০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন

এসএসসি ভোকেশনাল স্কুলের ৯ম শ্রেণির পরীক্ষার ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত ফি আদায় করার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন করেছে শতাধিক শিক্ষার্থী। গতকাল ৩০ অক্টোবর বুধবার সকাল ১১টার দিকে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হামিদা খাতুন মাধ্যমিক এসএসসি ভোকেশনাল স্কুলের প্রধান গেটের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. সাহানা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমাদের স্কুলের ম্যাডাম অফিস সহকারীর মাধ্যমে বিভিন্ন নামে-বেনামে রশিদ ছাড়াই ফি আদায় করে থাকেন। আমাদের নবম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় ফরম ফিলাপের জন্য ১৯০৫ টাকা বোর্ড নির্ধারিত ফি থাকলেও স্কুল থেকে আমাদের ৩ হাজার ৫০০শত টাকা ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমাদের অস্বচ্ছল পরিবারের পক্ষ থেকে ৩ হাজার ৫০০শত টাকা ফি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করা হলে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ফরম ফিলাপ ফি ২ হাজার ৫০০শত টাকা নির্ধারণ করে দেয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষা আমাদের হুমকি দিচ্ছেন, যে সকল শিক্ষার্থী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করেছে সেই সকল শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল ও পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, কোনোক্রমেই বোর্ড ফি’র অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ফরম পূরণ করা সম্ভব নয়। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি না নিয়ে বোর্ড নির্ধারিত ফি নিয়ে ফরম ফিলাপ করানোর আহবান জানাচ্ছি। মানববন্ধনে অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের অপরাধে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়। এবিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. সাহানা আক্তারের সাথে মুঠোফোনে কয়েক বার যোগাযোগের করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

এসএসসি ভোকেশনাল স্কুলের ৯ম শ্রেণির পরীক্ষার ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত ফি আদায় করার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন করেছে শতাধিক শিক্ষার্থী। গতকাল ৩০ অক্টোবর বুধবার সকাল ১১টার দিকে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হামিদা খাতুন মাধ্যমিক এসএসসি ভোকেশনাল স্কুলের প্রধান গেটের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. সাহানা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমাদের স্কুলের ম্যাডাম অফিস সহকারীর মাধ্যমে বিভিন্ন নামে-বেনামে রশিদ ছাড়াই ফি আদায় করে থাকেন। আমাদের নবম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় ফরম ফিলাপের জন্য ১৯০৫ টাকা বোর্ড নির্ধারিত ফি থাকলেও স্কুল থেকে আমাদের ৩ হাজার ৫০০শত টাকা ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমাদের অস্বচ্ছল পরিবারের পক্ষ থেকে ৩ হাজার ৫০০শত টাকা ফি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করা হলে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ফরম ফিলাপ ফি ২ হাজার ৫০০শত টাকা নির্ধারণ করে দেয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষা আমাদের হুমকি দিচ্ছেন, যে সকল শিক্ষার্থী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করেছে সেই সকল শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল ও পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, কোনোক্রমেই বোর্ড ফি’র অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ফরম পূরণ করা সম্ভব নয়। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি না নিয়ে বোর্ড নির্ধারিত ফি নিয়ে ফরম ফিলাপ করানোর আহবান জানাচ্ছি। মানববন্ধনে অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের অপরাধে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়। এবিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছা. সাহানা আক্তারের সাথে মুঠোফোনে কয়েক বার যোগাযোগের করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।