার দুপাশের মাটি সরে রাস্তার পাশের। গাছ ভেঙে পড়ে রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এমনিতেই সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীনে এ রাস্তাটি দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গভাবে মেরামত না করার কারণে যানবাহন চলাচলের উপযোগী না হলেও মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে ঝুঁকি ও ভোগান্তির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়। তার ওপরে বন্যার কারণে বর্তমানে রাস্তাটি ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে, প্রতিদিন এই সড়কে প্রায় ৬-৭ হাজার লোক চলাচল করে। চলাচলের মাধ্যম হিসেবে সিএনজি, অটোরিকশা, হোন্ডা দিয়ে চলাচল করতে হয়। ছোট-বড় দুর্ঘটনা সড়কটির নিত্য সঙ্গী। রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় সিএনজি,অটোরিক্সা চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকে। ফলে মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি হয়রানিও বাড়ছে। সিএনজি, অটোরিক্সা চালকদের দাবি, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশ প্রতিদিনই নষ্ট হচ্ছে। দিনে যা ভাড়া আয় হয়, রাতে তা দিয়ে গাড়ি মেরামত করার পর তাদের সংসার চালাতেও অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক মালিক লোকসানের ভায়ে গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন বলে চালকেরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ নোয়াখালী সড়ক বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চাটখিল খিলপাড়া সড়কের বেহাল অবস্থা

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

নোয়াখালীর চাটখিল-খিলপাড়া মুক্তিযোদ্ধা আশ্রাফ বেগ সড়ক সাম্প্রতিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘ ৭ কিঃমিঃ সড়কের চাটখিল দক্ষিণ বাজার থেকে খিলপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ কিঃমিঃ সড়কে বন্যার পানি উঠে ছোট-বড় গর্তসহ রাস্তার অনেক অংশ ভেঙে গেছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের চলাফেরায় প্রতিবন্ধকতাসহ রাস্তা যান চলাচলের ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনার মতো ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির অনেক স্থানে কার্পেটিং উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, রাস্তার দুপাশের মাটি সরে রাস্তার পাশের। গাছ ভেঙে পড়ে রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এমনিতেই সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীনে এ রাস্তাটি দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গভাবে মেরামত না করার কারণে যানবাহন চলাচলের উপযোগী না হলেও মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে ঝুঁকি ও ভোগান্তির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়। তার ওপরে বন্যার কারণে বর্তমানে রাস্তাটি ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে, প্রতিদিন এই সড়কে প্রায় ৬-৭ হাজার লোক চলাচল করে। চলাচলের মাধ্যম হিসেবে সিএনজি, অটোরিকশা, হোন্ডা দিয়ে চলাচল করতে হয়। ছোট-বড় দুর্ঘটনা সড়কটির নিত্য সঙ্গী। রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় সিএনজি,অটোরিক্সা চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকে। ফলে মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি হয়রানিও বাড়ছে। সিএনজি, অটোরিক্সা চালকদের দাবি, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশ প্রতিদিনই নষ্ট হচ্ছে। দিনে যা ভাড়া আয় হয়, রাতে তা দিয়ে গাড়ি মেরামত করার পর তাদের সংসার চালাতেও অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক মালিক লোকসানের ভায়ে গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন বলে চালকেরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ নোয়াখালী সড়ক বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করা হবে।